সব পরিকল্পনা!

রংপুরে হিন্দু পরিবারের চার সদস্যের হ'ত্যা'কা'ণ্ডে''র পর সারাদেশে হি'ন্দু'দে''র নিরাপত্তা নিয়ে যখন উ'দ্বে''গ চ'র''মে, ঠিক তখনই চাঁদপুর শহরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসসহ স্ত্রী-সন্তান ‘নি'খোঁ''জ’ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে।।।



 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শো'র'গো''ল ওঠে--—অ'প'হ'''রণ? নাকি আরেকটি সাম্প্রদায়িক হা''ম'লা???


কিন্তু সত্যিটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। আর সেই সত্যিটা এখন স্পষ্ট।।।


পিন্টু দাস ‘এস কে শিল্পালয়’ নামে দোকান চালাতেন।।। সোনা ব'ন্ধ''ক রেখে টাকা দেওয়ার ব্যবসা করতেন।।। 

বিভিন্ন সমিতি থেকে ঋণও নিয়েছিলেন।।। গ্রাহকদের সোনা সময়মতো ফেরত দিতে পারছিলেন না।।। 


ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে স্বেচ্ছায় সপরিবারে আ'ত্ম'গো'প''নে চলে যান। বাড়ির মালামাল আগেই সরিয়ে নিয়েছিলেন।।। 


পুলিশ বাড়ির মালিকের উপস্থিতিতে তালা ভে''ঙে রুমে ঢু''কে অগোছালো অবস্থা দেখেই বুঝে যায়—এটা অপহরণ নয়, পালানো।।।


চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান স্পষ্ট করেছেন—--ঋণের চাপেই তিনি নিজে থেকে আ'ত্ম'গো''প''নে গিয়েছিলেন। কোনো সাম্প্রদায়িক হা'ম''লা বা অ'প'হর'ণে''র ঘটনা নয়।।।।


শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোর পাঁচটার দিকে চট্টগ্রামের পটিয়ায় অভিযান চালিয়ে পিন্টু দাস, স্ত্রী রিমি এবং দুই সন্তান প্রিয়ম ও রূপমকে আ'''টক করা হয়।।।।


এখন প্রশ্ন হলো—একজন ব্যবসায়ীর ব্যক্তিগত ঋ'ণ ও প্র'তা'র''ণা'র অভিযোগ নিয়ে পা'লি''য়ে গিয়ে পুরো হিন্দু সম্প্রদায়কে কেন স'ন্দে'হের' মুখে ফেলতে হয়???? 


রংপুরের র'ক্তা''ক্ত ঘটনার পর যখন মানুষ আ'ত'ঙ্কি''ত, তখন এমন ‘নি'খোঁ''জ’ খবর ছড়িয়ে সবাইকে আরও ভ''য় দেখানো হয়। একজনের জন্য দশজন বি'প''দে পড়ে। আস্থা নষ্ট হয়। অহেতুক উত্তেজনা তৈরি হয়।।।


পুলিশ তদন্ত চালিয়েছে, সত্যি বের করেছে। এখন দেখার বিষয়—যারা সোনা-টাকা আটকে রেখেছেন বলে অভিযোগ, তাদের পাওনা উদ্ধার হয় কি না। আর যারা এমন খবর নিয়ে সাম্প্রদায়িক আ'ত''ঙ্ক ছড়ান, তারা কি শিক্ষা নেবেন।।।

একজনের লো''ভ পুরো সম্প্রদায়ের মাথায় আ'গু''ন লাগাতে পারে। এটাই বাস্তব।


#পিন্টুদাস #চাঁদপুর #আত্মগোপন #হিন্দু #সনাতন #রংপুর #viral #trending

Comments