সেচের প্রয়োজনীয়তা

S
suhag002
আসসালামু আলাইকুম সকলে কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর মেহেরবানীতে আমিও খুব ভালো আছি বরাবরের মতো আবারো হাজির হয়েপানি সেচের প্রয়োজনীয়তা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধিসেচের প্রয়োজনীয়তা নেই আমি আজকে আপনাদের সাথে কথা বলবোআমরা জানি জমিতে পানির ঘাটতি হলে সেচ না দিলে ফসল উৎপাদন সম্ভব নয়। কিন্তু এই সেচের পানিরও অপচয় সেচের পানির উৎস ভূনিম্নস্থ হোক অথরা ভূউপরিস্থ হোক, সবই কোনো না কোনো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়। এতে কৃষকের শ্রমের ব্যয় হয় এবং অর্থেরও ব্যয় হয়। তাই কোনোভাবেই সেচের পানির অপব্যয় বা অপচয় যাতে না হয় সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। অর্থাৎ সেচের পানির অপচয় রোধ করার মাধ্যমে এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা যায়।

বিভিন্নভাবে সেচের পানির অপচয় হয়। কীভাবে সেচের পানির অপচয় হয় তা নিচে উল্লেখ করা হলো বাষ্পীভবন পানির অনুস্রবণ পানি চুয়ানোবাষ্পীভবন সূর্যের তাপে প্রতিনিয়ত খাল-বিল, নদী-নালা থেকে যেমন পানি বাষ্পীভূত হচ্ছে তেমনি ফসলের জমির সেচের পানিও বাষ্পীভূত হচ্ছে। পানির এই বাষ্পীভবন রোধ করা কঠিন ব্যাপার। তবে সময়মতো এবং পরিমাণমতো পানি সেচ দিতে হবে যাতে ফসল নিজ প্রয়োজনে পানি গ্রহণ করতে পারে।

পানির অনুস্রবণ সেচের পানি মাটির স্তর ভেদ করে সোজাসুজি নিচের দিকে চলে যাওয়াকে পানির অনুস্রবণ বলা হয়। অনুস্রবণের মাধ্যমে সেচের পানির অনেক অপচয় হয়। সেচের নালায় বা জমিতে শক্ত স্তর না থাকলে সহজেই পানির অনুস্রবণ ঘটে। অতএব, নালা বা জমিতে শক্ত স্তর সৃষ্টি করে পানির অনুস্রবণ রোধ করা যায়।

পানি চুয়ানো পানি চুয়ানো পানির অনুস্রবণের অনুরূপ। শুধু পার্থক্য হলো অনুস্রবণের মাধ্যমে পানি নিচে চলে যায়। আর চুয়ানোর মাধ্যমে পানি অন্য ক্ষেতে চলে যায়। অনেক ইঁদুর আইলের এপাশ-ওপাশ গর্ভ করে। ইঁদুরের গর্ভের মাধ্যমেও পানি চুইয়ে অন্যত্র চলে যায়। অতএব, শক্ত মাটি দ্বারা এমনভাবে ক্ষেতের আইল ও নালা করতে হবে যেন পানি চুইয়ে না যায়। জমিতে ইঁদুর যাতে গর্ত করতে না পারে সে ব্যবস্থা করতে পারলে পানি চুয়ানো কমে যাবে।

ক্ষেতের ফসল সুন্দর চাইলে অবশ্যই খেতে বসলে ঘনঘন শ্বাস নিতে হবে তা না হলে ফসল নষ্ট হয়ে যাবে তাই আমরা যথেষ্ট পরিমাণ শেষ দিব যাতে আমাদের কষ্টের ফসল নষ্ট না হয় আর এদিকে আমাদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে আর যদি আমরা খেলনা রাখে তাহলে ফসল নষ্ট হয়ে যাবে

Comments