শাহিনের নাবির সাথে আমি সম্পূর্ণ ঐকমত্য পোষণ করি। হজরত আদম (আ) হতে হজরত মুহাম্মদ (স) পর্যন্ত আগমনকারী সকল রসুলগণ মানুষদেরকে ইসলামের দিকে আহ্বান করেছেন। এরই ভিত্তিতে তারা স্বীয় উম্মতদের পরিচালনা করেন। কিন্তু পরবর্তীতে সকল নবি-রসুল শেষ নবি হজরত মুহাম্মদ (স)-এর ওপর ইমান আনয়ন করেন এবং তাদের উম্মতদেরকেও ইমান আনতে বলেছেন। হজরত মুহাম্মদ (স)-এর নবুয়াত প্রাপ্তির পর পূর্ববর্তী সকল নবির ওপর আরোপিত যাবতীয় বিধি-বিধান রহিত হয়ে যায়। উদ্দীপকে শাহিন তার ইহুদি পার্টনারকে ইসলামের দাওয়াত প্রদানের পর দাবি করেছেন, মুসলমান ব্যতীত পরকালে কেউ নাজাত তথা মুক্তি পাবে না। সে আরো দাবি করেছে, সকল নবি-রসুল হজরত মুহাম্মদ (স)-কে নবি বলে মেনে নিয়েছে। আমি শাহিনের উক্ত দাবির সাথে ঐকমত্য পোষণ করছি। আল্লাহ ইরশাদ করেন- Gingyal Ash, jighhuska অন্যদিকে, সকল নবি-রসুল মহানবি (স)-এর ওপর ঈমান এনেছিলেন এ সম্পর্কে বলেছিলেন, আত্মসমর্পণ বলেছিল, আমি জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট আত্মসমর্পণ করলাম। হজরত ইবরাহিম ও ইয়াকুব (আ) তাদের পুত্রগণকে এ বিষয়ে নির্দেশ দিয়ে বললেন, হে পুত্রগণ! আল্লাহ তোমাদের জন্যে এ দ্বীনকে মনোনীত করেছেন। কাজেই তোমরা আত্মসমর্পণকারী না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না। সুতরাং শাহিনের দাবির সাথে তার পাঠকৃত আয়াতের যথেষ্ট মিল বিদ্যমান। আবদুল হাই নদভির নামাজ প্রতিষ্ঠা করা মুমিনের অন্যতম গুণা
পৃথিবীতে মানব সৃষ্টির অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য আল্লাহর ইবাদত করা। বান্দা যে সকল ইবাদত করে তন্মধ্যে নামাজ শ্রেষ্ঠতম। হাদিসে এসেছে, হাশরের দিন সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। তাই মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য নামাজের গুরুত্ব অপরিসীম। জনাব আব্দুল হাই নদভি নামাজের গুরুত্ব আলোচনায় বলেন, 'নামাজ প্রতিষ্ঠা করা মুমিনের অন্যতম গুণ' তার এ উদ্ভিটি যথার্থ এবং তাৎপর্যপূর্ণ। কেননা, কুরআন হাদিসের বিভিন্ন বর্ণনায় মহান আল্লাহ মুমিন হওয়ার পরপরই নামাজ আবশ্যক করেছেন। ইমানের পাশাপাশি নামাজের কথা বলার মাধ্যমে মুমিনের সাথে নামাজের সংশ্লিষ্টতার কথা নিশ্চিত করেছেন। যেমন, আল্লাহ তাআলা বলেন
নামাজ ব্যক্তিকে অন্যায় ও অম্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে। জনাব আব্দুল হাই নদভির কথাটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং যুক্তিযুক্ত। ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের দ্বিতীয়টি হলো, নামাজ।

