নামাজ পরার নিয়ম

S
suhag002

ইসলামি পরিভাষায় পবিত্র মাটি বা ঐ জাতীয় পবিত্র বস্তু (যেমন: পাথর, চুনা, বালি ইত্যাদি) দিয়ে পবিত্র হওয়ার নিয়তে মুখমন্ডল ও হাতের কনুইসহ মাসেহ করা হচ্ছে তায়াম্মুম। ওযু ও গোসল উভয়ের পরিবর্তে তায়াম্মুম করা যায়। তায়াম্মুমের মাধ্যমে পবিত্র হওয়ার অনুমতি আল্লাহর এক বিশেষ অনুগ্রহ একলোকে আমি দেখলাম ফজরের দুই রাকাত ফরজ নামাযের জন্য দাঁড়াল। কিন্তু

 প্রথম রাকাআতে রুকু না করেই সিজদায় চলে গেল। ব্যাপারটি দেখে অন্য লোকজন তাকে সতর্ক করার জন্য সঠিক নিয়মে নামায পড়তে পরামর্শ দেয়। সিজদায়া যাওয়ার আগে 'আল্লাহু আকবার' বলে রুকু করতে হবে। এতে কমপক্ষে তিনবার 'সুবহানা রাব্বিয়াল আলা' বলতে হবে। এরপর সামি আল্লাহ্ লিমান হামিদা' বলে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে 'রাব্বানা লাকাল হামদ' বলতে হবে। অভঃপয় 'আল্লাহু আকবার' বলে সিজদাহ করতে হবে। মহানবি (স) বলেন- তোমরা নামায আদায় কর যেমনিভাবে আমাকে আদায় করতে

যেখানে পানি পাওয়া যাচ্ছে না অথবা পাওয়া গেলেও পানি ব্যবহারে রোগবৃদ্ধি বা প্রাণনাশের আশংকা রয়েছে, এ অবস্থায় আল্লাহ তায়াম্মুমের নির্দেশ দিয়েছেন। তায়াম্মুমের ফরজ তিনটি। যথা- পবিত্রতা অর্জনের নিয়ত করা, পবিত্র মাটি দিয়ে সমস্ত মুখমণ্ডল মাসেহ করা, উভয় হাতে পবিত্র মাটি দিয়ে কনুইসহ মাসেহ করা আমাদের এলাকার

হোসেন অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসক তাকে পানি ব্যবহার দেখেছা (বুখারি)। করতে নিষেধ করেন। কিন্তু সালাত আদায় করার জন্য তাকে পবিত্র হতে হয়। তখন বন্ধু আলী তাকে পানি ছাড়া পবিত্র হওয়ার অর্থাৎ পরিশেষে বলা যায় যে, মহানবি (স) প্রদর্শিত পদ্মায় নামায আদায় করলে তায়াম্মুমের নিয়ম শিখিয়ে দেন। তাই হোসেন মাটি ব্যবহারের নিয়মে পবিত্র হতে পারবে।

গোসল করে পবিত্রতা অর্জন করতে হবে কথাটি যথার্থ 'গোসল' আরবি শব্দ। এর অর্থ ধৌড় করা অর্থাৎ ধোয়া। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় পবিত্রতা অর্জন ও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের 

 

যথাসময়ে নামায আদায় করা আল্লাহর আদেশ। আল্লাহ তায়ালা বলেন- “নির্ধারিত সময়ে সালাত কায়েম করা মুমিনদের জন্য অবশ্য কর্তব্য' (সূরা নিসা: ১০৩) পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের নির্ধারিত সময় রয়েছে। এখানে উদ্দীপকের আলোকে ফজরের সময় বর্ণনা করা হলো। এ সালাতের সময় আরম্ভ হয় সুবহে সাদিক হওয়ার সাথে সাথে এবং সূর্য উদয়ের পূর্ব পর্যন্ত এর সময় থাকে। রাতের শেষে আকাশের পূর্ব দিগন্তে লম্বমান যে আলোর রেখা দেখা দেয় তাকেই সুবহে সাদিক বলে। ঐ আলো ক্রমশ বৃদ্ধি পায় এবং শেষে সূর্যোদয় হয়। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, 'সুবহে সাদিকের পর থেকে সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত ফজর সালাতের সময়' (মুসলিম)।

পবিত্র পানি দিয়ে সমস্ত শরীর ধোয়াকে গোসল বলে। গোসলের তিনটি ফরজ। এগুলো গোসলের সময় অবশ্যই মেনে চলতে হয়। এগুলো হলো- গড়গড়া করে কুলি করা, নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত

পানি পৌঁছানো এবং সমস্ত শরীর পানি দিয়ে ধোয়া। আলী পুকুরে গোসল গিয়ে দেখল, তার ভাই দ্রুত গোসল করে চলে যাচ্ছে। তাই সে তাকে করে বলল, যেকোনো ভাবে গোসল করলেই হবে না। শরিয়তের বিধি মোতাবেক গোসল করে

Comments