বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।
SEREY SITE সকল বন্ধুরা আপনারা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভাল আছি। দোয়া করি আল্লাহ যেন সবাইকে সুস্থ এবং নেক হায়াত দান করেন। আজকে আমি আপনাদের সাথে আমার এক ফুফাতো ভাইয়ের বিয়ের কিছু মুহূর্ত শেয়ার করব। বিয়েটা হয়েছিল কিছুদিন আগে তখন আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারিনি। আজকে সময় করেই বসে পড়লাম আপনাদের সাথে সেই মজার মজার মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য। বিয়ে মানেই আনন্দ,বিয়ে মানে ই দুটি পরিবারের মিল,একের প্রতি অন্যজনের ভালোবাসা, নতুন জীবন, দুটি মানুষকে একত্রিত করা।
আমরা মুসলিম পরিবারের সন্তান। এবং আমাদের বিয়ে গুলো মুসলিম রীতি-নীতি মেনে ই করা হয়। এটা আমার ফুফাতো ভাইয়ের বিয়ে। ফুফাতো ভাই আমাদের পাশের গ্রামে থাকে। উনি যেখানে বিয়ে করেন ওটা তার পাশের গ্রামে। বিয়ে টি হয়েছিল রবিবার। আমি একটু বিয়ের দিনের আপনাদেরকে একটু বিবরণ দিতে চাই। আমরা সকালবেলা উঠেই সবাই নাস্তা করেই ভাইয়াকে গোসল করানোর জন্য নিয়ে যাই। গোসলের সময় আমরা একে অন্যের সাথে অনেক মজা করি গায়ে পানি ঢালি এবং বিভিন্ন রকমের রং ছড়াছড়ি করি। তারপর ভাইয়াকে গোসল শেষ করে বাসায় নিয়ে যাই। বাসায় গিয়ে একজন হুজুর আসেন উনাকে রেডি করানোর জন্য। উনি রেডি হয়েই আমরা সবাই একত্র হয়ে নামাজ আদায় করি। তারপর সবাই কনের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দি।
ওইখানে পৌঁছেই আমরা গেটে দাঁড়িয়ে থাকি। তাদের কিছু সদস্য আসেন আমাদেরকে রিসিভ করার জন্য। সেখানে চলে অনেক মজার মজার কাহিনী। গেটের ভিতরে যেতে দিবে না যদি তাদেরকে আমরা টাকা না দেই। ওরা আমাদের কাছে ২০০০০ টাকা চাইল পরে দুই পক্ষের সমঝোতায় আসলো ১০০০০ টাকার ভিতর। তারপর আমরা চলে যাই স্টেজে। খাওয়া-দাওয়া শেষ করে অপেক্ষা করতে থাকি বিয়ের জন্য। এরপর কাজে আসেন হুজুর আসেন ওনারা বিয়ের বাকি কাজ সম্পন্ন করেন। এরপর শুরু হয়ে যায় আমাদের ফটোশুট এর কাজ। ভাইয়াকে নিয়ে আমরা চলে যাই বাড়ির ছাদের উপর সাথে ছিল আমাদের নতুন ভাবিও। তারপর আমরা ওখানে গিয়ে নিজেদের ইচ্ছে মতো ফটোশুট করি। আমার সাথে ছিল আমার আরো বিভিন্ন কাজিনরা। অনেক মজার মজার মুহূর্ত বলে আমরা ওখানে অতিবাহিত করি। ফটোগ্রাফি করতে করতেই উনাদের বাড়ির ছাদের উপরে বিভিন্ন ফল গাছ ছিল ফল পাড়ি। ফটোশুট করে আমরা বের হয়ে পড়ি বাড়িতে যাওয়ার জন্য। শুরু হয়ে যায় ভাবির কান্নাকাটি সাথে ওনার ফ্যামিলি মেম্বাররাও। আসলে ওই সময়টা ছিল অনেক কষ্টের ভাবীর জন্য কারণ একটা মেয়ে যেখানে সত্তর বছর ১৮ বছর একটা পরিবারের সাথে কাটালো আজকে তাদেরকে ছেড়ে চলে যাচ্ছে শ্বশুরবাড়ি। আজকের পর থেকেই নিজের বাড়ি পর হয়ে যাবে পরের বাড়ি আপন হয়ে যাবে ভাবীর জন্য যা আসলেই ছিল খুবই কষ্টের। এটাই প্রতিটি মেয়ের জন্যই একই নিয়ম। সব শেষ করে আমরা বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়ে পড়ি। এটাই ছিল আজকের মত আল্লাহ হাফেজ।

