রফিক তার বন্ধুদের সাথে বেড়াতে গিয়েছিলেন লন্ডনে। সেখানকার পরিপাটি রাস্তাঘাট, দালান, পাক- সবকিছুই তার ভালো লাগে। তারা একদিন রেস্তোরাঁয় গিয়ে দুপুরের খাবার গ্রহণ করতে চাইলেন। তার ইচ্ছা হয় ভালো ভাত খেতে। কিন্তু সে খাবার সে ওখানে কোথায় পাবেনীলনদ আর পিরামিডেরদেশ' এবং নীলনদ আর পিরামিডের দেশ' উভয়েই খাঁটি বাঙালি
রাতের বেলায় পুরো কায়রো শহর ব্যবসা-বাণিজ্য আর লোক
সমাগমে জেগে ওঠে বলে কায়রোকে নিশাচর শহর বলা হয়েছে। 'নীলনদ আর পিরামিডের দেশী সৈয়দ মুজতবা আলীর কায়রোতে ভ্রমণের কাহিনি। কায়রো শহর ভ্রমণ করতে গিয়ে লেখক দেখতে পান রাতের বেলায় আলোয় ভরে যায় শত্রুটি। রাতেই রেস্তোরা, প্যাফেগুলো খিদ্দেরে গিজগিজ করে। রাস্তা-ঘাট খাবারের গন্ধে এমন ম-ম করে, মনেই হয় না যে রাত হয়েছে। রাতের বেলায় আলোকিত হয়ে জেগে ওঠে বলে কায়রোকে নিশাচর শহর বলা হয়েছে।
নীলনদ আর পিরামিডের দেশ' ভেতো বাঙালি বলা চলে কায়রোতে গিয়ে তিনি বারকোশে হরেক রকমের খাবারের নমুনা দেখতে পেলেন। নিশাচর কায়রোকে খাবারের ঘ্রাণে লাগিয়ে রেখেছিল।
মন কাঁদছিল ঝোল-ভাতের জন্য।রফিক সাহেব বন্ধুদের সাথে লন্ডনে গিয়েছিলেন। সেখানকার পরিপাটি সুন্দর জীবন তাঁর ভালো লাগে। কিন্তু রেস্তোরাঁর ফাস্টফুড তাকে টানে না। তার খেতে ইচ্ছে করে ভাত। ভাতের জন্য তার মনটা কেমন করে ওঠে। রফিক সাহেব এবং নীলনদ আর পিরামিডের খাদ্যরুটি একদম খাঁটি বাঙালির মতো।'নীলনদ আর পিরামিডের দেশ' কায়রোতে ভ্রমণ করতে গিয়েছিলেন। রাতের বেলায় কায়রো শহরের রেস্তোরাঁগুলো থেকে ভেসে আসে নানার রকম খাবারের সুগন্ধ। এই সুঘ্রাণ পথচারীদের ক্ষুধা বাড়িয়ে দেয়। এ সময় তার ঝোল-ভাতের জন্য মন কেঁদে ওঠে।তাজ মূলত বাঙালির প্রধান খাদ্য। ভাত পছন্দ করে না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া রকম সুমন খাবার পেয়েও তারা জন্য অস্থির হয়ে ওঠেন যা কিনা খাঁটি বাঙালিলের বৈশিষ্ট্য। তাে নিঃসন্দেহে রফিক সাহেব এবং নীলনদ আর পিরামিডের দেশ' উভয়েই থ্রীটি বাগুলি।
ফ্রান্সকে বলা হয়। ছবি ও কবিতার দেশ। এদেশের নগরীর প সৌন্দর্য অতুলনীয়। এর মোহে বহু পর্যটক ভিড় করে সেখানে। পারীকে অর্ধেক নগরী ও অর্ধেক কল্পনার শহর বলা হয়। শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অন্যতম পাদপীঠ এ পারী নগরী। এখানের রেস্তোরাগুলোতে স্বল্পমূল্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা দেওয়া যায়। সুগন্ধি শিল্পের জন্যও পারীর সুনাম
একটি দেশের ইতিহাস ও রায়কে তুলে ধরা ঐতিহ্যের একটি হয়েছে। কিন্তু আলোচ্য একটি দেশের সামগ্রিক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও লোকাচারের দিকটি উঠে এসেছে, যেখানে মিশরের একাধিক নিদর্শনের ইচ্ছা হয় ভাত খেতে পরিচয় আমরা লক্ষ করি। আমাদের ভাষা আন্দোলনের প্রধান স্মৃতিনিদর্শনের দেখা যায়, সেখানে ভ্রমণকাহিনিতে, নীলনদ, পিরামিড, সমূহ এবং লোকাচারের উল্লেখ রয়েছে। একটি দেশের আধুনিক ইতিহাসের ইঙ্গিত দিলেও একটি দেশের প্রাচীন থেকে বর্তমান সময়ের ইতিহাসের ইঙ্গিত পাওয়া যায় বর্ণিত ক্ষুদ্র একটি বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও সমগ্রতাকে স্পর্শ করতে পারেনি।

