সেনাবাহিনীর বিবৃতি

সেনাবাহিনী সম্প্রতি নুরুল হক নুর ও অন্য যেকোনো অস্থিরতা সৃষ্টিকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে দেশের শান্তি রক্ষায় তাদের গুরুত্বপূর্ন ভূমিকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “যারা মব করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেব।”


এই বিবৃতি দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতা রোধে সেনাবাহিনীর দৃঢ় মনোভাব প্রকাশ করে। তবে প্রশ্ন থেকে যায় – সরকারের ভূমিকা কি? দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে যুক্ত করার কারণ কি? সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থান জরুরি হলেও, রাজনৈতিক প্রসঙ্গে এটি কখনোই সরকারের স্বাভাবিক দায়িত্বভার হস্তান্তর হওয়া উচিত নয়।


নুরের ওপর হামলার মতো ঘটনা ঘটলে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করতে হবে। সেনাবাহিনীর সতর্কতা সবার জন্য একটি বার্তা, তবে রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা ও জনগণের ভোটাধিকার রক্ষা করাটাও সরকার ও প্রশাসনের দায়িত্ব।


দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারকে অবিলম্বে সুষ্ঠু ব্যবস্থা নিতে হবে এবং বিরোধীদের সাথে সংলাপের পথ খুঁজতে হবে। অন্যথায়, সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থান সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর হলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা কমানো সম্ভব হবে না।


সেনাবাহিনীর বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, অশান্তি সৃষ্টির কোনো সুযোগ তারা দেবে না। তবে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ ও নির্বাচনের জন্য দরকার সরকারের সক্রিয় নেতৃত্ব, যাতে দেশের তরুণ নেতৃত্ব নিরাপদে কাজ করতে পারে।

Comments