নামাজ রাব্বুল আলামিনের কাছে সবচাইতে প্রিয় আমল

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সকল প্রশংসা মহান আল্লাহতালার আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু কেমন আছেন আপনারা আশা করি মহান রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান রব্বুল আলামীনের অশেষ রহমতে আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভাল আছি আজকে এমন একটা বিষয় নিয়ে কথা বলব যেটা আমাদের প্রত্যেক মুসলমানের জানা খুবই প্রয়োজন।
যে কারণে নামাজ মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে সবচাইতে প্রিয় আমল।
আমাদের ঈমানের পরে সবচে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে নামাজ।
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কাছ থেকে অনেকবার নামাজের তাগিদ পেয়েছেন।
আমাদের পবিত্র কোরআন শরীফে বিভিন্ন জায়গায় মহান রাব্বুল আলামিন, এবং সরাসরি 82 বার সালাতের এবং নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ঈমানের পরে নামাজকে স্থান দিয়েছেন, নামাজের গুরুত্ব এবং ফায়দা সম্পর্কে সাহাবায়ে কেরামের সামনে অনেক ধরনের হাদিস বর্ণনা করেছেন তার মধ্যে আজকে আমি একটি হাদিস আপনাদের সামনে তুলে ধরব।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু তা'আলা থেকে বর্ণিত তিনি বলেছেন আমি প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করেছিলাম (হে আল্লাহ তায়ালার রাসুল আপনার কাছে সবচাইতে প্রিয় আমল কোনটি)[রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম তার জবাবে উত্তর দিয়েছিলেন আমার কাছে সবচাইতে প্রিয় আমল হচ্ছে নামাজ]
উল্লেখিত হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে, বিশিষ্ট ইসলামী আল্লামা ক্বারী রহমাতুল্লাহ আলাইহি বলেছেন এই হাদীসের মাধ্যমে আলেমগণ ঈমানের পরে নামাজ কে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিবেচনা করেছেন।
হযরত আবু হুরায়রা রাদিআল্লাহু তা'য়ালা থেকে বর্ণিত আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ ইরশাদ করেছেন মহান রব্বুল আলামীনের মনোনীত সর্বোত্তম আমল হলো নামাজ।
অতএব যে বেশি বেশি নামাজ পড়তে সক্ষম সে যেন বেশি বেশি নামাজ পড়ে,
আমাদের প্রিয়নবী নামাজের গুরুত্ব বোঝানোর জন্য হাদিসের মধ্যে একটি উপমা বর্ণনা করেছিলেন।
হযরত আবু যর গিফারী বর্ণনা করেছেন,
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম শীতের সময় তাশরীফ আনেন, তখন গাছের পাতা ঝরার মৌসুম ছিল। আমাদের প্রিয়নবী একটি গাছের ডাল কে খুব শক্ত করে ধরলেন যার ফলে ওই গাছের পাতা আরো ঝরতে শুরু করলো।
অতঃপর তিনি আমাকে ডেকে বলেন হে আবু যর,হে আল্লাহর রাসূল! আমি উপস্থিত তখন প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম ইরশাদ করেছিলেন, মুসলমান বান্দা যখন আল্লাহর আমলের জন্য নামাজ আদায় করে তখন তার থেকে পাপসমূহ ঝরে পড়তে থাকে যেমন তুমি একটু আগে দেখেছো গাছের পাতাগুলো ঝরে পড়ে গেছে।
নামাজে একমাত্র এবাদত যা দুনিয়ার সকল খারাপ কাজ থেকে একটা মানুষকে ভাল কাজে পরিণত করে আল্লাহর এবাদত করার জন্য একজন উত্তম বান্দা হিসেবে পৃথিবীতে পরিচালনা করতে পারে।
তাহলে দেখুন নামাজের প্রতি মহান রব্বুল আলামীন কতটা কঠোর নামাজ আমাদের সবচাইতে এবং সর্বোত্তম আমল আমাদের সবারই উচিত প্রতিনিয়ত নামাজ পড়া নামাজকে কখনো অবহেলা না করা সেজন্য আজকে একটা গজল আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব।
!!!!!!!!!!!! নামাজকে বলোনা কাজ আছে কাজকে বলো আমার নামাজ আছে নামাজ বিহীন পরপারে কি জবাব দিবে তুমি প্রভুর কাছে খবর হুকুম মানার এবার থাকো তুমি যেথায় সময় গেলে পাবেনা ফিরে মরণ তোমায় লইবে ঘিরে,
!!!!!!!!!!!!!!!! ফজর কাটে ঘুমের ঘোরে জোহর কাজে কাজে,
!!!!!! আসর কাটে খেলায় ধুলায় মাগরিব মাঝে মাঝে!!!
!!!!!!!!!!!!!!!! ফজর কাটে ঘুমের ঘোরে জোহর কাজে কাজে,
!!!!!! আসর কাটে খেলায় ধুলায় মাগরিব মাঝে মাঝে!!!
!!!!!! এশার সময় হয়ে এল এ থাকো তুমি দুনিয়ার পিছে!!
!!!!! নামাজকে বলোনা কাজ আছে কাজকে বলো আমার নামাজ আছে নামাজ বিহীন পরপারে কি জবাব দিবে তুমি প্রভুর কাছে!!!
আমি আশা করব আপনারা সবাই দিনের যাবতীয় সব কাজকর্ম ও করবেন এবং নামাজ পড় ঠিকমত আদায় করবেন মহান রাব্বুল আলামীনকে অবশ্য সবসময় স্মরণ করবেন কারণ ঈমানের পরেই হচ্ছে নামাজের স্থান।
নামাজ ছাড়া যেমন এই দুনিয়ায় একজন প্রকৃত মুসলমান হওয়া যায় না ঠিক তেমনি নামাজ ছাড়াও আপনি বেহেশ্ত আদায় করতে পারবেন না কথায় বলে বা পবিত্র কোরআনে রয়েছে নামাজ হচ্ছে বেহেস্তের চাবি তাহলে আমাদের সবারই উচিত সময় মত নামাজ আদায় করা সবাই ভাল থাকেন সুস্থ থাকেন এই কামনা করে আজকের মত এখানেই বিদায় নিলাম আবারও নতুন কোন বিষয় নিয়ে হাজির হয়ে যাবো আপনাদের সামনে সে পর্যন্ত আল্লাহ হাফেজ আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু।

Comments