আধুনিক প্রযুক্তি মানবতার অকল্যাণে ব্যবহৃত হচ্ছেঃ- আধুনিক যুগ হচ্ছে তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হচ্ছে এই তথ্য ও প্রযুক্তি যাদের হাতে রয়েছে। তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিল কিংবা উদ্দেশ্যমূলকভাবে মানবতার কল্যাণের পরিবর্তে অকল্যাণে ব্যবহার করছে।
ফলে অনেক জনপদ ধ্বংস হচ্ছে, আশরাফুল মাখলুকাত বনি আদম তারা নির্মম শিকার হচ্ছে। জাপানের হিরােশিমা নাগাসাকিতে এটম বােমা নিক্ষেপ এবং আফগানিস্তান, ইরাক ও ফিলিস্তিনে আধুনিক মারণাস্ত্রের নির্মম প্রয়ােগ তারই জ্বলন্ত একটা প্রমাণ।
বিশ্বে অশান্তির আগুন জ্বলছেঃ- বর্তমান বিশ্বে কী দেখা যায়? চারদিকে শুধু অশান্তির দাবানল জ্বলছে। সবল মানুষেরা দুর্বল মানুষের উপর অত্যাচার করছে, তাদের সহায় সম্পদ লুণ্ঠন করছে। অনুরূপভাবে শক্তিশালী রাষ্ট্রসমূহ কর্তৃক দুর্বল রাষ্ট্রসমূহের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
কেননা যাদের হাতে আধুনিক প্রযুক্তি রয়েছে তাদের আদর্শিক প্রতিদ্বন্দ্বীর হাতে তাদের মতাে তথ্য ও প্রযুক্তি না থাকায় তারা শঙ্কাহীন চিত্তে দাপট দেখাচ্ছে, হুমকি ধমকি দিচ্ছে, আক্রমণ করছে, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব লুণ্ঠন করছে।
বিশ্বে শক্তির ভারসাম্য নেইঃ- জ্ঞান, বিজ্ঞান ও দক্ষতায় পাশ্চাত্য অনেক অগ্রসর আর মুসলমানরা তাদের চেয়ে পিছনে থাকার কারণে বিশ্বে শক্তির ভারসাম্য নেই। তাই তারা মুসলিম দেশে আগ্রাসন পরিচালনা করতে দ্বিধা করছে না।
এভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলিম নির্যাতনের পেছনে মৌলিক কারণ হচ্ছে সমরশক্তিতে মুসলমানরা অমুসলিমদের তুলনায় একেবারেই দুর্বল। মুসলিম বিশ্ব ও পাশ্চাত্যের সমরশক্তির অনুপাত ৩: ৯ মাত্রা। মুসলিম বিশ্ব যদি জ্ঞান বিজ্ঞানে তাদের চেয়ে অগ্রসর হতাে তাহলে তাদের পরাজয় সুনিশ্চিত ছিল ইনশাআল্লাহ।

