ইকো কার্ডিওগ্রাফি:-
হৃদপিন্ডের কার্যক্ষমতা এবং রোগ সনাক্তকরণের জন্য এক বিশেষ ধরনের পরীক্ষার নাম হল ইকোকার্ডিওগ্রাফি। বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ তাই চিকিৎসা ক্ষেত্রেও চলে এসেছে বিজ্ঞানের ব্যবহার এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে আরো বেশি উন্নত করেছে এই বিজ্ঞান। যার ফলে দেখা যায় আমাদের দুরারোগ্য ব্যাধি গুলো খুব সহজে ধরা পড়ে এই বৈজ্ঞানিক বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে।
পেসমেকার যন্ত্র:
পেসমেকার হল হৃদপিন্ডের সংকোচন প্রসারণ চালু রাখার একপ্রকার যন্ত্র।
উদাহরণ সব বলতে পারি আমরা যে পেসমেকার আসলে কতটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ দেখা যায় বর্তমান অধিকাংশ মানুষের উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যা এবং হৃদরোগের আক্রান্ত মানুষের পরিমাণ অনেকাংশে বেড়ে গিয়েছে। আর এই ফেসবুক এমন একজন রোগীর জন্য প্রযোজ্য যে ব্যক্তির হঠাৎ করে হৃদ কম্পন বন্ধ হয়ে যায় এবং আমরা জানি হৃদ কম্পন যদি কিছু সময় পর্যন্ত বন্ধ থাকে তাহলে একটি মানুষ মারা যেতে পারে মুহূর্তের মধ্যে। এবং এই মৃত্যুটা কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই হয়ে যেতে পারে বা যে থাকে সাধারণত।
এটি এমন একটি যন্ত্র যা হৃদযন্ত্রকে সচল রাখতে সাহায্য করে কারণ আমাদের শরীর একটা মেশিনের মত মেশিনে যেমন প্রয়োজনীয় তেল ও মবিল বা দেখবার না করলে মেশিন নষ্ট হয়ে যায় আমাদের মানুষের শরীরও ঠিক এরকমই। এবং মেশিনের বিভিন্ন পার্টস এর মত এর হৃদযন্ত্র হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বা মূল অংশ আমাদের মানুষের শরীরের। তাই পরীক্ষা নিরীক্ষার পর যখনই এই হার্ডের হৃদ কম্পন অংক বা রিলিস্পরণ অক্ষমতা বুঝতে পারে ডক্টর তখনই এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে এই রোগীর জন্য প্রশ্নকার যন্ত্রের প্রয়োজন।
থার্মোমিটার:
দেহের তাপমাত্রা নির্ণয় থার্মোমিটার ব্যবহৃত হয় এবং এই থার্মোমিটার যন্ত্রটির মূল্য ৭ধের মধ্যে তাই দেখা যায় গ্রাম হোক আর সহর হোক প্রতিটা ঘরেই এই থার্মোমিটার পাওয়া যাবে যদি খোঁজা হয়।
আলট্রাসনোগ্রাফি:
আসার সোনোগ্রাফি হলে এমন একটি প্রক্রিয়া যা উচ্চকম্পনাঙ্কের শব্দের প্রতিপালনের উপর নির্ভরশীল এবং আলট্রাস সাউন্ড ব্যবহার করে না করার পদ্ধতিকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি বলে। অর্থাৎ উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ শরীরে প্রবেশ করে নির্দিষ্ট অংক পিসি থেকে প্রতিফলিত হয়ে প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ওই অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবেদনের পর্দায় গঠিত হয় এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা ক্যালট্রাসনোগ্রাফি বলে।
আর বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা রয়েছে যা বলে শেষ করা সম্ভব নয়। তবে মানুষের শরীর যদি কোন রকম সমস্যা অনুভূত হয় তাহলে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে এবং এই পরীক্ষা-নিরীক্ষা গুলো ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী করতে হবে তাহলে ই সঠিক রোগ ধরা পড়বে এবং সঠিক চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হবে যেটা খুব সহজে বা স্বল্প সময়ের মধ্যে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীকে সুস্থতা দেখে নিয়ে যেতে পারে।
এবং সবথেকে বেশি দরকার আমাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

