হ্যালো বন্ধুরা,
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি সবাই ভাল আছেন এবং সুস্থ আছেন আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে আমিও ভাল আছি। আমি ইমরান নতুন একটি ব্লক নিয়ে আপনাদের সাথে হাজির হলাম।আজ আমি আপনাদের সাথে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় শেয়ার করব যেটির হলো হালাল উপার্জন ও হারাম উপার্জন এর মধ্যে পার্থক্য। দোলন বন্ধুরা আমার আর্টিকেলটা আপনাদের সাথে শেয়ার করি।
আমরা প্রত্যেক মানুষ বেঁচে থাকার জন্য ও জীবন নির্বাহ করার জন্য সকলেই উপার্জন করে থাকি বিভিন্ন কাজকর্ম করার মাধ্যমে। কিন্তু এই উপার্জন দুই ভাবে করা যায় একটি হলো সৎপাএ অন্যটি হলো অসৎ উপায়ে।বিশদভাবে উপার্জন করে সেটাকে হালাল উপার্জন বলা হয় এবং যে ব্যক্তি অবৈধ পথে বা বিভিন্ন দুর্নীতিগ্রস্ত ভাবে পার সুদ ঘুষ ও নানারকম অপকর্মের মাধ্যমে যে উপার্জন করে থাকে সেটি কি আমরা হারাম উপার্জন বলে থাকি। চলুন এই দুটো উপার্জনের মধ্য কি পার্থক্য রয়েছে আমাদের মানব জীবনের প্রভাব কি পড়ে সেটা আপনাদের সাথে শেয়ার করি
হালাল উপার্জন এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ প্রত্যেক মানুষ সদ্ভাবে জীবন-যাপন করার জন্য বেঁচে থাকার জন্য সে পরিশ্রমের মাধ্যমে যে উপার্জন করে থাকে এটা কি আমরা হালাল উপার্জন বলে থাকি বা বৈধ উপার্জন বলে থাকি এইভাবে মানুষ কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এবং সৎ উপায়ে যে টাকা রোজগার করে সে তা দিয়ে তার ভরণ-পোষণ এবং পরিবারের ভরণপোষণ বা তাদের পরিবারের সদস্যদের মুখে খাবার তুলে দেয় এটাকে হালাল রিজিক বলে থাকি বা হালাল উপার্জনের মাধ্যমে যেটা পরিবারের সদস্যদের কে পাহাড় করানো হয় এটা কি আমরা হালাল রিজিক বলে থাকি এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ হালাল রিজিক এটি সৃষ্টিকর্তার অনেক বেশি বরকত অর্জন এর মাধ্যমে সে কঠোর পরিশ্রম করে উপার্জন করে থাকে এবং পরিবারের সদস্যদের ভরন পোষন করে থাকে এই উপার্জনের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তা এই ছেলে খাওয়া হালাল উপার্জন করা মানুষের প্রতি অনেক বেশি খুশি হয়ে থাকেন এবং একে সৃষ্টিকর্তা অনেক বেশি পছন্দ করেন এবং সৃষ্টিকর্তার কাছে এই ব্যক্তি অনেক বেশি প্রিয়।
অপরদিকে অনেক ব্যক্তি অসৎ ভাবে উপার্জন করে থাকে সুদ ঘুষ এবং নানা রকম খারাপ কাজের মাধ্যমে দ্রুত আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাওয়ার মতো বড় হতে চাই শ্রেণীর মানুষ গুলো আসলে এরা অসৎ পথে নিজেকে শামিল করে দ্রুত ধনাঢ্য ব্যক্তি তে পরিণত হতে চাই আসলে এইসব ব্যক্তিগণ এরা সমাজের জন্য খুবই ঘৃণিত ব্যক্তি এরা পরিবারের ভরণ পোষণ করে থাকে এই হারাম উপার্জন দিয়ে হারাম পথে উপার্জন করার মাধ্যমে যে ব্যয় করে থাকে সৃষ্টিকর্তার প্রতি এই ব্যক্তির প্রতি অনেক বেশি রাগান্বিত হয়ে থাকেন এবং একে অনেক বেশি অপছন্দনীয় করে থাকেন কারণ হারাম পথে উপার্জন করলে সৃষ্টিকর্তার কাছে কোন দোয়া বা কোন কিছুই মঞ্জুর হয় না।
হালাল ও হারাম এ দুটিকে আমরা সব সময় বিবেচনা করে জীবন ধারন করে থাকব যদি আপনার হালাল পথে উপার্জন হয়ে থাকে তারপরও আপনি তাতে সন্তুষ্ট থাকুন এবং হালাল পথে উপার্জন করুন এবং আপনার পরিবারের এবং আপনার নিজের ভরণপোষণ সেই অর্থ থেকে করুন এতে করে আপনি সৃষ্টিকর্তার কাছে অনেক বেশি পছন্দনীয় ও প্রিয় হয়ে থাকবেন অপরদিকে যারা অসৎ উপায়ে বড় হতে চাই আসলে সৃষ্টিকর্তায় দেখে কখনোই পছন্দ করে নাই এদেরকে সমাজের ব্যক্তিগণও কখনোই পছন্দ করে থাকেন না কারণ এরা সমাজের কীট পতঙ্গের মত তাই আমরা কখনও অসাধুপায় উপার্জন করবো না কারণ এটি বা হারাম উপার্জন এটি আমাদের কখনো মনের দিক থেকে সুখ বয়ে আনতে পারে না এটি বাহ্যিক আমরা দেখতে পেলেও এটা মনের দিক থেকে অনেক বেশি নিজের কাছে ছোট অভিনীত নিজেকে নিজেকে ধিক্কার দিতে থাকে কারণহারাম উপার্জনের কোন সুখ শান্তি কোন কিছুই বিদ্যমান থাকে না কারণ এতে আল্লাহর অসন্তুষ্টি থাকে এবং এটা তার সুখকে বিনষ্ট করে থাকে।
বন্ধুরা আমরা লোভের বশবর্তী হয়ে কখনো অপরাধ কর্মের সাথে নিজেকে সামিল করব না এবং হারাম পথে উপার্জন করবো না আমরা হালাল পথে সৎ পথে উপার্জন করবো এবং নিজেদের সেই অর্থ দিয়ে নিজেদেরকে ভরণ পোষণ করবে এবং পরিবারের ভরণপোষণ করব এবং সমাজের মানুষদেরকে সেটা থেকে উপকার করবো এর বিনিময়ে আপনি সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে পুরস্কৃত হবেন অপরদিকে যারা এই অল্প সময়ের জন্য নিজেকে খারাপ কাজের সাথে জড়িয়ে সমাজের ক্ষতি করে দেশের ক্ষতি করে নিজে ধন্য ব্যক্তিত্বে পরিণত হতে চাই সে ব্যক্তি সমাজ ও দেশের জন্য কলঙ্ক শোরুম এই শ্রেণীর ব্যক্তি সৃষ্টিকর্তার কাছে ঘৃণিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।
বন্ধুরা আমার লেখা টি আপনাদের কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আমার লেখার মধ্যে যদি কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন আবার ব্লক টি ভিজিট করার জন্য আপনাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ আল্লাহ হাফেজ।

