বিসমিল্লাহ রাহমানির রাহিম
—-----------------------------
আমার ইউজার আইডি @maruf4334আপনার সকলে কেমন আছেন, আমি আশা করি সবাই ভাল আছেন। আপনাদের দোয়ায় আমিও ভাল আছি। আজ আমি কথা বলবো, আমার আব্বুর কারখানায় কিভাবে ব্যাগ তৈরি করা হয়। বন্ধুরা তাহলে পাশেই থাকবেন এবং পুরা গল্পটা কেমন হয়েছে তা বলবেন।
বন্ধুরা আপনাদের বলে রাখি আমার আব্বু একজন দক্ষ ব্যবসায়িক মানুষ। তিনি প্রায় ২৭ বছর ধরে এই ব্যাগের ব্যবসা করছেন। আপনাদের বলে দিই আমরা আব্বু লেডিস ব্যাগ বানায়। তিনি এই কাজটি শিখেছেন তার চাচাদের কাছ থেকে। তিনি ৩০ বছর আগে। ঢাকা শহরে এসেছিলেন এসে তিনি তার চাচাদের কাছে চলে যান। চাচাদের লেডিস ব্যাগের ব্যবসা থাকায় তিনিও সেখানে কাম করতেন এবং শিখতেন। শিখতে শিখতে তিনি প্রায় পাঁচ বছর কাম করেছেন ওখানে। তো সে দক্ষ একজন কারিগর হয়ে ওঠে। তারপর জিনিস চিন্তা করেন যে তিনি একটা কারখানা দিবেন ব্যাগের তো যে কথা সেই কাজ নেই প্রায় ২৭ বছর আগে একটা ছোটখাটো কারখানা দেয়। দেয়ার পর তিনি আস্তে আস্তে সেলাই মেশিন যন্ত্রপাতি আরো অনেক কিছু কিনেন তারপর শুরু হয় তার জীবনের লক্ষ্য।
কারখানা দেওয়ার জন্য কি কি প্রয়োজন:
—--------------------------------------------
সর্বপ্রথম আপনার ব্যবসার জন্য পুঞ্জি রাখতে হবে প্রায় ২ লক্ষ টাকার মত। তারপর আপনার ইচ্ছামত একটি কারখানা ভাড়া করতে হবে। তারপর আপনি সেখানে সেলাই মেশিন কিনতে হবে তারপর হাতুড়ি কেচি আরও অনেক কিছু লাগবে। তারপর আপনার কারিগর রাখতে হবে। তারপর আপনার একটি কারখানা চালাতে পারবেন আপনি যেই মার্কেটে ব্যবসা করতে চান সে মার্কেটে গিয়ে একটি দোকান দারের সাথে কথাবার্তা বলতে হবে যেমন আমি আপনার কাছে ব্যাগ বিক্রি করতে চাই। দোকানদার যদি রাজি হয় তাহলে আপনার কাছ থেকে ব্যাগ নিতে পারে। দোকানদার আপনাকে অর্ডার দিবে ধরেন ৬০ পিচ ব্যাগ দেওয়ার জন্য তাকে। তারপর আপনি সোল কিনবেন রেকসিন কিনবেন। তারপর আপনি আপনার ব্যাগগুলো বানিয়ে দিতে পারবেন। এই হল একটি কারখানা দেওয়ার পদ্ধতি।
ব্যাগ কিভাবে বানানো হয়:
—--------------------------
আমার আব্বু সর্বপ্রথম ব্যাগ বানানোর জন্য সোলএবং বোর্ড কিনে। তারপর সোল এবং বোর্ডে ফরমা হিসেবে আঁকা হয় সেই ফর্মা আকা শেষে কেটে নেওয়া হয়। তারপর আব্বু রেকসিন কিনে। রেকসিনগুলো ফরমায় হিসেবে দাগ দিয়ে কেটে নেওয়া হয়। তারপর রেকসিন কেমিক্যাল লাগানো হয়। লাগানো শেষে ওই সোল বোর্ড গুলো বসিয়ে দেওয়া হয়। তারপর আরো গুলা কেটে ফর্মাগুলো মেশিনে উঠিয়ে দেওয়া হয়। তারপর সেইগুলো একসাথে জোড়া লাগিয়ে তৈরি করা হয় লেডিস ব্যাগ। ব্যাগগুলো হয়ে যাওয়ার পর বেদে নিয়ে যাওয়া হয় মার্কেটের উদ্দেশ্যে মার্কেটে গিয়ে ব্যাগগুলো বিভিন্ন দোকানে দেওয়া হয় এই হচ্ছে আমাদের ব্যাগ বানানোর পদ্ধতি।
সমাপ্ত
—----
আমি জানি না আপনাদের কতটুকু দিতে পেরেছি। কিন্তু, আমি সব সময় চেষ্টা করি ভালো কিছু দেওয়ার জন্য।কেমন হয়েছে সবাই অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন। এবং আমার পাশে থাকবেন। যাতে পরবর্তী সময় আরো ভালো কিছু নিয়ে আসতে পারি। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আর আমার পোস্ট যদি কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে প্লিজ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। সবাই কে ধন্যবাদ।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

