আজকের গল্পটি আপনার সম্পূর্ণ জীবনকে পরিবর্তন করতে পারে। তাই আজকের গল্পটি শেষ পর্যন্ত অবশ্যই পড়বেন।
একবার একটি বেলুন বিক্রেতা সমুদ্রের ধারের বেলুন বিক্রি করতো। যখনই ওই বেলুন বিক্রেতার বেলুন অনেক কম বিক্রি হতো তখন সে দু'চারটে বেলুনের মধ্যে হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে আকাশে ছেড়ে দিত আর যখন সেই বেলুনকে আকাশে উড়তে দেখতো আশেপাশে সমস্ত ছোট্ট বাচ্চারা ওই বেলুনটাকে দেখে তাদের মনেও ওই বেলুন কেনার ইচ্ছা জেগে উঠত আর তারা তাদের বাবা-মা খেজুর করত ওই বেলুন কিনে দেবার জন্য আর তারপরে ওই বেলুন বিক্রেতার বেলুন বিক্রি অনেক বেশি বেড়ে যেতো।
একদিন এভাবেই ওই বেলুন বিক্রেতা বেলুন বিক্রি করছিল। তখন অনেকগুলো বাচ্চা বেলুন নেবার জন্য ওই লোকটির কাছে আসে আর ওই বাচ্চা গুলোর মধ্যে থেকে একটি ছোট্ট বাচ্চা ওই বেলুন বিক্রেতা কে জিজ্ঞেস করে যে এই যে কালো রঙয়ের বেলুনটা আছে এটা কি আকাশে উঠতে পারবে। তখন ঐ বেলুন বিক্রেতা বলে হ্যাঁ অবশ্যই উড়বে এরপর বাচ্চাটি আবার বলে তাহলে কাকু এই যে লাল রঙের বেলুন টা আছে এটাও কি আকাশে উড়তে পারবে, তখন ঐ বেলুন বিক্রেতা আবার বলে যে হ্যাঁ এটা উঠতে পারবে এরপরে বাচ্চাটি আবার জিজ্ঞেস করে যে কাকু এই যে সাদা রঙের বেলুনটা আছে এটাও কি আকাশে উঠতে পারবে, তখন ঐ বেলুন বিক্রেতা আবার বলে যে হ্যাঁ এই বেলুনটা আকাশে উঠতে পারবে। আসলে বেলুনগুলো এদের রঙের কারণে আকাশে ওড়ে না বরং এই বেলুন গুলোর মধ্যে থাকা হিলিয়াম গ্যাসের কারণে বেলুনটা আকাশে ওড়ে ।
বন্ধুরা এই ছোট্ট বাচ্চাদের গল্প থেকে আমরা এটাই শিখতে পারি যে মানুষ কখনোই তার বাহ্যিক সৌন্দর্যের কারণে বেশি আগে যেতে পারে না বরং প্রত্যেকটা মানুষ তাদের ভিতরের কোয়ালিটির কারণে এগিয়ে যাই।
আমাদের মধ্যে অনেক লোক এমন আছে যারা কোনো না কোনো কিছু নিয়ে সবসময় ডিপ্রেশন এর মধ্যে থাকে কেউ অতিরিক্ত মোটা হওয়ার কারণে ডিপ্রেশনে আছে কেউ তার শরীরের রং এর কারণে ডিপ্রেশনে আছে যে আমি বেশি ফর্সা নই আমি অনেক কালো কেউ তার মাথার চুল নিয়ে অনেক বেশি ডিপ্রেশনে আছে কেউ তারা হাইট নিয়ে অনেক বেশি ডিপ্রেশনে আছি কেউ তার কোন অঙ্গ পতঙ্গ খারাপ হওয়ার কারণে ডিপ্রেশনে আছে আর এইসব কারনেই এরা ভাবে যে আমি হয়তো জীবনে কোন কিছুই করতে পারব না। তাহলে বলি বেলুন গুলোর মতই যখন কোন মানুষ উপরে যায় তখন সে তার বাহ্যিক সৌন্দর্যের কারণে উপরে যায় না বরং তার ভেতরে থাকা কোয়ালিটির কারণে উপরে যায়।

