
img source
চোখ দুটো মায়াবী পরনে লাল শারী,
আহা! কি সুন্দর মায়াবিনী।
ভার্সিটিতে যাওয়ার পথে হঠাৎ দেখি আকাশ ঘন কালো মেঘে ছেয়ে গেছে। মনে হচ্ছে প্রচণ্ড বৃষ্টি হবে। এই আবহাওয়াটা যদিও আমার খুব ভাল লাগে।
রাশেদঃ বন্ধু বাইকের গতিটা আর একটু বারিয়ে দে, মনে হয় ভার্সিটিতে যাওয়ার আগেই মেঘ এসে আমাকে গোসল করিয়ে দিবে। এই রেহ! ছাতাই তো আনিনি। কে জানতো এ অসময়ে বৃষ্টি আসবে। মেঘের অন্ধকারে দূরে কিছু দেখা যাচ্ছিলো না।
ক্লাসে গিয়েই আমি অবাকের চেয়েও বেশি অবাক হলাম। অবশ্য হাসিও পাচ্ছে খুব! লাবণ্যর কান্না দেখে যদিও আমার মত ছেলের হাসি পাওয়ার কথা না। তবুও হাসি চাপাতে পারছি না!
রাশেদঃ কিরে লাবণ্য, কাঁদছিস কেন?
কোনো রকমে হাসি চাপিয়ে লাবণ্যকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম। লাবণ্য আমার দিকে তাকিয়ে তার দুই চোখ আমার চোখে তাকিয়ে আছে। হঠাৎ লাবণ্য চিৎকার করে উঠলো। লাবণ্যর সাথে সাথে ক্লাশের সবাই বলে উঠলো
শুভজন্মদিন, শুভজন্মদিন, শুভজন্মদিন রাশেদ, শুভজন্মদিন। আমি তো অবাক হয়ে থ, দরে দাড়িয়ে রইলাম, সব বন্ধুরা মিলে ছোঁটা ছোটি শুরু করলো, একজন আমার সামনে সারের টেবিল নিয়ে আসলো আর সবাই আমার সামনে এসে আকত্রিত হোল, লাবণ্য একটা বড় প্যাকেট থেকে একটি জন্মদিনের কেক বের করে আমার সামনে রাখল।
লাবণ্যঃ কি রে কেমন লাগলো আমার সারপ্রাইজটা, চাকুটা নে এবার কেকটা কাট।
রাশেদঃ না, মানি আমি তো ভুলেই গেছিলাম আজ আমার জন্মদিন, আমি তো প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম, সত্যি তোরা আমার খুব ভালো বন্ধু,
লাবণ্যঃ আমাদের প্রশংসা করলেই হবে না আমাদের সবাইকে একটা পার্টি দেতে হবে এবং তা আজকেই হতে হবে।
রাশেদঃ হা, হা, হা, হা, অবশ্যই পার্টি হবে, তা হলে আজ রাতে আমার বাসাই তোদের আমন্ত্রণ।
# চলবে