
নুরুল হক নুর, একজন সাহসী ছাত্রনেতা ও রাজনৈতিক কর্মী, যিনি সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। আর ঠিক নির্বাচনকে সামনে রেখে তার উপর পরিকল্পিত হামলা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল – কেউ চায় না দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক। এ হামলা কি কেবল একজন নেতার উপর নয়, বরং পুরো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপরই আঘাত?
নুরের উপর এই হামলা তৃণমূল থেকে উঠা রাজনীতিকে দমন করার চেষ্টা। ইতিহাস বলে, যখনই নতুন নেতৃত্ব মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে, তখনই তাকে দমন করতে চেয়েছে ক্ষমতালিপ্সু গোষ্ঠী। নুর যে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে তরুণদের মাঝে, তাতে ভীত হয়ে কেউ বা কারা চায় নির্বাচন ঘিরে অরাজকতা সৃষ্টি করতে।
এই হামলা প্রমাণ করে একটি শক্তিশালী পক্ষ চায় না নির্বাচন হোক। তারা দেশকে অস্থির করে তুলতে চায়, যাতে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়। এটি শুধু নুরের উপর হামলা নয়, এটি তরুণদের মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপরও আঘাত।
যদি এর সঠিক বিচার না হয়, তবে আরও বড় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে বিরোধী কণ্ঠকে দমন করতে এ ধরনের হামলা চালানো হলে, ভবিষ্যতে আর কেউ রাজনীতিতে আসতে চাইবে না।
আমাদের প্রশ্ন – হামলাকারীরা কারা? তাদের পেছনের মদদদাতা কারা? এই প্রশ্নের উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত এই হামলা নিছক বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।
👉 এখনই সময় জনগণকে একত্রিত হয়ে এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর। অন্যথায় অন্ধকার ভবিষ্যৎ আমাদের সামনে অপেক্ষা করছে।


