বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আশা করি বন্ধুরা সবাই ভালো আছেন আমি আল্লাহর রহমতে ভালো আছে তো বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের সাথে আমি আজকে আপনাদের সাথে একটা আমার কাকুর লেখা একটা গল্প নিয়ে কথা বলবো।আসুন শুরু করি।
খাঁচায়,,,,,বন্দী,,,,,,, প্রেম,,,,
রচনাঃশেখ জাহিদ হাসান,,,
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
প্রেমঃ ও ভালো বাসা,এক সময় ছিলো আবেগ ও অভিমানে ভরা,কেই কাউকে
কাছে পাওয়া,এই ভালোবাসা করতে কেউ
হেরেছে কেউ পেয়েছে,কেঊ বা না পাওয়ার
বেদনায় নিজেকে তিলে তিলে শেষ করেছে,
মান অভিমান ছিলো চোখে পড়ার মতো
কারো স্থান হয়েছে,পাগলা গারদে,কারো কারো হয়েছে,রাজ প্রাসাদে,কেউ বা অভিমানে নেশা গ্রস্থ,কেউ বা,প্রেকিার শোগে,বিয়ে না করেই থেকেছে,কেউবা আাবার প্রেমিকার উপর অভিমান করে,আত্মহত্যা পথ বেছেননিতো,কেউ আবার রাগে শোকে বের হয়ে দেশান্তরি হতো,কেউ আবার প্রতিষ্ঠিত হয়ে কেউ আবার দাঁড়ি মোচ বড়ো করে রেখেছে,লোকে বলতো ছেলেটা হিট খেয়েছে নারা চারা কথা বলতো লোকে প্রেমিকাকে দেখাতো,এটা ছিলো নিরব
প্রতিবাদ,প্রেমটা হতো ধনি গরিভ ভেদাভেদ
নিয়েই,একেই ক্লাসের দুইজন,বা,পাড়া বা
গ্রামের মেয়ে,তখন কার ভালোবাসা সংকেত হতো হাতের ইসারা বা চোখ টিভ দিয়ে,চিঠি লিখতো ছন্দ দিয়ে,প্রেমটা গভির হলে হাত কেটে রক্ত দিয়ে চিঠি লেখা হতো,তখন কার আমলে এসিড পাতা দিয়ে
প্রেমিকার প্রথম এক অক্ষর হাতে সংকেত
লিখতো,বিশেষ করে আবেগটা সৃষ্টি হতো
সারা রাত চিঠি লিখতো চোখের পানি ভিজে যেতো চিটি গুলো,ঐ চিঠি বার বার পরতো,ঘুমে চোখ লাল হয়ে যেতো, বাংলা ছায়া ছবির প্রেম কাহিনি দেখে,বা
এক দেশে ছিলো এক রাজা তার ছিলো একটি মেয়ে,এগুলো প্রবনতা বেশি ছিলো,
তখন কার আমলে প্রেমিক প্রেমিকা যা করতো যা হতো সারাদিন,ওটাই জল্পনা বা কল্পা করতো,চিঠি বহন কারি বা তৃতীয় পক্ষ যাকে বলি, তার ছিলো বিশেষ কদর,
তখন প্রেমের বিষয়টা যদি জানাজানি হতো
মেয়ের ভাই বোন মা,করা নজর দিয়ে রাখতো,এমন ও হত করা পাহারার মাঝেও
কোন এক গভির রাতে দেখা করতো
তখন ভুতের ভয়টা ও ভুলে যেতো,মেয়েটা যদি ছেলের পক্ষে কথা বলতো,মেয়ের গার্ডজেন গুলো ভিন্ন কৌশলে ৭/৫ বুঝিয়ে অন্য জায়গা বা ফাকে কারো বাসাতে নিয়ে বিয়ে দিতো,আর বলতো ঘুস্টির মান সন্মান সব শেষ করলি যার সাথে বিয়ে দিবে সে ছেলের অবাস্তব গুন গান করে বিয়ে দিতো,
কৌশল গতো ভাবে মেয়েটাকে চোখের আরাল হতে দিতো না যদি বের হয়ে বিয়ে বসে,সে কারনে মেয়টার দুরত্ব ছিলো ঘর আর বারন্দা এটাকেই বলে খাঁচা বন্দী প্রেম।
গল্পটি লিখেছেন শেখ জায়েদ হাসান। তার জন্য রইল অসংখ্য ধন্যবাদ। খোদা হাফেজ।

