আজ আমি পাকিস্তান সাপোর্টার হয়েও ভারতের তিলক ভরমাকে নিয়ে কিছু না বলে পারছি না। সত্যি বলতে, ক্রিকেট মানে শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, এখানে প্রতিপক্ষের ভালো খেলা স্বীকার করার মধ্যেই আসল সৌন্দর্য। আর তিলক ভরমা সেই সৌন্দর্যেরই দারুণ এক উদাহরণ।

ওকে খেলতে দেখলে প্রথমেই চোখে পড়ে আত্মবিশ্বাস। বয়সে তরুণ হলেও খেলায় একেবারে পরিণত ভাব। যেভাবে শট বেছে নেয়, যেভাবে চাপের সময়ে ঠান্ডা মাথায় ব্যাট করে যায় – মনে হয় এ যেন জন্মগতভাবে ম্যাচ উইনার। পাকিস্তানের ভক্ত হয়ে আমি চাইব আমার দল সব সময় এগিয়ে থাকুক, কিন্তু তিলকের ব্যাটিং দেখলে মনে হয়, এই ছেলেটার প্রশংসা না করলেই অন্যায় হবে।

ভারতীয় দলে আগেও অনেক তারকা এসেছে, এখনো আছে, তবে তিলকের খেলায় একটা আলাদা ধরণের দৃঢ়তা আছে। মনে হয় ওর ভেতরেই ভবিষ্যতের এক বড় সম্পদ লুকিয়ে আছে। সামনে অনেক বড় মঞ্চে ও হয়তো ভারতকে ভরসা দেবে, আর ক্রিকেট বিশ্বও ওর মধ্যে নতুন এক নক্ষত্র খুঁজে পাবে।

আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লাগে ওর খেলার ধৈর্য আর টেকনিক। দ্রুত রান তুললেও কখনোই অস্থির মনে হয় না। মাঠে দাঁড়িয়ে দলের হাল ধরার মতো মানসিকতা খুব কম বয়সেই তৈরি করেছে। এ কারণেই হয়তো দর্শকের মন জয় করতে পারছে সহজেই।

শেষ কথা হলো, ক্রিকেটের ভক্ত হিসেবে তিলক ভরমার প্রতিভাকে আমি সম্মান জানাই। প্রতিপক্ষের হয়েও ওকে দেখে গর্ব হয় – এটাই আসলে ক্রিকেটের আসল স্পিরিট।


