ইমান আনার পর নামাজ আদায় প্রত্যেক মুসলমানের ওপর ফরজ। আর এ নামালের মাধ্যমে ব্যক্তি প্রভূত কল্যাণ লাভ করে। তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, ব্যক্তি অন্যায় ও অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকতে পারে। উদ্দীপকে শিক্ষক বললেন, নামাজ মানুষকে অন্যায় ও অশ্লীল কাজ থেকে বিব্রত রাখে। তার এই মতের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। কেননা, সমাজ থেকে অম্লীলতা দূর করার জন্য নামাজের বিকল্প নেই। মহান আল্লাহ বলেন অর্থাৎ, আল্লাহ তাআলা নবিগণের নিকট থেকে অঙ্গীকার নিলেন যে, তোমাদেরকে আমি কিতাব ও হিকমত দিয়েছি এবং যখন কোনো রসুল তার সত্যায়নতকারীরূপে আসবে, তখন তোমরা তাদের ওপর ইমান আনবে এবং তাকে সাহায্য করবে পরিশেষে বলা যায়, পূর্ববর্তী সকল নবি ও রসুল মুহাম্মদ (স)-কে শেষ নবি হিসাবে মেনে নিয়ে তাঁর ওপর ইমান গ্রহণ করেছেন এবং স্বীয় উম্মতদেরকে ঈমান আনতে বলেছেন। তাই আমি শাহিনের মতের সাথে ঐকমত্য পোষণমাসুমের পিতা দ্বীয় পুত্রের ভুল ধারণা ভাঙিয়ে বলেন, সকল নধি রসুলের ওপর ইমান আনয়ন করতে হবে। কেবল হজরত মুহাম্মদ সঠিক যথার্থই এবং প্রমাণিত। (স)-এর ওপর ইমান আনলে চলবে না, তিনি তার পক্ষে এই আয়াত | তেলাওয়াত করেন Hopterusagpic by candi
ENGS, অত্র আয়াতের প্রতি লক্ষ করলে দেখা যায়, আয়াতটিতে পূর্ববর্তী নবিদের। ওপর যা কিছু নাজিল হয়েছে, তার ওপর বিশ্বাস করার কথা বলা হয়েছে। সুতরাং আয়াতটি মাসুমের পিতার মতকে পুরোপুরি সমর্থন করে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা আরো বলেন
পরিশেষে বলা যায়, পূর্ববর্তী নবি-রসুলদের ওপর ঈমান আনা প্রত্যক মুসলমানের জন্য । তাই দের শেষ নবি মুহাম্মদ (স) সহ সকল নবি-রসুলের ওপর ইমান আনা আবশ্যক।
মাসুদ ও শ্যারনের মাঝে একদিন নবি করিম (স) সম্পর্কে বিতর্ক চলছিল। প্রসঙ্গক্রমে মাসুদ বলল, তাওরাত ও ইনজিল গ্রন্থে শেষ নবি হজরত মুহাম্মদ (স) সম্পর্কে জানতে পেরেও তোমরা তাঁকে শেষ নবি হিসেবে মানতে চাও না। শ্যারন বলল, যেহেতু কিয়ামত পর্যন্ত দুনিয়াতে মানুষের আগমন ঘটবে সেহেতু তিনিই শেষ নবি- এটা আমরা নিশ্চিত করে আমাদের ধর্মগ্রন্থে পাইনি। এতে মাসুদ শ্যারনকে বলল, আমি তোমার সাথে একমত নই। কেননা, হজরত মুহাম্মদ (স) সর্বশেষ নবি, একথা তোমরা ঠিক সেভাবে জানো এবং তাকেও সেভাবে চেনো যেমন তোমরা নিজেদের সন্তানদের চেনো। শ্যারন বলল, আমাকে বিষয়টা নিয়ে একটু ভাবতে দাও দারসুন কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ
আহলে কিতাবদের মধ্যে ইহুদি-নাসারা যদিও মহানবি (স)-তে অস্বীকার করেছে, কিন্তু তারা মহানবি (স)-কে চিনতে ও জানতে পেরেছে ঠিকভাবেই। বহু পূর্ব থেকেই তাদের ধর্মগ্রন্থে শেষ নবির নাম বংশ-গোত্র, আকার-আকৃতি ও নানাবিধ গুণাবলি বর্ণনা থাকায় তাকে তারা সুস্পষ্টভাবে চিনতে পেরেছে। তথাপি তাদের অনেকে তা গোপন রাখার হীন চেষ্টা চালায়।
শেষ নবি সম্পর্কে মাসুদের বক্তব্য সঠিক ও যথার্থ ছিল। মাসুদের ধারণা হলো, তাওরাত ও ইনজিলে শেষ নবি হজরত মুহাম্মদ Page (স) সম্পর্কে জানতে পেরেও আহলে কিতাবগণ তাঁকে শেষ নবি হিসেবে মানতে চায় না। তাদের প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে ইরশা দ হয়েছে

