লালশাক রান্নার অভিজ্ঞতা

E
emilyben

আমি কখনো লাল শাক রান্না করেছি কিনা জানিনা। আর মা এখন অসুস্থ তাই আমাকে সব ধরনের রান্না করতে হচ্ছে। গতকাল আমার ছোট বোন নিজে বাজার করে এনেছে । আমার সকালে উঠে রান্না করতে ভালো লাগেনা তাই আমি সকালের জন্যে রাতেই বেশি রান্না করি। আর সকালের জন্যে শুধু আমি শীতেই রান্না করি গরমে করিনা। কারণ গরমে সকালে ঘুম থেকে উঠা কষ্টকর নয়।

সন্ধাবেলা আমি লালশাক পরিষ্কার করে ধুয়ে ছোট ছোট করে টুকরো করে রেখে দিই। প্রায় এক ডালা লালশাক হয়। আমি কড়াইতে দেওয়ার পরেও এক কড়াই হয় তাই আমি না বুঝেই অনেকখানি লবণ দিয়ে ফেলি। আমি আবার লবণ দিই কম হবে বলে। আমি আবারও লবণ দিই। কিছুক্ষণ শাক জ্বালানোর পরে দেখি শাক কমে যাচ্ছিল। শাক বসানোর আগে আমার একটুও খেয়াল হয়নি যে শাক কমে যাবে। আমি বেশি শাক দেখে বেশি মানে অনেক বেশি লবন দিয়ে ফেলেছি।

 

প্রথম শাক রান্নায় শুধু লবন বেশি দিয়ে ফেলেছি তাই নয় পানিও শাক যতখানি ততখানি পানিও দিই।শাকের পানি শুকাতে গিয়ে শাক ভাজি নয় ঘন্ট করে ফেলেছি। শাকে রান্না শেষে শাক যখন একেবারেই কমে গেছে আমি তখন লবণ দেখি। শাক মুখে নেওয়ার পর সাথে সাথে আমি শাক ফেলে দিয়ে কুলি করতে বাধ্য হয়। 

আমার মা আমার শাক রান্না দেখে হতবাক হয়ে গেছে। মা বলছে আমি কাকে শাক ভাজতে দিলাম তার থেকে নিজে রান্না করলেই অন্তত শাক খাওয়া যেত নষ্ট হতো না। আমি অনেক কিছু রান্না করতেমপারি কিন্তু শাক রান্না করার অভিজ্ঞতা এই প্রথম হলো।

Comments