Serey Weekly Writing Contest - 7 - my most favourite movie

E
emilyben

আমি বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি, তামিল ও উর্দু ভাষার বিভিন্ন মুভি দেখি। এখন সব থেকে তামিল ভাষার মুভি গুলো বেশি দেখা হয়৷ কারণ মুভি গুলোতে অনেক বেশি থ্রিলার। কিন্তু আমার সব থেকে পছন্দের মুভি বেবিস ডে আউট। এই মুভিটা দেখলে আমি মনে করি প্রতিটি মানুষের মন ভালো হয়ে যাবে। কারণ এই মুভিটা অনেক বেশি হাস্যরসাত্মক। এই মুভিটাতে নেই কোনো আপত্তিকর ছিনারি। ফ্যামিলির সবাই একসাথে বসে অনায়সে আপনি এই মুভিটা দেখতে পারবেন। 

 

মুভিটার প্রতিটি মিনিট মূল্যবান। এই মুভিটা আমি যেদিন প্রথম দেখি সেদিন আমার মনটা অনেক খারাপ ছিল। হঠাৎই ওই মুভিটা টেলিভিশনে আমার চোখে পড়ে এবং আমি সম্পূর্ণ দেখি। সেদিন একা একা একা এত হেসেছিলাম যা বলার বাইরে। একটা ছোট বাচ্চার মিষ্টি কাহিনী দিয়ে ভরপুর মুভিটি। 

 

১৯৯৪ সালের পহেলা জুলাই এই মুভিটি আমেরিকায় প্রথম রিলিজ হয় এবং এর ডিরেক্টর প্যাট্রিক রিড জনসন। সন্তানের প্রতি একজন মার ভালোবাসা, স্নেহ, মমতাও এই ছবিতে ফুটে উঠেছে। নিজ সন্তানের অনুপস্থিতি শুধু একজন মাকে শুধু কাঁদায় নি। তার জন্যে রাখা আয়া ও তার মনিবদের আড়ালে কান্না করে। বাচ্চা টাকে ছলনা করে তার মার থেকে নিয়ে যায় তিনজন কিডন্যাপার। কিন্তু তারা শান্তিতে থাকতে পারেনি ওই তিনজনের জীবনকে জাহান্নাম বানিয়ে ছাড়ে ওই ছোট বাচ্চাটি। শপিংমল থেকে শুরু করে চিড়িয়াখানা পর্যন্ত কোথায় নিয়ে যায়না ওই ছোট শিশুটি। শেষ পর্যন্ত এমন কিছু মানুষের কাছে নিয়ে যায় যেখানে কিনা তাদের সঙ্গ দেওয়ার কেউ ছিল না। ওই শিশুটি গিয়ে সব বৃদ্ধগুলোকে সঙ্গ দেয়। বৃদ্ধদের একাকিত্বও কতটা কষ্টকর এবং শ্বাসরুদ্ধকর সেটাও ফুটে উঠে। শেষ পর্যন্ত চোর গুলোও তাদের করা অপরাধ বুঝতে পারে। তাদের অনুশোচনা হয়। সর্বশেষ সবার মুখে একটা কথাই উচ্চারিত হয় আর সেটা হলো boo boo..

 

কেউ যদি এই মুভিটি না দেখে থাকেন তাহলে অবশ্যই দেখবেন। মন ভালো করতে এই মুভিটির অনেক কার্যকারিতা। আমি জীবনে এই মুভিটি কতবার দেখলাম তার কোনো হিসেব নেই।

Comments