সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

লোন রিশিডিউল এর অপব্যবহার করে অতীতে ব্যাংক লুট করা গ্রাহকেরা ফারদার লুট করার সুযোগ নিচ্ছে।



বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইন্ডাস্ট্রির ৫০% এর উপরে লোন খারাপ। সহজ করে বললে, অন্তত ১০ লাখ কোটি টাকা ফেরত আসবে না।


কিন্তু, ব্যাংকগুলো এই রিশিডিউল নামক কার্পেটের তলে আড়াল করছে প্রকৃত চিত্র।


বাংলাদেশ ব্যাংক এক আজব থিওরি আবিষ্কার করেছে- নীতি সহায়তা।


এই নীতি সহায়তার আওতায় পচা-ধচা-লুট হয়ে যাওয়া সব লোন রেগুলার হয়ে যাচ্ছে।


কালকে বাংলাদেশ ব্যাংক ১,০০০ কোটি টাকার বেশি লোন নেওয়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের লোন ১৫ বছরের জন্য রিশিডিউল করার সুযোগ দিয়েছে। সাথে ০২ বছরের মোরাটোরিয়াম।


মানে, ২% ডাউন পেমেন্ট দিয়ে সব লোন রিশিডিউল হয়ে যাবে। ০২ বছর সেগুলোর কোনো কিস্তি দিতে হবে না। এরপরে ১৫ বছরের কিস্তি! গ্রাহক সেই কিস্তিগুলো যে দেবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই!


আগামী দুই বছর বাংলাদেশের সব পচা-ধচা ব্যাংকের ব্যালেন্স শীট ক্লিন দেখানো যাবে।


এই সুযোগে লুটেরারা আরও লুট করবে। ব্যাংকের লোকেরা ভূয়া প্রফিট দেখিয়ে ইন্সেন্টিভ নেবে...।


মিলেঝিলে লুটপাট!


কী মচতকার!


- চন্দন আজিজ

0.000 SRY
Global
Write your comment...

Comments