****আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।***
আশা করি সবাই ভালো আছেন সুস্থ আছেন । আর যারা যারা অসুস্থ আছেন তাদেরকে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ করে দেয় আমি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে আরেকটা নতুন একটা ভূতের গল্প নিয়ে এসেছি ।আশা করি আপনাদের খুবই ভালো লাগবে। সেটা সম্পূর্ণ আমার জীবনে ঘটে যাওয়া। আসলে মনে করে কি ভূত বা পেত্নী এটা কিছুই না কিন্তু আমি যেটা দেখেছি সেটা অবিশ্বাস করি কেমনে আমার বাবা চট্টগ্রাম কলেজের এবং হোস্টেলের সেখানকার বাবুর্চি ছিলেন ।তবে এখন বর্তমানে নেই যাইহোক যেটা বলতে চাইছি ।একদিন সন্ধ্যাবেলা বাবা কাছে যাওয়ার সময়। আমরা দুই ভাইবোন গিয়েছিলা যখন বাবা ওখানে গিয়েছিলাম তখন ওই জায়গাটা কেউ ছিলনা শুধুমাত্র আমরা দুই ভাইবোন ছিলাম সেখানে যেতে কিছু গাছ ছিল পিছনের টা বড় আম গাছ ছিল তারপর সেখানে রান্নাঘরের দরজাটা যখন খুলতে আমি গিয়েছিলাম তখন হঠাৎ করে দরজাটা নিজে নিজে খুলে গেছে হঠাৎ করে আমার সামনে অদ্ভুত একটা লোক আমার সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে তখন আমি ছোট ছিলাম তবে বুঝতে পারিনি তবে আমার বড় বোন ছিল কিছুটা বুঝতে পেরেছিল । তারপর হঠাৎ করে সেই লোকটার দিকে তাকালাম তবে আমি তো ছোট ছিলাম সেই লোকটার শরীরের দিকে তাকায় ছিলাম। তে উপরের দিকে তাকানোর পরে দেখি তার মাথাটা নেই শুধু দেহ টা আমার বোন বলে তখন ভাই এখনও এখান থেকে দৌড়া বিনা আমরা দুই ভাইবোন তখন জোরে একটা দৌড় দি এক দৌড়ে বাসায় আসে কান্না করতে শুরু করলাম তখন মা বলে কি হইছে তোদের আমরা বলি মা এরকম এরকম হয় দেখলাম তারপরে বাবা এসেছিল বলো যে কি হইল আমরা বললাম ঘটনাটা যে তোরা সন্ধ্যার দিকে ওই জায়গায় গিয়েছিলে কেন জায়গাটা ভালো না। যাই হোক আমার জীবনে আরেকটা এরকমের ভূতের দেখা পেয়েছিলাম যখন নানা বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলাম তখন আমার আম্মু অনেক অসুস্থ ছিল তবে উনি একটু হুজুর ফকির দের বিশ্বাস করতে বেশি একদিন সন্ধ্যাবেলা আমাকে মা বলে তুই কি আমার সাথে একটু যাবে আমি বললাম কোথায় মা মা বলল যে একটু হুজুরের কাছে যাব মা তার আগে তার বোনদের বলল যে আমার সাথে একটু চল হুজুর দের বাসায় আমার খালামণিরা কেউ তার কথা শুনে নে তারপর আমাকে নিয়ে চলে গেল সেখানে হেঁটে হেঁটে গেলাম কিন্তু রাস্তাটা ছিল দুই পাশে জঙ্গল পাশ দিয়ে অনেক বড় বড় বিল হঠাৎ তিন রাস্তা মোড় যাওয়ার সময় কোন কিছু হয়নি তারপর যেতে যেতে সন্ধ্যা হয়ে গেল। আসার সময় সন্ধান আঘাতে আমরা সেই হুজুরের বাসা থেকে আসার সময় হেটে যখন ওই তিন রাস্তার মোড়ে পড়লাম হঠাৎ করে একটা দমকা হাওয়া আসলো প্রচন্ড পরিমাণের বাতাস ছুটতে লাগল আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় তারপর আমি খুব ভয় পাই মাকে বলি মা আমরা আবার হুজুরের বাসায় চলো না বলে না তুই সামনের দিকে হাট আর জিকির কর আমি বলছি আচ্ছা মা হঠাৎ তিন রাস্তা মোড় পার হলাম সামনের জঙ্গল থেকে তাকালো শাড়ি পড়ে কে জানি আমাকে ডাকতেছে তখন বুঝলাম কি জানে ডাকতেছে কিন্তু প্রচন্ড বাতাসের বেগে আমি বুঝতে পারিনি বিলের মাঝখান থেকে আমাকে ডাকতেছে আমি মাকে বলি মা তুমি আমার সাথে যাও আমি দৌড় দিয়ে বাসায় যাইতেছি পরবর্তীতে দেখলাম যে আমি আসলে মহিলারা তারপর মা বলতেছে তুই সামনের দিকে তাকাইয়া হাট যা দেখার আমি দেখেছি তবে আমার আম্মুর অনেক সাহস ছিল তারপর নানা বাড়ির রাস্তা পড়লাম তখন হঠাৎ বাতাস বিদ্যুৎ চমকানোর সব বন্ধ হয়ে গেল তারপরে নানার ঘরে বসলাম মা তারপর আমাকে কাছে ডেকে নে বলে তুই কি ভয় পাইছো আমি বলি না তখন তো আমি কিছু বুঝলাম না তারপর আমার খালামনিরা বলে কি হয়েছিল বলে যে এরকম এরকম এর আমাদের শয়তানে ডাক দিয়েছিল সেটা ও দেখছে তার কারণে বলছি। আজ এই পর্যন্তই সমাপ্ত তবে যারা দেখছেন তারাই বুঝতেছেন সে হয়তো এখন আমার সামনে শয়তান পড়ে না। জানিনা আপনাদের কতটা ভালো লাগবে। এ পর্যন্ত সমাপ্ত আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ অবারাকাতু।
খোদা হাফেজ।***

