নুরুল হক নুরের উপর সাম্প্রতিক হামলা আবারও প্রমাণ করল, দেশের গণতন্ত্র আজ কতটা নাজুক অবস্থায় রয়েছে। সামনে নির্বাচন, আর ঠিক এই সময়ে একটি উদীয়মান তরুণ নেতৃত্বের উপর বর্বর হামলা কোনোভাবেই নিছক দুর্ঘটনা হতে পারে না। এটি একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।
নুর বরাবরই ছাত্রদের, তরুণদের এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থে কথা বলেছেন। তার জনপ্রিয়তা দেখে শাসকগোষ্ঠী বরাবরই অস্বস্তিতে ছিল। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, এই ভয় আরও গভীর হচ্ছে – এবং এই ভয় থেকেই জন্ম নিচ্ছে সহিংসতা।
এই হামলার মাধ্যমে একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে – "সরকারবিরোধী যে কোনো কণ্ঠ দমন করা হবে।" অথচ, গণতন্ত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধিকার। যদি আমরা এই ঘটনাকে গুরুত্ব না দিই, তবে আগামী দিনে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতে পারি।
এই ধরনের হামলা দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে। আন্তর্জাতিক মহলও প্রশ্ন তুলতে পারে – বাংলাদেশে কি সত্যিই সুষ্ঠু নির্বাচন হতে যাচ্ছে? এই প্রশ্নের জবাব এখন সরকারকেই দিতে হবে।
👉 তাই এখনই প্রয়োজন এই হামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা। তা না হলে, জনগণের আস্থা হারিয়ে যাবে, এবং নির্বাচনের বৈধতাও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।


