বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু, সম্মানিত সাথী ও বন্ধুগণ আশাকরি সকলে ভালো আছেন? আলহামদুলিল্লাহ আমি ভালো আছি।
আজকের আলোচ্য বিষয় হল: পিতা মাতার সম্মান।
মিশরের কিঞ্চিত পরিমানও আলোচনা করব ইনশাল্লাহ পিতা-মাতা হলো সম্মানের পাত্র, তাদেরকে সবসময় আমাদের সম্মান করা উচিত। কখনো তাদের সাথে খারাপ আচরণ করা বাঞ্ছনীয় নয়।যে পিতা-মাতা আপনাকে আমাকে এত কষ্ট করে লালন-পালন করে আমাদেরকে বড় করেছেন। সব সময় তাদেরকে সম্মান করা উচিত।
কারণ তারা যদি আজ দুনিয়াতে না থাকতো। তাহলে হয়তোবা আমার দুনিয়ায় আসা হতো না। এ কথাটি আমাদের সব সময় স্মরণ রাখা দরকার। পিতামাতাকে কখনো কষ্ট দেওয়া যাবে না। কারণ পিতা মাতা কে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সম্মান করার আদেশ করেছেন। এমনও কোথাও কোথাও বলা আছে পিতা মাতার পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত।
এ কারণে আমাদের উচিত নয় পিতা-মাতার সঙ্গে খারাপ আচরণ করা। পিতা-মাতা সম্মানের পাত্র সবসময় পিতা-মাতাকে সম্মান করা দরকার। এমন যেন আমাদের মাধ্যমে কোনো কাজ প্রকাশ না পায়। যার দ্বারা আমাদের পিতা মাতা অন্তরে কোন আঘাত পায়।তাদের অন্তরের কোনো কষ্ট লাগুক এমন কোন কাজ আমাদের দ্বারা যেন কখনো প্রকাশ না হয়। এ বিষয়ে আমরা প্রত্যেকেই লক্ষ্য রাখবো।
পিতা-মাতার মুখ থেকে যদি কোনো পরোয়া বের হয়ে যায়। তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তা কারেন্টের মত কবুল হয়ে যায়। আল্লাহপাক সাথে সাথে কবুল করেন। তাই সবসময় আমাদের সতর্ক থাকা দরকার। সব সময় আমরা মনে রাখব কখনো পিতা-মাতার সাথে যেন আমাদের দ্বারা কোন খারাপ আচরণ না হয়ে যায়।
পিতা-মাতা সম্মানের পাত্র সব সময় তাদেরকে আমরা অধিক সম্মান করবো। কিন্তু পিতা-মাতা যদি এমন কোন হুকুম করে সেই হুকুম শরীয়তের হুকুম এর বাহিরে তাহলে সেই হুকুম আমাদের জন্য মানা উচিত নয় সেই হুকুম আমরা কখনো মানবো না। জুলি শরীয়ত সম্মত হুকুম হয় তাহলে আমরা সেটি মানবো অন্যথায় আমরা পিতামাতার হুকুম মানবো না।
সম্মানিত সাথী ও বন্ধুগণ আজকে অনেক আলোচনা করে ফেললাম তবে সকলেই আমার জন্য দোয়া করবেন আমরা সকলের জন্য দোয়া করি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেন আমাদেরকে পিতা মাতার খেদমত করার তৌফিক দান করেন এবং পিতা-মাতার সাথে কখনো যেন খারাপ আচরণ না হয় সেই তৌফিক দান করেন আমীন আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ


