পহেলা বৈশাখ: ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে এক মূল্যায়ন



পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ, বাংলাদেশের অন্যতম সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে বিবেচিত হলেও ইসলামের দৃষ্টিতে এই উৎসবের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ইসলামে উৎসব নির্ধারিত, যেমন ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা—যা রাসূলুল্লাহ (সা.) এর দ্বারা নির্ধারিত। এর বাইরে অন্য যে কোনো উৎসব উদযাপন করা বিদআত হিসেবে গণ্য হয়।


রাসূল (সা.) বলেন: “তোমাদের জন্য দুটি ঈদ নির্ধারিত, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা।” (আবু দাউদ)। এই হাদীস থেকে স্পষ্ট, ইসলাম স্বীকৃত উৎসব সংখ্যা সীমিত।


পহেলা বৈশাখে যে সকল কার্যকলাপ অনুষ্ঠিত হয়—যেমন গান-বাজনা, নাচ, মঙ্গল শোভাযাত্রা, অপসংস্কৃতির চর্চা ইত্যাদি—এসব ইসলামী আদর্শের পরিপন্থী। বিশেষত “মঙ্গল শোভাযাত্রা”তে হিন্দু ধর্মীয় প্রভাব রয়েছে বলে বহু আলেম মন্তব্য করেছেন, যা শরিয়তের দৃষ্টিতে স্পষ্ট শিরক বা কুফরি কার্যকলাপের কাছাকাছি।


ইসলামে অন্য ধর্ম বা সংস্কৃতির অনুকরণও হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। রাসূল (সা.) বলেন: “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের অনুরূপ কাজ করে, সে সেই সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত।” (আবু দাউদ)


সুতরাং, মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত নিজস্ব ইসলামি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে অনুসরণ করা এবং অনৈসলামিক উৎসব থেকে বিরত থাকা। আনন্দ ও উৎসব উদযাপন ইসলামেও আছে, তবে তা ইসলামের নির্ধারিত সীমার মধ্যে হওয়া আবশ্যক।

Comments