
প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী বন্ধুরা,
দৈনন্দিন কার্যাবলীর ব্যস্তময় একটি দিন অতিবাহিত করে আপনাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য সামান্য প্রচেষ্টা। চলুন তাহলে কার্যাবলীর মধ্যে বেশ কিছু তথ্য সম্পৃক্ত লেখা তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
প্রিয় বন্ধুরা সকালবেলায় আমি ঘুম থেকে ওঠার পর হাত মুখ ধুয়ে নিলাম এবং হালকা করে নাস্তা করলাম এবং অফিসের দিকে রমনা দিলাম। নাস্তা করতে অবশ্যই একটু দেরী হয়ে গেল।
IMG_20240518_083428_871.jpg
অফিসে গিয়ে অধীর বাইকে বললাম ভাই আমার জন্য খিচুড়ি নিয়ে আসেন ক্যান্টিন থেকে কেননা আমি সকাল বেলায় খাবার খাইনি বললেই চলে হালকা নাস্তা করে আসছি শুধু।
পরবর্তীতে অধীর ভাই খিচুড়ি নিয়ে আসলো। আমি ল্যাবরেটরির যে সমস্ত প্লেট গুলো আছে সেগুলোর মধ্য থেকে একটি প্লেট নিলাম এবং খাইতে শুরু করলাম খিচুড়ি।
পরবর্তীতে আমি দেখতে পেলাম ম্যানুয়াল কাস্টিং স্লিপ নিয়ে আসলো সুপারভাইজার। সেই স্লিপগুলো আমি টেস্ট করলাম।
IMG_20240518_081243_473.jpg
মোটামুটি ডেনসিটি যথাযথ আছে কিন্তু ভিস্কো সিটি যথাযথ নেই অর্থাৎ অনেক কম আছে আরো হাই হতে হবে।
এজন্য আমি সুপারভাইজার কে সেই স্লিপ এর পেপার হাতে দিয়ে তাকে বুঝিয়ে দিলাম বডি সেকশনে পাঠিয়ে দিয়ে আবারো ঠিক করে নিয়ে আসার জন্য কেননা এই স্লিপ দিয়ে দ্রব্যাদি তৈরি করলে দ্রব্যাদি নষ্ট হবে, ভালো হবে না।
IMG_20240518_105810_046.jpg
গতকালকে কাজের চাপ কম থাকায় দেখতে পেলাম শরিফুল QC ডিপার্টমেন্ট থেকে ল্যাবরেটরীতে এসেছে। কিরে তুই এই জায়গায় কেন?
আমার কথায় তার কোন কাম নেই দেখতে পাচ্ছি সে তার বউয়ের সাথে কথা বলতেছে। বললাম ঠিক আছে ভালো আজ তোর বউ আছে বলে তুই আমার সামনে এসেই কথা বলিস বারবার 😄
রুমে থাকতেও দেখি বেশিরভাগ সময় আমার এই জায়গায় বিছানায় বসে থাকে আর আমার সামনে কথা বলে। কি আর করার আছে বলুক, বন্ধু মানুষ 😉
ভাবির সাথে আমিও বেশ কিছু সময় কথা বললাম। শরীফকে বললাম ভাবিকে ভিডিও কলে আসতে বল ল্যাবরেটরি দেখাই। ভিডিও কলে এসে শরিফুল নিজেই ল্যাবরেটরী ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখালো।
আমিও বেশকিছু তোমায় কথা বললাম এরপর শরিফুল আবারো কথা বলতে বলতে প্রায় ১৫-২০ মিনিট আধা ঘন্টা চলে যায় এরপর বললাম আমি এখন কাজ করবো পরে অন্য একদিন আবার কথা হবে। যাইহোক ভালই লাগলো বেশ কিছু সময় বন্ধুর সাথে এবং ভাবির সাথে কথা বলে।
IMG_20240518_120830_207.jpg
বাহিরে হালকা হালকা একটু বৃষ্টি হইতেছিল তবে দুপুরবেলায় বৃষ্টি ছিল না মোটামুটি ভালো অবস্থায় ছিল এ কারণে কোন সমস্যা হয়নি। বৃষ্টি হইলে সমস্যা হয়ে যেত রুমে যাইতে এবং খাওয়া-দাওয়া করতে। সমস্ত কিছুর জন্যই আলহামদুলিল্লাহ।
দুপুরবেলায় খাবার খাইলাম আলহামদুলিল্লাহ ডিমের তরকারি দিয়ে। এরপর রুমে গিয়ে বিশ্রাম নিলাম এরপর অফিসে এসে অফিসের বেশ কিছু কাজ এর মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে গ্লেজ প্রিপারেশন এবং প্রোডাকশন।
গ্লেজ প্রিপারেশন করলাম ১.৪৫ ডেনসিটি এবং ১২.০৮ ভিস্কো সিটি রেখে STG-1B and LTG-1B glaze preparation করে গ্লেজ ডিপার্টমেন্টে পাঠিয়ে দিলাম।
এভাবে আরো বেশ কিছু কাজ করলাম। কিছু কালার গ্লেজ তৈরি করার জন্য RDGM-51C গ্লেজ নেওয়া হল এর মধ্যে বেশ কিছু কালার দেওয়া হবে এজন্য স্যার লিখে দিল কালার এর পরিমাণ। সেই কালার গুলো পরিমাণ মতো দিয়ে দীর্ঘ দুই ঘন্টা গ্রান্ডিং করা হলো এরপর নতুন কিলষ এ দিয়ে দেওয়া হলো।
ধীরে ধীরে অফিস টাইম শেষ হয়ে এল এরপর আমি রুমের দিকে চলে গেলাম। বড় ভাই এসেছিল RFL Glass কোম্পানি থেকে তার সাথে বেশ কিছু সময় অতিবাহিত করলাম চা খাইলাম আড্ডা দিলাম।
তবে সে আমার রুমমেট ছিল। নাম হচ্ছে রাশেদ ভাই। আগে এই কোম্পানিতেই জব করত, স্টার পোরসেলিন।
IMG_20240518_205707_932.jpg
যাইহোক রাত্রিবেলায় খাওয়া-দাওয়া করলাম আমি শরিফুল এবং জাহিদ ভাই তিনজন একসাথে। আমি হোটেল থেকে খাবার নিয়ে আসছি এবং শরিফুল হোটেল থেকে খাবার নিয়ে আসছে তিনজন মিলে একসাথে খাবার খাইছি।
আলহামদুলিল্লাহ বেশ ভালো লাগলো তিনজন মিলে একসাথে খাওয়া দাওয়া করতে সর্বোপরি দৈনন্দিন কার্যক্রম আলহামদুলিল্লাহ বেশ ভালো।
আজকের মত এ পর্যন্তই সমাপ্তি দেখা হবে পরবর্তী কোনো
লেখা নিয়ে সে পর্যন্ত সঙ্গেই থাকুন এবং ভালো থাকুন।


