রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Thakur)

P
partho

আসসালামুআলাইকুম আশা করি সবাই ভাল আছেন আপনাদের দোয়ায় আমিও মোটামুটি ভালোই আছি আজকে আমি আপনাদেরকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনী সম্পর্কে কিছু বলতে চাচ্ছি। বাংলাদেশ কিংবা বাঙালির কাছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অতি জনপ্রিয় একটি নাম। বাংলা সাহিত্য ও ভাষা সংস্কৃতিতে তার অবদান অপরিসীম। তিনি ভারতীয় হয়েও পুরো বাঙালি ও বিশ্বের কাছে অমর হয়ে থাকবেন সারা জীবন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তিনি কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে ৭মে ১৮৬১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মাতার নাম ছিলেন সারদা দেবী। তিনি তার পিতামাতার অষ্টম পুত্র ছিলেন।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তিনি ছোটবেলা থেকেই শান্তশিষ্ট স্বভাবের ছিলেন। তিনি ছোটবেলা থেকেই অনেক স্কুল পরিবর্তন করেছেন এর কারণ তার কোন স্কুলেই মন টিকেনি। তিনি এতগুলো স্কুল পরিবর্তন করেও তার স্কুলের জীবন শেষ করতে পারেননি। তিনি তার পারিবারিক জীবনে অনেক হাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তার চিন্তাভাবনা ছিল সে বড় হয়ে ব্যারিস্টারি পড়াশোনা করে ব্যারিস্টার  হবেন ।তারপর তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে লন্ডনে চলে যাবেন এবং সেখানে গিয়ে পড়াশোনা করবেন তারপর তিনি লন্ডনে গিয়ে স্কুলে ভর্তি হন এবং স্কুলজীবন শেষ করে লন্ডনের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হন। তার পড়াশুনা তেমন একটা মন ছিল না বলে সেজন্য তিনি সাহিত্য চর্চায় সময় দিতেন বেশি। দেড় বছর পর 19 বছর বয়সে সে তার বাবার আদেশ সে তার পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখে সে তার দেশে ফিরে আসেন।

 

তারপর তিনি দেশে ফিরে এসে কবিতা উপন্যাস ছোটগল্প সাহিত্য এসব লেখা শুরু করেন। তার লেখা উল্লেখযোগ্য কাব্য হলো গীতাঞ্জলি, সোনার তরী, মানসী ইত্যাদি। তিনি শুধু কবিতা উপন্যাস ও ছোটগল্প ছাড়াও হাস্যকর নাটক লিখেছেন। এছাড়াও তিনি অনেক ভালো চিত্রাংকন করতে পারতেন, তিনি বিশ্বমানের চিত্রশিল্পী ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৮৩ সালে সংসার জীবনে আবদ্ধ হন। তার সংসার জীবন ভালোই চলছিল হঠাৎ তারা কলকাতায় আসেন এবং তারপর তার স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং অনেক দিন অসুস্থ থাকার কারণে তিনি মারা যান। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তিন মেয়ে এবং দুই ছেলে সন্তান ছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯ শতক এর শেষে তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। সে সময় তিনি অনেক গরিব দুঃখী মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করতেন। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের কারণে বিভিন্ন স্থানে বক্তব্য আলোচনা সমাবেশে যেতেন। এবং কি সে সময় তাঁর রচিত গান এখনকার সময়ে আমাদের দেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে বিবেচিত হয় । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তিনি তার জীবনে অনেক সফলতা অর্জন করেছেন। তিনি বাংলা ভাষাকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করেছেন। আজকে আমরা যে জাতীয় সংগীতটি গাই সেটিও তার নিজ হাতে লেখা। তিনি১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উপরোক্ত ছবিটি এই লিংক থেকে নেওয়া:https://www.google.com/search?q=%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5+%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B0&client=ms-android-xiaomi-rvo2&tbm=isch&prmd=ivnx&sxsrf=AOaemvKZyxdW65UwMbQEOUVKrd4QVRCsng:1630424597188&source=lnms&sa=X&ved=0ahUKEwjqzsr3zNvyAhXQOnAKHeBJArkQ_AUIFSgB&biw=501&bih=994&dpr=2.16#imgrc=7iTlE7w1dunA6M&imgdii=tW7iN2piBVc5bM

Comments