আমি আজ প্রথম অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ক্লাস করতে কলেজ গিয়েছিলাম। অনার্স ফ্রাস্ট ইয়ারে তেমন একটঅ কৃলাস করিনি তাই এবার ভেবেছি একটু বেশি ক্লাস করবো। বেশি ক্লাস করলে পড়াশোনার একটু চাপ থাকে তাই রেজাল্টও ভালো হয়। এবার আমার যে কতটা খারাপ রেজাল্ট হবে আমি ভেবেই৷ পাচ্ছি না। তাই প্রাইভেট এবং কলেজে ক্লাস খুব মনযোগ দিয়ে করবো পাশাপাশি বাসায় নিয়মিত পড়াশোনা করবো। সময় যত যাচ্ছে বুঝতে পারছি ইহকালিন জ্ঞান অর্জন করাও অত্যান্ত আবশ্যক।
আমার কোনো পরিচিত আশেপাশের বোন আমাট সাথে আমার ডিপার্টমেন্টে পড়ে না। তাই স্বাভাবিক ভাবেই আমি আমার একা একা কলেজে যেতে ক্লাস করতে ভালো লাগেনা। আমার মাধ্যমিকে পড়ার সময়ের এক বান্ধবীর সাথে বেশ কিছুদিন ধরে যোগাযোগ হয়েছে যে তারও কলেজে যাওয়ার মতো তাকে সঙ্গ দেওয়ার মতো কেউ নাই। একজন ছিল তারও বিয়ে হয়ে গেছে কিছুদিন আগে। তাই তার সাথে কথা বলে আমরা দুইজন একসাথে কলেজে যায়। কিন্তু আজ কলেজে যাওয়ার ফলাফল হলো শূন্য।
কলেজে যাওয়ার পর প্রায় এক ঘন্টা আমরা দুইজন এবং আরও কিছু মেয়েরা বসে ছিলাম।তারপর ভাইস প্রিনসিপাল স্যারের কাছে যাই যে আমরা বসে আছি কলেজে এসে অথচ কোনো স্যার ম্যাম নেই ক্লাস নেওয়ার। তিনি খোজ খবর নিয়ে আমাদের জানালেন যে স্যারের ক্লাস ছিল ওই সময়ে ওই স্যার ছুটিতে আছে। তাই পরবর্তিতে ক্লাসের সাবজেক্ট এবং কোন স্যার বা ম্যাম ক্লাস নেন শুনে তার কাছে কল দিয়ে আমাদের অবগত করলেন যে পাঁচ মিনওটের মধ্যেই উনি আসছে তোমরা বসো। আমরা বসলাম পাঁচ মিনিট, দশ মিনিট, পনেরো মিনিট, বিশ মিনিট অতঃপর স্যার আসলেন না। আমরা বিরক্ত হয়ে চলে আসলাম।
এই হলো বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া স্টুডেন্ট এবং টিচারদের অবস্থা। এভাবে চললে স্টুডেন্টরা কতটা সামনে আগাবে ভালো রেজাল্ট করবে সেটাই ভাবার বিষয়।

