হিজরতের পথ

A
arif567
হিজরতের পথ ঃ তিনি আপন বাহিনীকে হিজরতের প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিলেন এবং কোন পথে হিজরত করবেন তা স্থির করে ফাতাহ খানকে ডেকে বললেন যে, আমরা ঈমানের ঝাড়া বুকে নিয়ে মীনাই, টোপেই ও খব্বল হয়ে বেরিয়ে যেতে চাই। কেননা পথটি সমতল তাই কামানগুলো বহনের জন্য সুবিধাজনক। তুমি এসব এলাকার খানদেরকে জানিয়ে দাও যে, তারা যেন আমাদের যাওয়ার পথে কোন অসুবিধা শাসকদের মনপুতঃ নয় যে, আপনি এ পাথে গমন করেন। বস্তুতঃ এ সকল এলাকায়ও পাইকারীভাবে মুজাহিদদেরকে হত্যা করা হয়েছিল। তাই তারা এই আশংকায় এ পথে মুজাহিদ বাহিনীর যাওয়ার প্রস্তাবে সম্মত হয়নি যে, যদি মুজাহিদরা এসব এলাকায় আক্রমণ করে বসে। অতএব তিনি দুর্গম পাহাড়িয়া পথে নদী ও পাহাড়ের চড়াই উৎরাই অতিক্রম করে কাংগলাই নগরী ও বুটেরীর মনজিল অতিক্রম করে কাবুলের পথে রওয়ানা হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। হিজরতের এ সফর শুরু করার পূর্বে তিনি মুজাহিদবাহিনীর সদস্যদেরকে এ মর্মে স্বাধীনতা দিয়েছিলেন যে, যাদের ইচ্ছা আপন সুবিধা মত চলে যেতে পার। কারণ আমাদের এ সফর হবে জীবন জিন্দেগীর ফায়সালার সফর। তাছাড়া পথ হবে অত্যন্ত দুর্গম ও কষ্টকর। পথে খানাপিনার কষ্টও হবে সীমাহীন। আর যারা কষ্টসহ্য করেও আমাদের সঙ্গে যেতে চাও তারা মালামাল হালকা করে ফেল এবং প্রস্তুতি গ্রহণ কর। কিন্তু কেউই তার সঙ্গ ছেড়ে চলে যেতে সম্মত হয়নি সফরের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে ১৯৪৬ হিজরীর রজব মাসের কোন একদিন আল্লাহর রাহে নিবেদিত এই বিশাল বাহিনী পাঞ্জতার ছেড়ে জীবন জিন্দেগী খোদার রাহে উৎসর্গ করণের অদম্য আবেগ নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। পথে পথে স্থানীয় খানদের অনেকেই এসে তাঁর সাথে দেখা করে এবং সফর মুলতব্য করে তাঁকে আবার পাঞ্জতারে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানায়। কিন্তু সবাইকে তিনি • আন্তরিকতা প্রদর্শন করেন এবং এই বলে বিদায় দেন যে, সে সময় অনেক আগেই পার হয়ে গেছে। বুটেরী থেকে রওয়ানা হয়ে তিনি পিওয়াড় পাহাড় ডিঙ্গিয়ে কর্ন নামক মৌজায় অবস্থান গ্রহণ করেন। ফাতাহ খান পাঞ্জাতারী এ পর্যন্ত তার সঙ্গে ছিল। এখান থেকে সে ফিরে যায়। কর্ণ থেকে যাত্রা করে সিন্ধু নদ পার হয়ে কাবুলে পৌঁছে তিনি দু'রাকাআত শুকরানা নামায আদায় করেন এবং বলেন, আল্লাহ পার আমাদেরকে নেকড়ের পাঞ্জা থেকে নিরাপদে বের করে এনেছেন। তোমাদেরাকে আমি এখন বলছি যে, সামাহ অঞ্চলের সকল হাঙ্গামা ও রক্ত পাতের মূলে ছিল এই ফাতাহ খান। কিন্তু তাকে যে আমি খিলাফত দিয়েছি তা কেবল পরিস্থিতি সামলানোর প্রয়োজনেই। অবশ্য এই বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের পর অনেকেই শহীদদের বদলা নেওয়ার জন্য আমার কাছে অনুমতি প্রার্থনা করেছিল; কিন্তু আমি এ ব্যাপারে অনুমতি দেই নি। কারণ সেটা তখন খুবই ঝুকিপূর্ণ ছিল। তাছাড়া আমরা গোটা ব্যাপারটাই পরওয়ার দিগারের হাতে সোপর্দ করে দিয়েছিলাম। নাসির খানের শাসনাধীন এলাকায় পৌঁছলে তুষারপাতের সময় ঘনিয়ে আসে। স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে পরামর্শ করলে তারা তুষারপাতের এ সময়টুকু তাদেরকে রাজদোয়ারী মওজায় অবস্থানের প্রস্তাব দেয়। রাজদুয়ারীতে অবস্থান কালে সা'আদাত খানের পুত্র হাবীবুল্লাহ খান তার সাথে সাক্ষাত করতে আসে। বালাকোট ও মুজাফফরাবাদের মধ্যবর্তী অঞ্চলে ছিল তার গড় যা শিখরা জোন করে দখল করে নিয়ে তাকে সেখান থেকে উচ্ছেদ করে দিয়েছিল। নাসির খানের সাথে তার পূর্ব থেকে শত্রুতা ছিল। সাক্ষাত করতে আসলে তিনি তাদের দু'জনকে বুঝিয়ে দু'জনের মাঝে সম্প্রীতি সৃষ্টি করে দেন। অতঃপর জিহাদ ফী সাবীলিল্লার কার্যক্রম শুরু করার পথ উদ্ভাবনের জন্য দু'জনকেই অনুপ্রাণীত করেন। তিনি তাদেরকে স্থানীয় গ্রাম ও বস্তিগুলো থেকে টাকার বিনিময়ে মুজাহিদদের জন্য খাদ্য সরবরাহ করার ব্যবস্থা করে দিতে বলেন। এই দুই নেতার ব্যবস্থাপনায় পার্শ্ববর্তী গ্রাম ও বস্তিগুলো থেকে মুজাহিদদের জন্য খাদ্যশস্য আসতে শুরু করে। এসেছি এমন পরাম আসার পারে হউক যেখাে সেখাে তারা সহযে তাদে উপর তাজন আপ্পা অধিন নিজে রওয় প্রবে বালা সময় শিখে নিয়ে নাজু রাজ্য ान নেয় দিরা কর্তআ

Comments