১৯৭০ থেকে ৭১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য দ্বারা মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করা ছিল এ সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য।
বাঙালি কর্মকর্তাদের নিয়ে সরকারের প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করেন। এতে মোট ১২ টি মন্ত্রণালয় বিভাগ ছিল এগুলো হচ্ছে প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয় সাধারণ প্রশাসন স্বাস্থ্য ও কল্যাণ বিভাগ ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগ প্রকৌশল বিভাগ পরিকল্পনা কমিশনের নিয়ন্ত্রণ বোর্ড ইত্যাদি। মুজিবনগর সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরের বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন করে।
এসব মিশন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে। সরকার বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী কে বিশেষ দূত নিয়োগ দেয়। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্ব নেতৃত্ব জনগণের সমর্থন আদায়ের জন্য কাজ করেন। ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সামরিক-বেসামরিক জনগণকে নিয়ে একটি মুক্তিযুদ্ধ বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ১৯ এপ্রিল সরকার চারটি সামরিক জন্য বাংলাদেশকে ভাগ করে চারজন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে। ১১ এপ্রিল তা পুনঃনির্ধারিত করে ১১ টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। এছাড়া বেশকিছু সাব-।
এসব বাহিনীতে দেশের ছাত্র যুবক নারী কৃষক রাজনৈতিক দলের কর্মী সমর্থক শ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিল। বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে মুক্তিযুদ্ধের সরকারের অধীন বিভিন্ন বাহিনীর ছাড়াও বেশ কয়েকটি বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে উঠেছিল। এসব সংগঠন স্থানীয়ভাবে পাকিস্তানি বাহিনী এবং রাজাকার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল।
ধন্যবাদ সকলকে আমার লেখাটি পরিদর্শন করার জন্য।

