হ্যালো বন্ধুরা,
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি সবাই ভাল আছেন এবং সুস্থ আছেন আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে আমিও ভাল আছি আমি ইমরান আজ আপনাদের সাথে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় শেয়ার করব যে আমাদের ইসলামী শরীয়া মোতাবেক যাকাতের গুরুত্ব সমাজ জীবনের প্রভাব। আমার আর্টিকেলটা এনজয় করুন।
ইসলামের পাঁচটি রুকনের মধ্য অন্যতম একটি রুকন হলো যাকাত। যাকাত এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে। এই যাকাত দেওয়া কে ইসলাম ধর্মে ফরজ করে দিয়েছে ধনী ব্যক্তিদের উপর। এই যাকাত হলো এমন একটি বিধান জেটি প্রত্যেক ধনী ব্যক্তির সম্পদের উপরে গরিব মানুষের হক আছে।আমাদের সমাজে ধনী-গরীব বৈষম্য বিরাজমান এটা আমরা সমাজের দিকে লক্ষ্য করলে সব সময় দেখতে পাই একশ্রেণীর মানুষ অনেক বেশি ধন-সম্পদের মালিক বা টাকা পয়সার মালিক অন্যদিকে একশ্রেণীর অনেক বেশি দরিদ্র সীমার নিচে বাস করে তাদের তিন বেলা খাওয়া ঠিকমতো হয়না ভরণপোষণ ঠিকমত পাইনা তাই ইসলামের যাকাত দেওয়া কে ফরজ বিধান হিসেবে স্বীকৃতি।
প্রত্যেক মুসলমান একে অপরের ভাই ভাই। তাই আপনি যদি ধনাঢ্য ব্যক্তি হয়ে থাকেন শুধু নিজে খেয়ে দেয়ে বেঁচে থাকার জন্য আসলে আমাদেরকে সৃষ্টিকর্তায় পৃথিবীতে প্রেরণ করেননি কারণ শুধু খেয়েদেয়ে ফুর্তি করে যাওয়ার জন্য আমরা কেউই পৃথিবীতে আগমন ঘটেনি অবশ্যই আমাদের কিছু দায়বদ্ধতা আছে সামাজিক দায়বদ্ধতা কারণ আমাদের আশপাশে অনেক গরীব দুঃখী বা নিম্ন শ্রেণীর মানুষ বাস করে থাকে এদেরকে দেখাশোনা করা এদের সাহায্য সহযোগিতা করা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব ও কর্তব্য যাকাত এমন একটি বিধান যেটির মাধ্যমে একজন ধনী তার সম্পদের একটি অংশ গরিব-দুঃখীদের মাঝে বিলিয়ে দিবেন প্রত্যেক বছরে 365 দিন পরপর কারণ ধনাঢ্য ব্যক্তিরা সম্পদের প্রাসাদ গড়ে তোলে কারণ এর ফলে তারা কখনোই অনুধাবন করতে পারে না যে আসলে গরিব দুঃখীর কিভাবে জীবন যাপন অতিবাহিত করে থাকে তাই ইসলাম গরীবদেরকে যেন না খেয়ে না পরিধান করে বিবস্ত্র হয়ে মরতে না হয় এর জন্য ইসলাম একটা সামঞ্জস্যবিধান তৈরি করেছে যে যার অর্থ সম্পদ আছে বেশি সে অবশ্যই গরিব-দুঃখীর মাঝে তার সম্পদের একটি অংশ ইসলামী শরীয়া মোতাবেক বন্টন করে দিবে এবং তাদের সহযোগিতা করবে তাহলে গরিব রাও সেই যাকাতের অর্থ দিয়ে সে কোন ব্যবসা অথবা অন্যান্য কাজকর্ম করে সেও নিজেও স্বাবলম্বী হতে পারে। তবে আমাদের বাংলাদেশ 90 ভাগ মুসলমানের এই দেশে যাকাত দেওয়ার পদ্ধতিটা অনেকটা অন্যরকম কারণ ধনীরা যাকাত দেয় গরীবদের মাঝে সেটি লুঙ্গি শাড়ি এসবের মধ্য দিয়ে দিয়ে থাকে আসলে এটা ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে পরিপূর্ন যাকাত দেওয়ার কোনো বিধান নয় জাকা তথ্যের মাধ্যমে মানুষকে দিতে হয় যে অর্থ কোন গরীব দুঃখী সেটা সেই অর্থটা কাজে লাগিয়ে নিজে স্বাবলম্বী হতে পারে এবং তার পরিবারের ভরণ-পোষণ যোগাতে পারে। যাকাত এটি একটি ফরজ বিধান নামাজ রোজা হজ্ব এগুলোর মত যাকাত দেওয়া ফরজ করে দেয়া হয়েছে প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ব্যক্তির উপরে তবে যারা গরিব শ্রেণীর তাদেরকে যাহার দেওয়া ফরজ নয় কারণ তারা যাকাত ধনীদের থেকে প্রাপ্ত তারা তাদের কাছ থেকে পেয়ে থাকবেন যদি কোন ব্যক্তি মুসলিম হয়ে যাকাত প্রদান না করে থাকে তাহলে সৃষ্টিকর্তার মৃত্যুর পরে তাকে অবশ্যই একজন ও হিসাব নিয়ে থাকবেন তাঁর সম্পদের কারণ সম্পদ সৃষ্টিকর্তার একটি দান।
তাই আমরা এই যাকাতের মাধ্যমেও সমাজে একটি সুন্দর বন্ধনে সৃষ্টি হয়ে থাকে।কারণ ধনী ব্যক্তি যখন কোন গরিব ব্যক্তিকে যাকাত প্রদান করে থাকে তখন দুইজনের মধ্যে একটি সুন্দর সম্পর্ক সৃষ্টি হয় যার ফলে সমাজে গরীব এবং ধনী ব্যক্তির মধ্যে দূরত্ব কমে যে একটা সুন্দর বন্ধন সৃষ্টি হয় এবং বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে তাই প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত তার সম্পদের নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ যাকাত হিসেবে গরীবদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া যার ফলে সমাজে থেকে গরিব এবং দারিদ্রতা দূর করা সম্ভব এবং যাকাতের অর্থ দিয়ে একজন গরীব ব্যক্তি যেন সে তার ভরণপোষণ অথবা পরিবারের ভরণপোষণ যোগাতে পারে এবং খাদ্য নিশ্চিত করতে পারে। তো বন্ধুরা যারা আমরা ধন্য ব্যক্তি অবশ্যই আমরা যাকাত দিব কারন যাকাত এটি একটি ফরজ বিধান ফরজ কোন বিধান সৃষ্টিকর্তার দেওয়া সবচেয়ে বড় নিয়ামত এটাকে অস্বীকার করার এবং ইসলামের সাথে নিজেকে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা একই কথা তাই সব কয়টি ফরজ বিধান আমরা ইসলাম মোতাবেক মেনে চলব এবং আমরা সমাজে গরিব-দুঃখীদের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিব যাতে করে সমাজে গরিব-দুঃখী না খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকতে পারে।
তো বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই সকলে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন এই প্রত্যাশা রইল সকলের প্রতি। আল্লা

