সুবিধাবাদী এনসিপি।

জোটের নাম ১১ দলীয় জোট, কিন্তু ম্যান পাওয়ার সব জামায়াতের৷ 


জোটের নাম ১১ দলীয় জোট, কিন্তু ব্যানার পোস্টার সব জামায়াতের৷ 


জোটের নাম ১১ দলীয় জোট, কিন্তু অর্থনৈতিক, লজিস্টিকস সব জামায়াতের।  


লং মার্চের উদ্যোগ ১১ দলীয় জোটের, কিন্তু প্রচারণা, পিআর, উদ্বেগ, তোড়জোড় সব জামায়াতের৷  


এই হলো ১১ দলীয় জোটের হিসাব নিকাশ৷  


জোটের সবচেয়ে বড় দল জামায়াত, একি সাথে সবচেয়ে বড় আশরাফুল ও জামায়াত।  


জোটের কথা বলে বলে যে যার মতো করে এই আশরাফুলরে ভাগবাটোয়ারা করে খাইতেছে৷  


লং মার্চ নিয়ে জামায়াত বাদে কারো কোন আগ্রহ দেখলাম না৷ প্রচার প্রচারণাও না৷ 


একটা হিসাব দেখায়,


লং মার্চ নিয়ে জামায়াতের অফিসিয়াল ভেরিফাইড পেইজে এখন পর্যন্ত ১৩ টা পোস্ট করা হইছে৷  


এসনিপির অফিসিয়াল পেইজে কয়টা? 


একটাও না। 


লং মার্চ নিয়ে জামায়াতের মিডিয়া উইং এ ১৫ টা পোস্ট করা হইছে।  


আর এনসিপির কয়টা?


এনসিপির মিডিয়া উইং এ একটাও করা হয়নি৷  


কিন্তু জামায়াতের লং মার্চে নাম হবে ১১ দলীয় জোট৷  


সবাই বড় বড় গলায় বক্তব্য দিবে৷  


এনসিপির নেতারা ও তো আরো এক কাঠি সরস৷ ।


এমন ভাবে নির্লজ্জের মতো বড় গলায় বক্তব্য দিবে, যেন তাদেরই সব কিছু৷  


তাদের চেহারা দেখতেই মানুষজন আসছে৷  


জামায়াতের এই হতবুদ্ধিকর অবস্থার জন্য কাকে দোষ দিবো৷  


কাউকেই দেওয়া যাবে না৷ 


বর্তমান নেতৃবৃন্দের অযোগ্যতাকেই দোষটা চাপিয়ে দিতে চাই৷  


জামায়াতের দূরদৃষ্টিসম্পূর্ণ, ডাইনামিক লিডারশীপ যারা ছিলো, তাদের সবাইকে ফাঁসি দিয়ে দেওয়া হইছে৷  


যার কারণে এই অযোগ্য, অথর্বগুলার উপরেই নেতৃত্ব এসে পড়ে৷  


ফলে যা হওয়ার তাই হইতেছে আরকি৷  


রুকুনরা যারা ইনকামের বড় একটা অংশ দিয়ে দেন৷ 


 আপনাদের উচিত আপনাদের টাকাগুলো কিভাবে ব্যায় করা হয় তার হিসাব চাওয়া৷  


এই মূর্খগুলারে আপনারা ফ্রি পাশ দিয়ে দিয়ে লাগামহীন করে ফেলেছেন৷  


যেখানে হযরত ওমর (রাঃ) জবাবদিহি করতো,সেখানে এরা কি কুতুব হয়ে গেছে, হিসাব চাওয়া যাবে না?

Comments