সংক্রামক রোগ
সংক্রামক রোগ বলতে সেসব রোগ বোঝায় যেসব রোগ একজন থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে বায়ু পানি প্রবৃত্তির মাধ্যম দ্বারা এই ছড়িয়ে পড়া শুধু মানুষ থেকে মানুষই নয় মানুষের থেকে পশুপাখিতে পশু পাখি থেকে পশুপাখিতে আবার পশু পাখি থেকে মানুষের ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাকে সংক্রামক রোগ বলে।
যেমন কলেরা বসন্ত টাইফয়েড অথবা যে সকল রোগ জীবাণু বায়ু পানি খাবার অথবা অন্য কোন মাধ্যমের সাহায্যে শরীরে প্রবেশ করে তাকে সংক্রামক গ্রুপ বলে।
সংক্রমণ
সংক্রমণ বলতে আমরা বুঝি কোন পোষক জীবের দেহকোষের রোগ সৃষ্টিকারী সংগঠনের অনুপ্রবেশ অর্থাৎ সংক্রমণ বলতে এমন কোন কিছুকে বুঝি যেটাতে আমরা সহজে বুঝতে পারি যেমন কোন জীবাণু যখন আমাদের শরীরে প্রবেশ করে তখন কিন্তু আমরা সহজে বুঝতে পারি না যখন এই জীবনটি সম্পূর্ণ রূপের সংক্রমিত বা আমাদের শরীরকে বা শরীরের সাথে যুদ্ধ করে শরীরকে বা শরীরের যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এটিকে দুর্বল করে রোগের সৃষ্টি করে ফেলে তখন সেটাকে আমরা রোগ বলে থাকি এবং এই রোগ সৃষ্টি হওয়ার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাথে যুদ্ধ করতে থাকে।
সংক্রমনের ফলে সৃষ্ট রোগ কে সংক্রামক রোগ বা সুয়াসে রোগ বলে। শংকর মনে বিভিন্ন ধরনের সংক্রামক সংগঠক বা এজেন্ট থাকে এগুলো বৈজ্ঞানিক ভাষাতে লেখা অনেকটা বলা যায় যেহেতু বিজ্ঞানেরই একটা অংশ হচ্ছে চিকিৎসা বিজ্ঞান আর তাই চিকিৎসা বিজ্ঞানে সাধারণত রোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়ে থাকে। যা হোক এজেন্ট বা সংগঠক বলতে আমরা এরকম কোন কিছু বুঝি যেমন কোন কোম্পানি যখন এক একটি গ্রাম্য এলাকায় প্রবেশ ঘটে তখন কিন্তু কোম্পানির নিচে এখানে আসে না কোন বাহককে দেখতে পাওয়া যায় এবং এই বাহু করছে সংগঠক বা এজেন্ট।
আসলে আমরা দেখে দেখি অল্প বয়সে মানুষের অকাল মৃত্যু হয়ে থাকে এবং এগুলোর পিছনে দায়ী হচ্ছে আমাদের না জানা এবং যার জন্য আমরা অসচেতনা তার মধ্যে থাকি। তাই আমাদের কোন সমস্যা থেকে বের হয়ে আসতে হলে সেই সমস্যার সৃষ্টি থেকে শুরু করে সুফল কুফল সবকিছু আমাদেরকে জানতে হবে।

