SOURCE
নিজেদের স যে বর্তমানের চেয়ে ভবিষ্যত হয়ে পড়বে আরি ইংরেজদের নির্মম হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়ে তাদের আে বরণ করেছেন। ফলে নেতৃত্বের জন্য আত্মসচেতন বলিষ্ঠ ভ অনুভূত হয় তীব্রভাবে। এমতাবস্থায় ान পরামর্শের পর আপাত স্বশস্ত্র সংগ্রামের কর্মপন্থা স্থগিত রেখে সাম্রাজ্যবাদ আন্দোলনের বলিষ্ঠ চেতনায় উ নিচে একদন আত্মত্যাগী সিপাহ সালার তৈরির মহান লক্ষকে সামনে রেখে দ্বীনি ইলম ও ইসলামী তাহযীর ও তামাদ্দুনকে সংরক্ষণ ও তার জাচার বাসারের সুমহান উদ্দেশ্যে হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কীর ইঙ্গিতে কাসেম নানুতবী রহ. এর নেতৃত্বে এবং আযাদী আন্দোলনের অগ্রসেনানী যুগশ্রেষ্ঠ বুজুর্গানেদীনদের হাতে উত্তর প্রদেশের সাহারপুর জেলার দেওবন্দ নামক ক্ষুদ্র একটি ঐতিহাসিক ছাত্রা মসজিদের প্রাঙ্গনস্থ একটি ডালিম গাছের ছায়ার বর্তমান বিশ্বের ইসলামী শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র বলে পরিচিত ঐতিহাসিক দারুল উলুম দেওবন্দ-এর গোড়া পত্তন করা হয়।
মহান প্রতিষ্ঠাতারা বুঝে ছিলেন যে, আদর্শ সচেতন একদল কর্মী তৈরী করে তাদের মাধ্যমে আন্দোলনের স্রোতকে সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়া সহজ হবে। নিঃসন্দেহে। তাই চরম দৈন্যদশার মাঝেও কোনরূপ সরকারী সহযোগিতা ছাড়াই সম্পূর্ণ রূপে আল্লাহর রহমতের উপর ভরসা করে এবং মুসলিম জনসাধারণের স্বতঃস্ফুর্ত দানের উপর ভিত্তি করে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে তাঁরা গড়ে তুললেন এ প্রতিষ্ঠানটিকে।
সে দিন থেকে শুরু হল আযাদী আন্দোলনের আडেক নয়। অধ্যায়। পাঠদানের পাশাপাশি আধানীর দীক্ষাও চলতে থাকল। একটি সর্বজনীন ঐক্যের প্রক্রিয়াকে সামনে রেখে তৈরি করা হল এর তা'লীম ও তরবিয়াতের অবকাঠামো। ফলে অল্প দিনেই এ প্রতিষ্ঠানের সুনাম-সুখ্যাতি ও সর্বজনীন আবেদন ছড়িয়ে পড়ল চতুর্দিক। অল্প দিনেই তৈরি হয়ে গেল এক নতুন জেহাদী কাফেলা।
সুসংগঠিত হয়ে আবার তাঁরা ঝাঁপিয়ে পড়লেন নয়া জেহাদে দীর্ঘ সান, ত্যাগ ও কুরবানীর বিনিময়ে এদেশের মজলুম মানুষ ফিরে পেল তাদের বহুদিনের কাঙ্খিত স্বাধীনতা। ইসলামী শিক্ষার ময়দানে হল এক নতুন দিগন্তের অভ্যুদয়। যার ফলশ্রুতিতে আজ উপমহাদেশসহ পৃথিবীর আনাচে কানাচে গড়ে উঠেছে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- যেখান থেকে প্রতিনিয়ত বিলানো হচ্ছে ইলমে দীনের শাৱাৰান তারা। বস্তুতঃ দারুল উলুম দেওবন্দ হল একটি ইলহামী দরগাহ।

