নববর্ষ উৎসব পূর্ব 2

S
suhag002

     বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম

বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ। নববর্ষকে ঘিরে সবার মাঝে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। বাংলা নববর্ষ উৎসবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মেলা। চৈত্র সংক্রান্তির দিনে এবং পহেলা বৈশাখ সকালে মেলা বসে। এই মেলা থেকেই গ্রামের মানুষ হাঁড়ি-ঝুড়ি, দা-কাস্তে থেকে শুরু করে সংসারের যাবতীয় তৈজসপত্র ক্রয় করে। হাট বাজারের দোকানিরাও পয়লা বৈশাখে আপ্যায়ন করেন। দের গ্রাহক-খদ্দেরদের। খদ্দেররা বাকি পাওনা পরিশোধ করে মিষ্টিমুখে আপ্যায়িত হন। এই অনুষ্ঠানের আরেক নাম হালখাতা। নববর্ষের আয়োজনে যাত্রাপালা, কবিগান ও খেলাধুলার আয়োজনও করা হয়।

পহেলা বৈশাখের মেলায় আবার আমাদের এখানে খেলাধুলা হয়নি এই খেলাধুলো হাডুডু খেলা কুস্তি খেলা বালিশ খেলা দৌড় প্রতিযোগিতা আরও নানান রকমের খেলা হয় এই খেলায় তিন জনকে নির্বাচিত করা হয় আর সেই তিনজন প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় এ তিনজন কে পুরস্কৃত করা হয় সকাল থেকেই শুরু হয়ে যেত এই খেলা একটির পর একটি খেলা হতো এভাবে দেখতে দেখতে সারাটা দিন শুধু খেলার ওপর থাকতো আমাদের এখানে মেলা আর কিছু বলার নেই এর রয়েছে তারাই খেলাগুলো পরিচালনা করত এখন কি খেলা পরিবর্তন এবং কি দেখতে অনেক জায়গা থেকে লোক আসছে দূর-দূরান্ত থেকে মাঠে লোকজন ভরে যেত দোকানপাট ভরে যেত কিনা কাটার একটা ধুম পড়ে যেত সারাদিন খেলা শেষে বিকাল দিকে পুরস্কার দেওয়ার পালা এবার যারা ভলান্টিয়ার রয়েছে তারা পুরস্কার দিবি আর যারা এই খেলায় ফার্স্ট সেকেন্ড থার্ড হয়েছে তাদের নাম আগেই খাতাই লেখা হয়েছে এবার ভলান্টিয়াররা যাদের নাম দেখে দেখে প্রথম পুরষ্কার দ্বিতীয় পুরস্কার তৃতীয় পুরস্কার দেয় এভাবে আস্তে আস্তে পুরস্কার দেওয়া শেষ হলেসবাই চলে যায় বাড়িতে তারপর এবং কি সেখানে ঘোষণা করা হয় নাক দিয়ে যে রাতে যাত্রা অথবা ডান্স রয়েছে সকালে আটটার সময় উপস্থিত থাকবেন তারপর আমরা সকলে বাড়িতে চলে যাই বাড়িতে যাওয়ার পর অনেক জন গোসল করে কেউ খাওয়া-দাওয়া করি শেষ করি ঠিক রাত আটটার দিকে আবার চলে যায় ওই মাঠে যাত্রাপালা দেখতে যাত্রা পালা শুরু হয়ে গেলো দেখতে দেখতে প্রায় রাত 2 টা বেজে যায় যাত্রা পালা শেষ হতে এবার যাত্রা পালা শেষ হয়ে যাওয়ার পর সবাই সকলে আমরা বাড়ির দিকে চলে যাই

 

গ্রাম্য মেলা : নবান্ন উৎসবের অংশ হিসেবে পৌষ মাসে গ্রাম্য মেলা বসতো যা এখনও চালু আছে। এসব মেলায় যেমন নানা প্রয়োজনীয় তৈজসপত্র নিয়ে পসারিরা বিক্রি করতে বসেন তেমনি এখানে তাঁতের কাপড়, লুঙ্গি, গামছা, চুড়ি, প্রসাধনী, কামার-কুমারের নানা ধাতব বা মাটির জিনিসপত্র, বইপত্র, পাটি বিক্রির জন্য উঠে। বিনোদনেরও নানা আয়োজন দেখা যায়। রাতভর চলে যাত্রা বা পালাগান। এই সব মেলায় দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসে। এই মেলাগুলো আসলে গ্রামীণ অর্থনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতির মিলন মেলা।

Comments