বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক
১৯৭২ সালের ৪এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় এবং বঙ্গবন্ধু সরকারের সমাজতান্ত্রিক নেতিবা সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে প্রথম থেকে বাংলাদেশের ব্যাপারে মার্কিন সরকারের অসন্তুষ্টি ছিল। ওগো বধূ সরকারের পতনের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক শীতল হয়ে পড়ে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কে দ্রুত উন্নতি হতে থাকে। ২০০০ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন একদিন সফরে ঢাকা আসেন এবং এটি ছিল কোন মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম বাংলাদেশ সফর।
যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যবাদ:
মার্কিন প্রশাসনের চাপের কাছে নত শিকার করে ২৫ নভেম্বর বহুল সমালোচিত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি সংক্ষেপে টিকফা তে স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ কে চলাঞ্জলি দিয়ে রচিত টিকফা চুক্তি পুরোটাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি সম্প্রদায়:
•বাংলাদেশের স্থপতি ফজলুল রহমান খান যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে অবস্থিত পৃথিবীর অন্যতম উচ্চতম ভবন সিয়ার্স টাওয়ার এর নকশা করেন এবং বাংলাদেশের স্থপতিদের মধ্যে তিনি সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন।
•যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অস্ট্রেলিয়ান ও লুশিয়ানা রাজ্য ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করতে নিরাপত্তা বেষ্টনে তৈরি করতে দুটি মেগা প্রকল্প গ্রহণ করে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোর। যুক্তরাষ্ট্রের সিভিল ওয়ার্কের ইতিহাসে একটি সর্ববৃহৎ প্রকল্পের সমন্বয়কারী বা প্রধান প্রকৌশলী মনোনীত হন বাংলাদেশ প্রশ্ন বিশ্ববিদ্যালয় এর বাংলাদেশি যুবক আনোয়ার জাহিদ।
•বাংলাদেশী বংশগত যুক্তরাষ্ট্রের পৃন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানী ডক্টর এম জাহিদ হাসান অধরা কণার অস্তিত্ব আবিষ্কারের নেতৃত্ব দেন।
•যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলাস শহরের বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকা "লিটন বাংলাদেশ" নামে পরিচিত।

