সেনাবাহিনীর দায়িত্ব পালনের ঘোষণা: আশার আলো না নতুন প্রশ্ন?

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, তারা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে। এই ঘোষণা অনেকের মধ্যে একদিকে যেমন আস্থা ও নিরাপত্তার বার্তা দিয়েছে, তেমনি অন্যদিকে তৈরি করেছে কিছু প্রশ্ন ও উদ্বেগও।

দেশের ইতিহাসে সেনাবাহিনী সবসময়ই জাতীয় সংকটে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে এসেছে। নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা, সহিংসতা, অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার ঝুঁকি মাথায় রেখে অনেকেই আশা করছেন, সেনাবাহিনীর এই পদক্ষেপ ভোটারদের জন্য একটি সুরক্ষা বলয় তৈরি করবেআইন অনুযায়ী মানে কী?

🔹 নিরপেক্ষতা রক্ষা করা যাবে তো?

🔹 সিভিল প্রশাসনের অধীনে থেকে সেনাবাহিনী কতটুকু কার্যকর হতে পারবে?

দেশের জনগণ চায় একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। যেখানে কেউ ভয় বা বাধা ছাড়াই ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে। সেনাবাহিনী যদি সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে, তাহলে এটা হবে গণতন্ত্রের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা।

তবে অতীত অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, কেবল সেনাবাহিনীর উপস্থিতি নয়, বরং তাদের বাস্তবিক ভূমিকা হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তারা কি শুধু “দাঁড়িয়ে থাকবে”, না কি বাস্তব অনিয়ম প্রতিরোধেও পদক্ষেপ নেবে—তা সময়ই বলে দেবে।

এই ঘোষণায় আমরা আশাবাদী, তবে সচেতনও থগণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে—ভোটার, প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সবাইকে।াকতে হবে। দায়িত্ব।

🔹

Comments