তাদের ধ্বংসের সূচনা যেভাবে
এতক্ষণ তো বললাম ঐ তরুণীদের কথা, যারা তোমার ওই মত প্রথমে এই অবৈধ প্রেমে লিপ্ত হয়েছিল পাশের বাড়ির ছেলেটির সাথে অথবা একই স্কুলে পড়ুয়া সেই ছেলেটির সাথে, যার দিকে তারা প্রথমে ভ্রুক্ষেপই করত না, যাকে তারা উপেক্ষা করে চলে যেত । কিন্তু কিছুদিন কোচিং এ যাওয়ার পথে চায়ের দোকানে কিংবা বাড়ির পাশের গাছের নিচে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে তারা তাদের পাতা ফাঁদে পা দিয়েছে । এভাবেই তাদের জীবন টাকে চেয়ে ফেলেছে অমানিশার কালো মেঘ । গোটা দুনিয়া এখন তাদের কাছে কালো মেঘে আবৃত অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীতে পরিণত হয়েছে । এই অন্ধকার পৃথিবী আবার কখন তাদের জন্য আলোকিত হবে তা কে জানে ।
তুমি কি জানো, কে হবে তোমার স্বামী?
আল্লাহ তাআলা পৃথিবী সৃষ্টির 50 হাজার বছর আগে তোমার অন্যান্য বিষয়াদি তোমার বৈবাহিক সম্পর্ক কার সাথে স্থাপিত হবে তাও লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন । তুমি কি জানো, যে ছেলেটার সাথে তোমার অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, সে-ই ওই ছেলে, যার সাথে আল্লাহ তা'আলা তোমার বউয়ের সম্পর্ক স্থির করে রেখেছেন ? আমাদের সমাজে তো এরকম বহু ঘটনা বিদ্যমান যে, তরুণ-তরুণী একে অন্যের সাথে অবৈধ প্রেম লিলায় লিপ্ত হয়েছিল, কিন্তু আল্লাহর প্রেরিত পরিপন্থী হওয়ায় পিতা-মাতার অসম্মতি সামাজিক নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে তাদের মাঝে বৈবাহিক সম্পর্ক গড়ে ওঠা সম্ভব হয়নি ।
তোমার বেলাও যদি সেরকম ঘটনা ঘটে তখন তুমি কি করবে ? ঘটবে না তার নিশ্চয়তা কি?
তুমি যে ছেলেকে তোমার ভাষায় জীবনের চেয়ে বেশি ভালোবাস, তাকে ছাড়া তোমার একটা মুহূর্ত যেন কাটে না; এখন যদি তোমার সেই ছেলের সাথে দিবানা না হয়ে অন্য আরেকজন ছেলের সাথে বিবাহ হয়, তাহলে তোমার মন তো আর তোমার স্বামীর নিকট থাকবে না । তোমার মন ছুটে যাবে সেই ছেলের কাছে, যার সাথে তোমার অবৈধ সম্পর্ক ছিল । ফলে বিনা অপরাধে সাদা মনের তোমার সেই বৈধ স্বামীকে বিষন্নতার মধ্যে দিন কাটাতে হবে । অপরাধে তার একটাই সে তোমাকে বৈধভাবে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেছে ।
নোংরা প্রেম লিলার করুণ পরিণতি:
এখন তোমাকে আমি এমন এক ধরনের ঘটনা বলব, যে তোমার মত এই নোংরা প্রেম লিলায় লিপ্ত হয়েছিল । কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস যে, পরবর্তী কালে তাকে এর তিক্ত স্বাদ আস্বাদন করতে হয়েছে । বিত্তশালী পরিবারের ছেলে শারাফাত । মালয়েশিয়া প্রবাসী । টাকা পয়সা কোন কমতি নেই । দেখতে বেশ ভালো । পরিণত বয়সে উপনীত হলে মা-বাবা ইচ্ছে হলো কাকে দিয়ে করাবেন । অনেক পাত্রী দেখার পর সর্বশেষ নাহিদা নামের এক মেয়েকে পুত্রবধূ হিসেবে পছন্দ করেন তারা । কথাবার্তায় এগিয়ে চলল । নাহিদা চার ভাইয়ের একমাত্র বোন তাই সে ছিল সকলের আদরের দুলালী । তাদের আর্থিক অবস্থা তেমন সচ্ছল ছিল না । তবে নাহিদের ছিল রূপে গুণে অন্যান্য । এ কারণে সারাফাতের মা এ মেয়েকে পুত্রবধূ বানাবেন বলে মন্স্ত করেছেন । শারাফাত এর মা বাবার নাহিদার মা বাবার সাথে কথাবার্তা বলে বিবাহের দিন ধার্য করে ফেললে । কথাবার্তা পাকাপাকি করে আয়োজন চূড়ান্ত হলো । কিন্তু নাহি দেয় এ বিয়েতে রাজি নয়, কারন সে ভালবাসে মামুন নামের এক ছেলেকে । দীর্ঘদিন ধরে মামুনের সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক চলছে । এভাবে বেগানা ছেলে মেয়ের প্রেম ভালোবাসা ইসলামী নাজায়েজ ও হারাম নাহিদা জানলেও শয়তানের ধোঁকায় পড়ে সে এই পাপের পথে পা বাড়িয়েছে । তবে তার ফ্যামিলির কেউ মামুনির সাথে তার সম্পর্কের কথা ঘুণাক্ষরেও টের পাইনি। নাহিদার বাবা মাও অনেকে মেয়েকে এ বিয়েতে রাজি করালেন । অবশেষে নির্ধারিত দিনে মোবাইল ফোনে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে এখানে উকিল নিযুক্ত করে নাহিদা শারাফাত এর বিবাহ সম্পন্ন হল । শারাফাত নাহিদাকে মনেপ্রাণে ভালোবেসেও নাহিদের কাছে শারাফাত যেন গলার কাঁটা । শারাফাত এর এই স্বচ্ছ ভালবাসার কোন দাম নেই নাহিদার কাছে । সে সারাদিন শুধু মামুনকে নিয়ে চিন্তা করে । শরবতের সাথে সে ফোনে কথা বলতে চাই না । শারাফাত ফোন করলে কোনো না কোনো বাহানা দিয়ে কেটে দেয় । শারাফাত এর কাছে এ ব্যাপারটা খুব কষ্টের মনে হয় । কিন্তু তারপরও সে আমাকে বলতে পারে না যে, মা! তোমার পছন্দ করা বউ এর কাছে তোমার ছেলের কোন মূল্য নেই । সে সারা দিন শুধু তার কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকে । আমার সাথে একটু মন খুলে কথা বলারও ফুরসত নেই তার । নিজের মনের মাঝেই সে তার কষ্টগুলোকে ধামাচাপা দিয়ে রাখে । কাউকে বুঝতে দেয়না তার কষ্টের কথা । কষ্ট গুলো শুধু চোখের অশ্রু হয়ে গড়িয়ে পড়ে । শরাফতের বাবা নাহিদাকে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসার জন্য নাহিদাদের বাড়িতে গেলেন । কিন্তু এটা যেন নারহিদার কাছে আরও যন্ত্রণাদায়ক মনে হল । যাওয়ার ইচ্ছে না থাকা সত্বেও বাবা-মায়ের পীড়াপীড়িতে তাকে যেতে হল । শ্বশুর বাড়িতে বিলাসিতার কোনো কমতি নেই । কিন্তু তারপরও নাহিদার কাছে শ্বশুর বাড়িটা জেলখানা মনে হয় । অনেক কষ্টে সে নিজেকে মানিয়ে নেই । সকলের সাথে সে ভালো ব্যবহার করত । কিন্তু শারাফাতকে সে মন থেকে মেনে নিতে পারত না । শারাফাত ফোন দিলে কেটে দিয়ে তার মনের মানুষ মামুনের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা চালিয়ে যেতে । শারাফাত এর মা মনে করত, নাহিদ তার ছেলের সাথে কথা বলছে।
এ কারণে কখনোও কিছু বলতেন না । একদিনের ঘটনা । নাহিদা যখন একটা বাহানা খোঁজে শারাফাতের ফোন কেটে মামুনের সাথে কথা বলছিল ঠিক তখনই শারাফাত তার মায়ের কাছে ফোন করলো । না ফোন রিসিভ করে বললেন। হ্যালো কে বলছেন? শারাফাত বলল, মা! আমি শারাফাত । মা এ কথা শুনে একবার মোবাইলের দিকে আরেকবার নাহিদার দিকে তাকাচ্ছিলেন। মা বললেন, তুই শারাফাত হলে সে কে? শারাফাত বলল, সেটা আবার কে মা? তুমি কার কথা বলছো? মা নাহিদাকে কিছুটা সন্দেহ করে বিষয়টা চেপে গেলেন । শারাফাত বলল, মা, নাহিদা কোথায়? না অন্য ভাবে বললেন, ঐতো একটু ব্যাস্ত আছে । মায়ের আদর্শ ছেলে শারাফাত আর কথা বাড়ালো না । নাহিদা তার বাপের বাড়িতে বেড়াতে এসেছে । সে মনে মনে নানা ফন্দী আঁটছে , যাতে তার আর ঐ জেলখানায় ফিরে যেতে না হয় । সে অনেক চিন্তা ফিকির করে শ্বশুরবাড়িতে না যাওয়ার আর একটা ফন্দি বের করল । সে তার বাবা-মার কাছে বলল, আমি আর ঐ বাড়িতে যাব না। আমার উপর তারা নানা রকম অত্যাচার করে। আমাকে তারা দাসী- বাঁদীর মতো খাটায় । বাড়ির যত কাজ আছে সব আমাকে দিয়ে করায় । মাতাকে বোঝালেন দেখ মা! শ্বশুরবাড়িতে একটু আধটু কাজ করতেই হয় । তাতে যাব না বলে জেদ ধরে চলবে? কিন্তু নাহিতো তার কথার উপর অটল। সে শ্বশুর বাড়িতে যাবে না তো যাবেই না । অবশেষে নাহিদার বাবা-মা বিচার ডাকলেন । বিচারে শ্বশুর-শাশুড়িকে সাজিয়ে দেওয়া হল এবং বলা হলো, নাহিদাকে দিয়ে আর কোন কাজ করাতে পারবেন না।
শ্বশুরবাড়ির লোকজন তা মেনে নিয়েছে তাদের সাথে বাড়িতে নিয়ে গেলেন । শারাফাতের মা-বউয়ের এই কর্মকাণ্ড দেখে শারাফাত কি দেশে আসতে বললেন। কিন্তু এই খবরটা যেন নাহিদার কাছে এক আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ের মতো মনে হল। সে নানাভাবে শারাফাত কে বোঝাতে লাগলো। যাতে দেশে না আসে । কিন্তু মায়ের আদেশে শারাফাত দেশে এসে উপস্থিত হয়। নাহিদকে সরাসরি দেখে শারাফাতের আরো ভালো লাগছে। কিন্তু সে নাহিদার কাছাকাছি গেলে নাহিদা তাকে এড়িয়ে চলে। শারাফাত নাছোড়বান্দা। সে নাহিদাকে কাছে পাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকে। ইতিমধ্যে নাহিদা গর্ভবতী হলো। এ খবর শুনে শারাফাতের মনে খুশি আর ধরে না। ওদিকে দেখতে দেখতে শারাফাতের ছুটি ��েষ হয়ে এলো। সে প্রবাসী ফিরে যাওয়ার জন্য ঢাকা চলে গেল। তবে কোনো এক কারণে তার ফ্লাইট একদিন পিছিয়ে গেল। তখন সে একদিনের জন্য আপার বাড়িতে ফিরে এলো। নাহিদা তার থেক দূরে থাকার জন্য ফন্দি আঁটতে লাগলো। অবশেষে সে শারাফাত কি এক রুমে আটকে রেখে অন্য রুমে গিয়ে শুয়ে পড়ল। শারাফাত এর কাছে এই রাতটা যেন কয়েক শ' বছরের মত দীর্ঘ মনে হচ্ছে। এপাশ ওপাশ করছে। কিন্তু ঘুম নামক সুখের পায়রা টি যেন তার কাছে ধরা দিতে চাচ্ছে না। অনেক প্রতীক্ষার পর রাত শেষ হলো। শারাফাত তার নানীর কাছে ফোনে ঘটনা বললে নানি অতি প্রত্যুষেই তাদের বাড়িতে এসে উপস্থিত হলেন। নানীর কাছে গঠনা আদ্যোপান্ত খুলে বলে মনের বোঝাটা হালকা করে শারাফাত বিদেশে পাড়ি জমালো। কিছু দিন পরের ঘটনা। নাহিদা তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসেছে। এ সুযোগে মামুন তাকে নানান কথা বলে প্ররোচনা দিল। সে বলল, নাহিদা! আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। তোমাকে ছাড়া আমার একটি প্রহর যেন কাটতে চায় না। তুমি সব কিছু ছেড়ে আমার কাছে চলে এসো। আমার মন তোমাকে পাওয়ার জন্য ছটফট করছে। তুমি আর কাল বিলম্ব না করে আমার কাছে চলে এসো। তোমার প্রেমের পরশে আমাকে সিক্ত করে। এভাবে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে সে নাহিদার মনে তোলপাড় সৃ���্টি করলো। চলনা পূর্ণ কথা শুনে নাহিদা হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলল । ভালো-মন্দ বাছবিচার করার মত বোধশক্তিটুকু হারিয়ে ফেলল।
সিমা মনের কাছে যেতে পাগলপারা হয়ে গেল। তাই সে তার ভালবাসার পথের কাঁটা পেটের নিস্পাপ বাচ্চাটাকে আগে নষ্ট করে দিতে চাইল। তাই সে ছলচাতুরি করে মায়ের কাছে শারাফাতের বাড়ির নানা রকম উল্টাপাল্টা দোষ বর্ণনা করলো। মেয়ের এহেন করুন কষ্টের কথা শুনে না মনে মনে খুব আঘাত পেলেন। তবে নিস্পাপ বাচ্চাটাকে নষ্ট করা ঠিক হবে না। এটা মারাত্মক পাপ এর কাজ একথা বলে মেয়েকে অনেক বোঝালেন। কিন্তু নাহিদা মায়ের নসিহতকে উপেক্ষা করে পৃথিবীর আলো-বাতাস উপভোগ করার পূর্বেই গর্ভস্থ সন্তানকে নষ্ট করে ফেলল। তারপর মামুনকে নিয়ে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখতে লাগলো। তার ভাবনা জুড়ে কেবলই মামুন। শরাফতের বাবা নাহিদাকে আনতে গেলে নাহিদা আবারও যাবে না বলে আগের মতোই জেদ ধরল। তারপরও তিনি বিচার আচার করে এবং অনেক বুঝিয়ে বহুকষ্টে নাহিদাকে তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে এলেন। কয়েকদিন পরের কথা। শারাফাত এর ফ্যামিলির সবাই নাহিদাকে নিয়ে শারাফাতের নানার বাড়িতে বেড়াতে গেলেন।
ইদানিং নাহিদার চালচলন ও কথাবার্তা কেমন যেন অস্বাভাবিক মনে হয়। এনিয়ে শারাফাতের মা চিন্তায় পড়ে যান। তিনি সুরাহার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। সে বাড়িতে গিয়েও নাহিদার স্থিরতা নেই। সুযোগ পেলেই মামুনকে ফোন দেয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে কথা বলে। এ বিষয়টি শারাফাতের মামাতো বোন কুলসুমের দৃষ্টিতে এড়ায় না। সে নাহিদাকে হাতেনাতে ধরার জন্য ওত পেতে থাকে। সেদিন বিকালে যখন নাহিদা সুযোগ বুঝে শুনে মামুনের সাথে আলাপরত, তখন কুলসুম গোপনে তাদের কথা শুনে এবং রেকর্ড করে নেই। এরপর পেছন থেকে নাহিদার হাত থেকে মোবাইল ফোনটা কেড়ে নিয়ে মামুনের সাথে কথা বলে এবং তাকে করা ভাষায় শাসায়। এর পর নাহিদাকে খুব ভর্ৎসনা করে। তারপর কুলসুম এ বিষয়টি শারাফাত কে ফোন করে জানায়। কিন্তু শারাফাত ছিল নাহিদার প্রেমে পাগলপারা। তাই সে বলল আমার স্ত্রী না বুঝে ভুল পথে পা বাড়িয়েছে। আশা করি, সে বুঝে সংশোধন হয়ে যাবে। আমি তাকে নিয়েই সংসার করবো। কিন্তু নাহিদা একে সুযোগ বানিয়ে ঝগড়া করে বাপের বাড়িতে চলে এল। তারপর সরকারকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লাগলো। এক পর্যায়ে সে ডিভোর্স পেপার সই করে তা শারাফাতের বাড়িতে পাঠিয়ে দিল। যেহেতু তার মামুনের সাথে পালিয়ে যাওয়ার পরিবার পরিকল্পনা ছিল। এ কারণে আগেই সে টাকা পয়সা ও গহনাদি হাতিয়ে রাখে। তারপর সুযোগ বুঝে ঘর থেকে বের হয়ে যায় এবং মামুনের সাথে সুখের ঘর বাধা আশায় রাস্তায় পা বাড়ায়। স্বামীকে ভাবে ডিভোর্স দিলে স্বামী যদি তালাক দেওয়ার অধিকার না দেয়, তাহলে স্ত্রী তালাক পতিত হয় না। এ অবস্থায় অন্যত্র বিবাহ করলে সহীহ হয় না। বরং পূর্বের স্বামীর সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল থাকে। তাই এ সময় পর পুরুষের সাথে যা কিছু করে তা অবৈধ হয়, বরং ব্যাভিচার বলে বিবেচিত হয়। আবার কোর্টের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ করলেও সে ক্ষেত্রে ডিভোর্সের পর তিন হায়েজ পরিমাণ ইদ্দত পালন করতে হয়। এ সময় কথা বিবাহ সাহিত্য দান করলে তা সহিহ হয় না। বরং বিবাহহীনই থেকে যাই। যার ফলে সেই বাতিল বিবাহের পর সেই পুরুষের সাথে তার সবকিছু হারাম যেনা সাব্যস্ত হয়। কিন্তু মেয়েরা মাসালা না জেনে কিংবা বুঝেও শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে পাপের পথে চলে তাদের পরকালকে নষ্ট করে।


অভিনন্দন! আপনার পোস্টটি সেরিবাংলাদেশের কমিউনিটি আইডি থেকে কিউরেশন করা হয়েছে। আপনি সেরি বাংলাদেশ ডিসকর্ড সার্ভারে get_upvote_serey চ্যানেলে আপনার পোস্ট লিঙ্ক জমা দিয়ে প্রতি 24 ঘন্টার মধ্যে একবার আমাদের কমিউনিটি থেকে ভোটের অনুরোধ করতে পারবেন, ধন্যবাদ।
Join sereyBangladesh Discord server:- Join Discord (https://discord.gg/YKPqUku8)
Join sereyBangladesh Telegram :- Join Telegram (https://t.me/SereyBangladesh)