দেওবন্দ আন্দোহ ত্য অবদান- ১৪
আমাল ও আখলাকের প্রশিক্ষণ দানের মাধ্যমে ইসলামী ভাবাদর্শের বাস্তব প্রতিফলন ঘটানো। ইসলামের ব্যাপক প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে সমাজের
সম্মত কর্মপন্থা অবলম্বন এবং খায়রুল কুরুনের (সাহাবাগণের ন্যায় আখলাকী ও আমলী চেতনা সর্ব দেওয়া 8. সরকারী প্রভাব মুক্ত থেকে ইসলামী শিক্ষা-দীক্ষা
স্বাধীনতাকে অক্ষুণ্ণ রাখা। দ্বীনি শিক্ষার ব্যাপক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে এসবরে শিক্ষ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা, এবং সেগুলোকে উলুমের সাথে সংশ্লিষ্ট করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
দারুল উলুমের সুদীর্ঘ কালের মুহতামিম হাকীমুল উম্মাহ হযরত
তাইয়্যিব রাহ. দারুল উলুমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নিে
শিরোনামে তা উল্লেখ করেছেন।
১. মাজহাবিয়াত অর্থাৎ মাজহাব ও আদর্শের পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠা। সায়েম আযাদী বা সামগ্রিক ও চিরস্থায়ী স্বাধীনতা অর্জন।
মেহনত পছন্দী ও সাদী বা পরিশ্রমী ও লৌকিকতা বিবর্তিত হ জীবনধারা অবলম্বনের অভ্যাস গঠন
8 আখলাক ও বুলন্দ কিরদার বা আত্মিক ও নৈতিক চরিত্রের উৎকর্ষ সা ও এক্ষেত্রে অনুপম নমুনা তৈরী। ইনহিমাকে ইলমী বা শিক্ষাদীক্ষায় আত্মমগ্নতার পরিবেশ গড়ে তোলা।
কারী তাইয়্যিব রাহ. নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে এই পাঁচটি শিরোনামের
মাঝ দিয়ে দারুল উলূমের লক্ষ্য উদ্দেশ্যের অতিসূক্ষ্ম ও পাণ্ডিত্যপূর্ণ ব্যাখ্য
দিয়েছেন। তাঁর এই ব্যাখ্যার মাঝ দিয়ে দারুল উলূমের একটি বাস্ত
বস্তুতঃ দারুল উলূম তার শিক্ষার্থীদের মাঝেঝ এক দিকে যেমন দ্বীনী ইলমের ক্ষেত্রে গভীর পাণ্ডিত্য সৃষ্টির প্রয়াস গ্রহণ করেছে তেমনি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আমোদ শরীয়ত ও হামেলে দ্বীন হিসাবে গড়ে তোলার চূড়ান্ত প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে। স্বদেশের স্বাধীনতার চেতনায় অনুপ্রাণিত করে দেওয়া হয়েছে প্রতিটি শিক্ষার্থীর অন্তরকে। যাতে জিহাদ বিস-সাইফের পরিবর্তে তারা তাদের চারিত্রিক ও আদর্শিক চেতনার শাণিত তরবারীকে কাজে লাগিয়ে দ্বীনের হিফাযত করতে স্বদেশের স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়, যেন মসি হয়ে উঠে অসির চেয়ে ক্ষুরধার, বক্তৃতার প্রতিটি বাক্য যেন হয়ে উঠে বুলেটের চেয়ে বেগবান, তাদের

