তাওহীদ

S
sohel5454
আল্লাহ তায়ালাকে এক ও অদ্বিতীয় সত্তা হিসেবে বিশ্বাস করাকে তাওহিদ বলে। আল্লাহ তায়ালা সভ্যগতভাবে যেমনি একক তেমনি গুণাবলিতেও তুলনাহীন। কেউ তাঁর সমকক্ষ নয়। তাঁর কোনো সন্তান নেই আবার তিনিও কারো সন্তান নন। তিনি স্রষ্টা, পালনকর্তা, রক্ষাকর্তা, রিজিকপাতা, পুরস্করদাতা। শাস্তিদাতা, চিরস্থায়ী, চিরঞ্জীব, শাশ্বত ও সত্য। কোনো কিছু তাঁর সাথে তুলনা করা যায় না। তাঁর তুলনা তিনি নিজেই। উপরের বিষয়গুলো মেনে নিয়ে ইখতিয়ার সাহেব আল্লাহর পরিচয় পেতে পারেন। উদ্দীপকের ইখতিয়ার সাহেব নিজেকে মুসলমান পরিচয় দিলেও সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করেন না। তিনি মনে করেন এসব প্রাকৃতিক নিয়মেই সৃষ্টি হয়েছে এবং পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু পৃথিবীতে যেকোনো জিনিস তৈরি করতে মাধ্যম প্রয়োজন হয়। নিজে নিজে কোনো কিছুই তৈরি হয় না। তাই বলা যায়, সবকিছু আল্লাহ্ তায়ালাই তৈরি করেছেন। সুতরাং ইখতিয়ার সাহেব তাওহিদকে স্বীকার করার মাধ্যমে আল্লাহ। তায়ালার পরিচয় পেতে পারেন।
আল্লাহর রয়েছে সুন্দর সুন্দর নাম
করে। আল্লাহ তায়ালার সুন্দর সুন্দর নামকে একত্রে আসমাউল হুসনা বলা হয়। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন, আল্লাহর রয়েছে সুন্দর সুন্দর নম। অতএব, তোমরা তাঁকে সেইসব নামেই ডাকবে' (সূরা আল-আ' আসমাউল হুসনা সম্পর্কে উল্লেখিত সূরা আল আ'রাফের আয়াতটি তুলে ধরা হয়েছে। আল্লাহর পরিচয় প্রকাশে আসমাউল হুসনার গুরুত্ব অপরিসীম। আল্লাহর অনেকগুলো গুণবাচক নাম রয়েছে। প্রত্যেক গুণবাচক নাম আল্লাহ তায়ালার এক একটি গুণের বহিঃপ্রকাশ করে। যেমন: আল্লাহ্ মালিক। অর্থাৎ আল্লাহ সবকিছুর মালিক। আল্লাহর এসব গুণবাচক নামের মাধ্যমে তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশিত হয়। আর এজন্যই আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদেরকে এসব গুণবাচক নামে ডাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
আল্লাহ তায়ালা সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা ও পরিচালক বিষয়ক ইমতিয়াজ সাহেবের বক্তব্যের আলোকে তাওহিদে বিশ্বাস করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও

ধা আ. গণি সাহেবের মধ্যে আল্লাহর গুণবাচক নাম 'আল্লাহ্ করিম' তাৎপর্যপূর্ণ। নামের গুণ বিরাজ করছে। করিম আরবি শব্দ। এর অর্থ দয়াময়, মহানুভব, উদার ইত্যাদি। আল্লাহ জায়ালা অতীব মহান, করুণাময়, উদার। দয়া, মায়া, স্নেহ, সহনশীলতা,

Comments