কর্মজীবন......তাই নিয়ে কিছু কথা..........

প্রিয় সুধী,


 শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসা সকল লেখকদের প্রতি। যারা প্রতিদিন কোন না কোনভাবে, কিছু  না কিছু লেখা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম গুলোতে শেয়ার করে থাকেন। 

আজকে আমি কর্মজীবন নিয়ে সংক্ষিপ্ত লেখার চেষ্টা করছিঃ- 

আশা করি, আপনাদের ভালো লাগবে। লেখা কখনো ছোট হয়, কখনো অনেক বড় হয়, গল্প কখনো ছোট হয় আবার গল্পও বড় করে লেখা যায়। মানুষের জীবনে কর্ম জীবনটা ঠিক তেমনি। কেউ বড় কোন পোস্টে চাকরি করে, কেউ ছোট পোস্টে চাকরি করে, ব্যবধান এখানেই। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বলতে গেলে, এখানেও ব্যবধান আছে। ব্যবধান নাই শুধুমাত্র একটি মাত্র শব্দে, সেটি হচ্ছে ”মানুষ”।

প্রতিটি মানুষ জীবনের কোন না কোন কর্মের সাথে জড়িত থাকেন। কারণ জীবন মানে বাঁচা মরা-লড়াই। আপনি বাঁচতে হলে কোন কর্ম করে চলতে হবে।

উৎস


কর্মজীবন বলতে আপনারা কি বোঝেন?

শুধু কি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা নাকি নিজের জীবনে গুছিয়ে কোন একটি কাজ মনোযোগ দেওয়া। আমরা অনেকেই কর্মজীবন বলতে অন্যের অধীনে চাকরি করা কে মনে করে থাকে। কিন্তু আমার মতে, এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। আপনি অন্যের অধীনে চাকরি করা ছেড়ে দিয়ে নিজে বাঁচার জন্য যা করছেন তাকে কর্মজীবন শুরু  হিসেবে বলতে পারেন। জীবনের তাগিদে কোন একটি কাজ তো করছেন।

অন্যের অধীনে চাকরি করা নিয়ে কিছু কথাঃ-

মনে করেন, আমি নিজেই অন্যের অধীনে চাকরি করি। অন্যের অধীনে চাকরি করতে হলে অনেক নিয়ম-কানুন, আইন, আদেশ-উপদেশ সবকিছু মেনে চলতে হয়। এই গুলো যদি মেনে চলতে পারেন তাহলে চাকরি থেকে আপনাকে বরখাস্ত করা হবে না। আর যদি না মেনে চলতে পারেন তাহলেই চাকরি থেকে আপনাকে বরখাস্ত করা হবে। তখন নিজের মধ্যে আর কোন চাকরি না করার অনীহা প্রকাশ করে। অন্যের অধীনে চাকরি করতে হলে আপনাকে সময় মতো কর্মস্থলে হাজির হতে হবে, সঠিক সময়ে সঠিক কাজগুলো করতে হবে, আপনি যদি কোন কাজে ভুল করেন, তার জন্য আপনার চাকরীও চলে যেতে পারে। আপনাকে খুব ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে হবে এবং কোন প্রকার ভূল করা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে।  নির্দিষ্ট সময় পর আপনি আবার বাসায় চলে আসবেন। যেখানে আপনি রাতে নিদ্রায় শাহিত থাকেন। 

ভাই বলতে গেলে, অন্যের অধীনে চাকরি করাটা খুবই কঠিন, খুবই কঠিন। অল্প বেতনে চাকরী অথবা বেশি বেতনে চাকরি যাই বলুন না কেন খুবই কঠিন খুবই কঠিন

উৎস

নিজের অধীনে চাকরি করা নিয়ে কিছু কথাঃ-

নিজের অধীনে চাকরি করা মানেই স্বাধীনতা। নিজের ইচ্ছে মত আপনি কাজ করতে পারবেন। কেউ আপনাকে বাধা দিবে না। আপনার যখন ইচ্ছা তখন কাজ করবেন, না হয় কাজ করবেন না। নিজের মধ্য থেকে কাজের আগ্রহ বৃদ্ধি পাই কারণ কেউ আপনাকে বলার সাহস থাকে না ”আপনি কাজটি করুন” এ শব্দটি। নিজের বা পরিবারের জীবন চালানোর জন্য যা করছেন হয় তো বা ব্যবসা হতে পারে, ঘরে বসে অন্য যেকোন অর্থ উপার্জনের রাস্তা হতে পারে অথবা অনেক কিছু। আমি মৃনে করি, নিজের কর্ম নিজের করাই অনেক ভালো। অন্যের অধীন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

উৎস

সংক্ষিপ্ত আকারে লেখার চেষ্টা করেছি। যদি ভুল হয়ে থাকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং কমেন্ট করে সংশোধনী শব্দটি লিখে দিবেন। এতে করে আমার আপনার সম্পর্কটা আর একটু মজবুত হবে।

ধন্যবাদ

Comments

r3benok