ব্রহ্মপুএ নদ নিয়ে তেমন কিছু বলার নাই।আমাদের সবাই এই নদীর নাম শুনছেন হয়তো। এটাকে অনেক মানুষ নদী বলে ভুল করে। কিন্তুু প্রকৃত অর্থে এটা একটা নদ।এই তো কিছু দিনে গিয়েছিলাম একটু ঘুরে আসতে।নদ টা একদম শান্ত ছিল। কিন্তুু নদ গভীরতা অনেক যার কারনে সারা বছর ই পানি থাকে।ব্রহ্মপুএ নদ দেখতে যেতে আমাদের বাড়ি থেকে মোটামোটি ৩ ঘন্টা সময় লাগে।ব্রহ্মপুএ নদটি জামালপুর জেলায় অবস্থিত।আমার বাড়ি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে।জামালপুর নদ দেখতে যেতে বাস,সিএজি,বাইক, ট্রেন মাধ্যমে যাওয়া যায়।আমার কাছে ট্রেন এ যাওয়া টাই বেষ্ট মনে হলো।এজন্য দুপুর রোদের মধ্যে বের হয়ে পরলাম ট্রেন এর উদ্দেশ্য।২ টার দিকে ট্রেন টি ছারলো ৪.৩০ এর দিক জামালপুর রেল স্টেশন গিয়ে পৌছলাম।তার পর একটা অটোরিকশা নিয়ে ব্রহ্মপুএ নদ দিকে গেলাম।গিয়ে দেখি এখানে অনেক মানুষ এই বেরাতে এসেছে।।ছোট খাটো একটা মেলার মতো হয়ছে।।নদ এর উপর দিয়ে একটা ব্রিজ ছিল।। সে ব্রিজ উপর দাড়িয়ে নদ টা উপভোগ করা শুরু করলাম।ব্রিজ এর উপর দারুন বাতাস বইছে।।তখনই লক্ষ্য করলাম কিছু পাখি বাতাসে খেলা করতেছে ভাবলাম আমি যদি পাখি হতাম তাহলে হয়তো এভাবে আকাশে উরে বেড়াতে পারতাম।।পরক্ষণেই লক্ষ্য করলাম একটা বাজ পাখি এসে ছোট পাখিটা শিকার করে খেয়ে ফেললো।তখনই ভাবলাম পাখি না হয়ে জন্ম গ্রহন করে ভালো হয়েছে।পাখি জীবনের কোনো গ্যারান্টি নাই।।নদীর উপর দিয়ে একটা ক্যারেন্ট তার নেওয়া হয়েছে।মনে হচ্ছে কারেন্ট তার গুলো বাতাসে দুলছে মনে হচ্ছে হয়তো ছিড়ে যাবে।ভ্রমণ পথে যাওয়ার পর ক্ষুধা লেগে গেল।।নদ ব্রিজ এর উপর কতগুলো খাবার এর দোকান বসেছে।।দোকান গুলোতে বেজায় ভির।। দোকানি গুলো ব্যস্ত সময় পার করছে।।সারাবছর ওখানে তেমন মানুষের আনাগোনা থাকে না।কিন্তুু শ্রাবণ ধারা পুরো টুইটুম্বর নদ দেখতে সবাই আসে।।নদ টা পুরো পুরো ভর্তি কিন্তুু নদ এর পানিতে কোনো গর্জন নাই। এটাই হয়তো নদ এর প্রকৃত আচরণ।নদ এর উপর কিছু নৌকা চলছে। সেখানে যাএী বাহী নৌকা নাই বললেই চলে।। সব গুলোই জেলে নৌকা। আর কিছু মালবাহী নৌকা ছিল।।নদ এর কিনারায় বসে কিছু যুবক মাছ ধরছে বরশি দিয়ে।।সব সময় তারা শুধু বসে মাছ কখন আটকে বরশিতে।।এই কৌতুহল নিয়ে তাদের কাছে গিয়ে সবাই ভালো অনেক মাছ ধরছে।।কেউ কেউ আবার সেই মাছ গুলো বিক্রি ও করতেছে কৌতুহলী মানুষ এর কাছে।।আমি ও কৌতুহল বশত দাম জিঞ্জাসা করলাম কিন্তুু মাছ এর দাম ত��লানামূলক বেশি তাই এর কেনা হলো না।এটিকে আমি যে ট্রেন এসেছি সে ট্রেনটা আবার ভূঞাপুর এর দিক যাওয়ার সময় হয়েছে। এজন্য দেরি না করে তারাতারি রেল স্টেশন এর দিক রওনা হলাম।।এসে দেখি ট্রেনটি প্লাটফর্মে দাড়িয়ে আছে তারাতাড়ি করে ট্রেন এ উঠে পরলাম আর নদ নিয়ে ভাবতে ভাবতে বাড়িতে চালে আসলাম।
ব্রি দ্রঃছবিটি আমার নিজের মোবাইল দিয়ে তোলা কিন্তু বেশি এমবি এর জন্য টেলিগ্রাম এ আপলোড দিয়ে আবার সেভ করা ছারলাম।

