শিশুশ্রমে রাজু

S
sohel5454
আগামী কাল আমি পোস্ট করেছিলাম শিশুশ্রম নিয়ে আজকে তার করছি আমাদের এলাকার এক ছেলে নাম মানিক তার কথা আজকে আমি আপনাদের সাথে তুলে ধরব
রাজু বয়স দশ বছর। সে পড়াশোনায় ভাল। তার সমাপনী পরীক্ষার দুই মাস আগে রাজু রিক্সাচালক বাবা দূর্ঘটনার শিকার হয়ে বিছানাগত হয়ে পড়ে। রাজু মা পাশের বাড়িতে কাজ করতে গেলেও ঐ সামান্য টাকায় তাদের চলে না। এমতাবস্থায় মানিক একটি কফিশপে কাজ শুরু করে। পাশাপাশি রাতজেগে লেখাপড়াটাও চালিয়ে যেতে থাকে। মিষ্টি চেহারার মানিক দোকানের টেবিলে টেবিলে কফি পৌঁছে দেয়, টেবিল পরিষ্কার করে। কাস্টমারেরা তাকে খুব ভালবাসে কিন্তু মালিক সামান্য কারণেই রাজুর গালাগালি ও

একই বয়সী শিশুদের বিদ্যালয়ে যেতে দেখে, খেলতে দেখে এবং মা বাবার সাথে বেড়াতে যেতে দেখে শিশু শ্রমিকদের মধ্যে এক ধরনের মানসিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তারাও এসব পেতে চায়। তাই চাহিদার অপূর্ণতা থেকে শিশু মনে হীনমন্যতা সৃষ্টি হয়। শিশু স্বাভাবিক আচরণ করতে পারে না। সমাজ ও সমাজের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলে। এছাড়া শিশুদের প্রতি অন্যায় আচরণ শিশু মনে এক প্রকার হিংস্রতা ও ক্ষিপ্রতার জন্ম দেয়। এসব শিশু আবেগহীন, ভয়হীনআলোচনার শেষে তাই বলা যায়, লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং দোকান মালিকের নির্যাতন মানিককে হিংস্র ভয়ংকর সন্ত্রাসীতে পরিণত করতে পারে।
জকিসহ বিভিন্ন অমানবিক কাজে ব্যবহার করা হয়। চাকরির প্রলোভন | শিশু পাচারের অন্যতম একটি কারণ
রাজুকে তার গ্রামের এক প্রতিবেশী চাচা শহরে কাজ দেখার কথা বলে তার পরিবারের কাছে থেকে নিয়ে এসেছে। কয়েকদিন পরে তাকে বিদেশ পাঠিয়ে দেয়া হয়। সে জানতে পারে তার চাচা তাকে বিক্রি করেছে। তাকে এখন থেকে উটের জকি হিসেবে কাজ করতে হবে।
কথা না শুনলে তাকে মারধোর করা হয় রাজুর মতো অবস্থার শিকার যাতে আর কারো না হয়।
 অন্যদেরকেও এ বিষয়ে সতর্ক করব। প্রয়োজনে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানাব।

Comments