স্কুল জীবনV/S কলেজ জীবন

M

 

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। আপনারা সবাই কেমন আছেন? আলহামদুলিল্লাহ;আশা করি সবাই ভাল আছেন।আজকে আপনাদের সামনে একটা বিষয় নিয়ে আসবে সেটা হল কলেজ এবং স্কুল জীবনের ঘটনা। আমার যা মনে হয় তাই আমি লিখছি। প্রাইমারি স্কুল কেটেছে আনন্দেই। সকাল 8 টা থেকে বিকাল 4 টা পর্যন্ত ক্লাস বিকাল 4 টার পরে অনেক খেলাধুলা। এবং সন্ধ্যা হলে বাড়িতে চলে আসো। ছোটবেলায় বাবা-মার কথা শুনো না হলে বাবা মার হাতে হাতে মার খাও। প্রাথমিক জীবনে ধরতে গেলে সবাই অনেকটা অবুজই ছিলাম। তো যাই হোক প্রাইমারি জীবনটা খুব ভালোভাবেই আনন্দের সাথেই কেটেছে বাবা মার আদর মার অনেক আনন্দে কেটেছে। কিন্তু প্রাইমারি জীবনের কথা আজ আমাদের মনে নেই বেশি। তো হাইস্কুলের জীবনটা হলো সবচেয়ে আনন্দের মজার জীবন যেটা আমরা পার হয়ে এসেছি। তো হাইস্কুলে জীবনের একটা কথা আমি বলব সেটা হল বন্ধুত্বর জীবন। হাইস্কুলে জীবনে সবারএকটা দুইটা বন্ধু একদম ঘনিষ্ঠ বন্ধু থাকতোই,তার সাথে খেলা,বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা,একসাথে খাওয়া, বিভিন্ন দুষ্টুমি করা,ক্লাসে পড়াশোনার বেঞ্চে একসাথে বসা অনেক আনন্দের সাথে কেটেছে তার সাথে। এবং হাই স্কুল জীবনে ক্লাসের বন্ধু বান্ধবীর সাথে সবার সাথেই পরিচয় ছিল।

কিন্তু একি হলো কলেজ জীবনে সেই সবার সাথেই পৃথক হয়ে যেতে হলো। নিজের ইচ্ছাস্বাধীনহিন কলেজে ভর্তি হতে হলো।এবং যে কলেজে ভর্তি হলাম সবাই নতুন এবং অনেক ছাত্রছাত্রী ছাদের ভিতরে কোন বন্ধু পাওয়াটা খুবই মুশকিল!কারো সাথে হয়ত বছরে ও পরিচয় হয় না ।খুবই হতাশার সাথে কলেজ জীবনটা কাটিয়ে দিতে হয়।

এজন্য আমার যা মনে হয় কলেজে জীবন থেকে হাই স্কুল জীবনটা অনেক অনেক উত্তম ছিল।

 

 

আমার উদ্দেশ্য হলো এটা আপনাদের বোঝানোর এবং আমার বোঝার যে,হাই স্কুল জীবন ত্যাগ করে কলেজ জীবনে,কলেজ জীবনের বন্ধুদের ত্যাগ করে ভার্সিটির জীবনে এরকম ভাবে ভার্সিটি বন্ধু ত্যাগ করে কর্মজীবন, কর্মজীবনের বন্ধ ত্যাগ করে একসময় বৃদ্ধকালে এবং বৃদ্ধ জীবন ত্যাগ করে একসময় কবরের জীবন চলে যাবো। আর এই কবরের জীবনের বন্ধু যে আমার হবে সে হলো নেক আমল এবং আমার আল্লাহ আসো এ দুটোর জন্য আমরা চেষ্টা করি। আল্লাহকে পাওয়ার চেষ্টা করি এবং বেশি থেকে বেশি নেক আমল করার চেষ্টা করি এবং গুনাহ থেকে বেঁচে থাকি। আল্লাহ তাআলা আমাদের বোঝা এবং আমল করার তৌফিক দান করুন।(আমিন)

Comments