হ্যালো বন্ধুরা,
আসসালামু আলাইকুম, সবাই কেমন আছেন?আশা করি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে আমিও ভাল আছি। আজ আমি আপনাদের সাথে খুবি গুরত্তপূর্ণ একটি টিপস শেয়ার করব আজকের বিষয়টি হলো আমাদের যুব সমাজ দিন দিন গেমের প্রতি আসক্ত হয়ে যাওয়ায় সমাজে এবং পরিবারের প্রভাব সম্পর্কে। আশা করি বন্ধুরা আমার লেখা টি আপনাদের ভালো লাগবে।
বর্তমান সময়ে বিজ্ঞানের নানান রকম উন্নতি সাধিত হয়েছে যার ফলে এখন প্রত্যেকটি মানুষের কাছে মোবাইল অথবা ল্যাপটপ হাতের নাগালে চলে এসেছে এর ফলে ছেলেমেয়েরা ইন্টারনেট ব্যবহার করে নানান রকম সোশ্যাল মিডিয়া ও মোবাইল গেমিং এর প্রতি আসক্ত হচ্ছে যেটি আসলে আমাদের যুব সমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে।
আজকের যুব সমাজ শতকরা 90% ছেলে মেয়েরা তাদের হাতে 12 বছর পার হওয়ার পরেও তারা মোবাইলের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে এরাম মোবাইল ছাড়া এক মিনিটও চলতে পারে না খেতে বসতে মোবাইল সব সময় এদের হাতে থাকে আসলে এটি খুবই দুঃখজনক একটি বিষয় বর্তমান সময়ে ছেলেমেয়েরা মোবাইল ইন্টারনেটের কাজে লাগিয়ে গেমিং এর প্রতি খুব বেশি আসক্ত হয়ে পড়ছে তারা তাদের বেশিরভাগ সময়টা মোবাইলের মাধ্যমে গেমিং করে সময় অতিবাহিত করে থাকে আগের ছেলেমেয়েরা বাইরে আউট গেম খেলতে কিন্তু এই মোবাইলের যুগে এসে ছেলেমেয়েরা আউটডোর গেমগুলো থেকে নিজেদেরকে সরিয়ে সারাক্ষণ মোবাইলের দিকে তাকিয়ে থাকে এবং মোবাইল কে কাজে লাগিয়ে গেমিং খেলে থাকে।
অতিমাত্রায় ছেলেমেয়েরা মোবাইল ব্যবহার করার ফলে তাঁদের খুব দ্রুত চোখ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে চোখের নানা রকম অশোক দেখা দিচ্ছে কারণ মোবাইল অতিমাত্রায় ব্যবহার করা কখনই উচিত নয় এটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিন্তু আমাদের ছেলেমেয়েরা আজকাল একটি মিনিট মোবাইল ছাড়া চলতে পারে না এদেরকে যদি মোবাইল ছাড়া চলতে দেয়া হয় তাহলে এরা এক মিনিট চলতে পারবে না কারণ এরা মোবাইলের সাথে আসক্তি ওহে পড়েছে তারা খেতে বসছি ঘুমাতে মোবাইল ব্যবহার করে থাকে।
ছেলেমেয়েরা এখন সবচেয়ে বেশি গেমিং এর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছে এরা গেমিং একটি মিনিট সময় পেলেও গেমে খেলতে লেগে যায়।বর্তমান সময়ে ছেলেমেয়েরা পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী হওয়ার মূল কারণ হলো এই মোবাইলের মাধ্যমে গেম খেলা কারণ এখন শত খারাপ 90% ছেলে মেয়ের হাতে মোবাইল থাকে সে তো সহজলভ্য মোবাইলটাকে এরা ইন্টারনেট ব্যবহার করে নানান রকম গেম খেলে থাকে এবং সময়কে অপচয় করে থাকে এরা সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে পারে না যার ফলে ছেলেমেয়েরা আজকে অধঃপতনের শেষপ্রান্তে এসে পৌঁছাচ্ছে।
এখনকার ছেলেমেয়েরা লেখাপড়ার প্রতি অনেক বেশি অমনোযোগী কারণ এরা মোবাইলকে বেশি সময় দিয়ে থাকে পড়াশোনার প্রতি এত বেশি সময় দেয় না কিন্তু এখান থেকে 10 বছর আগেও আমরা দেখেছি ছেলেমেয়েরা পড়াশোনার প্রতি অনেক বেশি মনোযোগী ছিল পড়াশোনার পাশাপাশি তারা আউটডোর গেমগুলো খেলে তাদের শরীর চর্চা হতো এবং মানসিকভাবে তাদের বিকাশ ঘটতো কিন্তু এখনকার বর্তমান সময়ে ছেলেমেয়েরা যত দিন যাচ্ছে আধুনিকতায় ভরপুর হচ্ছে আমাদের ছেলেমেয়েরা ঘরমুখী হয়ে পড়ছে এবং নানান রকম মোবাইল গেম কম্পিউটার গেমের সাথে নিজেদেরকে জড়িয়ে ফেলছে এগুলো আসলে অনেক বেশি ক্ষতিকর কারণ ছেলেমেয়েরা যদি শারীরিক ব্যায়াম না করে খেলাধুলার মাধ্যমে তাদের অনেক বেশি শারীরিক ব্যায়াম হয়ে থাকে আউটডোর গুলোতে কিন্তু তারা যদি ঘরের ভিতর সময় গুলো কাটায় তাহলে সেটা সম্ভব হয়ে ওঠেনা।
প্রত্যেকটা ছেলে-মেয়ের লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত দিনদিন পড়াশোনার প্রতি অনেক বেশি অমনোযোগী হয়ে পড়ছে শুধুমাত্র এই মোবাইলে গেমিং এর মাধ্যমে এরা সময় দিলেন অর্ধেকের বেশি সময় মোবাইল নিয়ে গেম খেলে থাকে যার ফলে আসলে এদের মানসিক ও অনেক বেশি সমস্যা দেখা দেয় কারণ আপনি যদি অতিমাত্রায় মোবাইল ব্যবহার করেন এটি আপনার শরীরের জন্য ব্রেইনের জন্য অনেক বেশি প্রভাব পড়বে কারণ অধিক মাত্রায় মোবাইল ব্যবহার করা কখনোই আমাদের কাম্য নয় কারণ এটি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য হানিকর তাই আপনাকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে এবং অতিমাত্রায় মোবাইল ব্যবহার করা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে।
অবশ্য আমাদের পরিবারগুলোকে বেশি বেশি সচেতনতা লাভ করতে হবে কারণ আপনার ছেলেমেয়েকে উপযুক্ত বয়স হওয়ার আগে হাতে মোবাইল দিয়ে দিলে আপনার সন্তান অল্প বয়সেই তাদের চোখের সমস্যায় ভোগে এবং ব্রণের সমস্যায় পড়বে কারণ অতিমাত্রায় মোবাইল ব্যবহারকারীরা তারা অল্প বয়সে তাদের নানা রকম সমস্যায় ভুগে থাকেন।
আমরা অবশ্যই চেষ্টা করব যেন আমাদের ছেলেমেয়েদের উপযুক্ত বয়স হওয়ার আগে তারা মোবাইলফোন তাদের হাতে না দেওয়া এবং তাদের সঠিকভাবে পরিচর্যা করা কারণেই গেমিং আসক্তির ফলে ছেলেমেয়েরা নানারকম মানসিক সমস্যায় ভুগতে থাকে আপনি যদি এদেরকে ইন্টারনেট কিনতে টাকা দিতে ব্যর্থ হন তাহলে আপনি দেখবেন এরা পরিবারের সাথে খারাপ আচরণ করবে পিতা-মাতার সাথে খারাপ আচরণ করতে পারে তাই আপনাদেরকে এখনই সচেতনতা আলাপ করতে হবে না হলে এই ছেলে মেয়েরা গেমিং আসক্তির ফলে নানা রকম খারাপ কাজের সাথে লিপ্ত হয়ে পড়তে পারে।
তো বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই সকলে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন এই প্রত্যাশা রইল সকলের প্রতি। আমার ব্লগ টি কেমন হল অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।
ব্লগ টি ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ।

