বন্ধুরা আজকাল আমরা খবরের কাগজ খুললেই দেখতে পাই রাস্তায় অনেক মানুষ এক্সিডেন্ট করে প্রাণ হারাচ্ছে। শুধু কি অ্যাক্সিডেন্ট? না শুধু এক্সিডেন্ট করে না, অনেকে ই জাহাজ পথে যাওয়ার সময় অনাকাঙ্খিত হবে মৃত্যুর কবলে পরছে অনেকে আবার হঠাৎ করে না ফেরার দেশে চলে যাচ্ছে আর এরকম ঘটনা আজকাল প্রায় দেখা যায়।

আর এরকম ঘটনা অনেকের সাথে ঘটলেও আমরা সেইভাবে অনুভব করতে পারি না যত সময় না, আমাদের সাথে এরকম ঘটনা ঘটে। আর এইরকম ঘটনা যাদের সাথে ঘটে তারাই বুঝে এর বেদনা কতটা যন্ত্রণাদায়ক।
মানুষ মৃত্যুবরণ করবে এটাই স্বাভাবিক কিন্তু কিছু কিছু মৃত্যু আমাদেরকে অনেক কিছু শিক্ষা দিয়ে যায়। আর এই মৃত্যুগুলো দেখে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভয় জাগ্রত করা প্রতিটি মানুষের উচিত।
pexels-photo.jpgpexels
গতকালকে ঠিক চারটার সময় আমি বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আর এমন সময় বাবা একটু দ্রুত বাসায় আসতেছিল আর আমি বাইরে ছিলাম। আর বাবার চোখে পানি টলমল করতে ছিল যেটা দেখে আমার মধ্যে ভয় ঢুকে যায়। আর কার সাথে যেন ফোনে কথা বলছিল। পরে ফোনটা আমাকে দিয়ে বলল একটা নাম্বার দিচ্ছে সেটা উঠাও। পরে আমি ফোনটা কানে নিয়ে অপর পাশ থেকে একটা ব্যক্তি নাম্বার দিয়ে বলল রংপুরে যেয়ে এই নাম্বারে যোগাযোগ করবেন আর সীমা আপাকে এখনো বলেনি।
আর হ্যাঁ আমার বোনের নাম সীমা, আমি ভেবেছিলাম হয়তো বোনের কিছু হয়েছে। তাই সাথে সাথে বাবার পেছনে পেছনে বাড়ির ভেতরে ঢুকে দেখি বাবা কেঁদে কেঁদে বলছে এই মুহূর্তে রংপুর যেতে হবে, জামাই একসিডেন্ট করেছে।
pexels-photo-1230677.jpegpexels
আর কথাটা শুনে মাথার উপর আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। আর কিভাবে এক্সিডেন্ট করেছে সেটা জানা যায়নি। তার একটু পরেই আর একজন ফোন করে বলল অফিস থেকে ব্যাংকে টাকা জমা দিতে যাওয়ার সময় এক্সিডেন্ট করেছে। আমার দুলাভাই চাকরি করে নীলফামারীতে আর এক্সিডেন্ট করার পর সেখানে একটা হসপিটালে নিয়ে গিয়েছিল কিন্তু তারা নেয়নি সাথে সাথে তারা রংপুরে পাঠিয়ে দিয়েছে।
তারপরেই ভাইয়া আর আব্বু বেরিয়ে পড়ে রংপুর যাওয়ার উদ্দেশ্যে। আর ভাইয়েরা যাওয়ার একটু আগে রোগীকে নিয়ে আসে হসপিটালে ভর্তি করায়। আর দুলাভাইয়ের কোন জ্ঞান ছিল না আর শরীরে অনেক জায়গায় ফেটে গেছে মাথায়ও ভীষণ আঘাত পেয়েছে।
ভর্তি করানোর পরে সবকিছু পরীক্ষা করে আর তখন বাজে রাত ৯টা আর পরীক্ষা করার পর রিপোর্ট আসে যে একটা পা একদম ভেঙে গেছে। আর মুখে এবং ঘাড়ের ওখান দিয়ে ফেটে গেছে সেগুলো সেলাই করে। আর রাতে স্যালাইন লাগিয়ে রাখে আর রাত তিনটার পর একটু জ্ঞান আসে কিন্তু কথা সঠিকভাবে বলতে পারছিল না। মানে উলটপালট ভাবে কথা বলতেছিল।
pexels-photo-13387409.jpegpexels
আর এখন পর্যন্ত এভাবেই রয়েছে ডাক্তার বলেছে মাথা ঠিক হতে সময় লাগবে কারণ মাথায় ভীষণ আঘাত পেয়েছে। আর হ্যাঁ এক্সিডেন্টটা বাইক দিয়ে করেছে ভাই প্রতিদিনই ব্যাংকে যায় টাকা জমা দিতে আর সাথে আর একজন যায়। গতকালকে একজন সাথে ছিল কিন্তু তার বেশি ক্ষতি হয়নি আর একটা মাইক্রোর সাথে সামনাসামনি সংঘর্ষ হয়। আর এখন পর্যন্ত এই অবস্থায় রয়েছে জানিনা সৃষ্টিকর্তা কপালে কি রেখেছে।
সবার কাছে আমার দুলাভাইয়ের জন্য দোয়া চাচ্ছি আপনারা সকলে আমার দুলাভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন সৃষ্টিকর্তা তাকে যেন সুস্থ করে দেয়।

