সেনাবাহিনী যুদ্ধের জন্য তৈরি, তাদের কাজ সীমান্ত সুরক্ষা। কিন্তু দেশে যখন সেনাবাহিনীকে নামিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়, তখন সেটা গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক সংকেত।
নুরুল হক নুরের ওপর হামলা সেই সংকটেরই ফল। কারণ সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হলে বিরোধীদের ওপর হামলা সহজ হয়। এই পরিস্থিতিতে জনগণের ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিরাপদ থাকে না।
সেনাবাহিনীকে দেশের বাইরে যুদ্ধক্ষেত্রে রাখতে হবে। দেশে অভ্যন্তরীণ শান্তি ও আইনের শাসন পুলিশের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে। নুরের মতো নেতা যারা দেশের পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেন, তাদের নিরাপত্তা সরকারকে দিতে হবে।
আমরা চাই, দেশের রাজনীতি মুক্ত হোক সেনাবাহিনীর ভয় থেকে। নুরের ওপর হামলা যেন আর কেউ ভোগে না।


