Lionel Messi

A
arian560
অশ্রুসিক্ত নয়নে শেষ হয়েছে বার্সেলোনার সঙ্গে লিওনেল মেসির ২১ বছরের সম্পর্ক। শেষ বিদায়ে বারবারই ফুটে উঠেছে ক্লাবের প্রতি লিওর আবেগ।
আর এই বিষয়টি নিয়েই সমালোচনায় মেতেছে নিন্দুকরা। তাদের যুক্তি এতই যেহেতু আবেগ, তবে বিনা বেতন কিংবা স্যালারি আরও কমিয়ে কেন বার্সেলোনায় থেকে গেলেন না মেসি? 

আবেগ আর ভালোবাসার এই সম্পর্কের করুণ নিয়তি অশ্রুসিক্ত আবহে। নশ্বর এই পৃথিবীর কোনো বন্ধনই যে চিরস্থায়ী নয়, তা আবারও প্রমাণিত বার্সেলোনা আর লিওনেল মেসিতে। বিদায় ক্ষণে নেত্র কোণের নোনা জলের বৃথা আষ্ফালন। না, আমি মোটেও যেতে চাইনি। তবে নিন্দুকদের ভাষ্য, সেটাই বা বিশ্বাস করা যায় কি করে?
লিও এখন আর বার্সেলোনার নন। নতুন পরিচয়ে শিগগিরই বিশ্ব সেরার আবির্ভাব হবে এটা নিশ্চিত। নিয়তি হয়তো একটা সময় প্রতিপক্ষ বানিয়েও ফেরাতে পারে ভালোবাসার প্রিয় শহরে! নিন্দুকেরা শুধু মুর্খের মতো তর্কে লিপ্ত হচ্ছে এ বিষয়টি নিয়ে। এতই যখন ভালোবাসা, তবে কেন অর্থমায়া একেবারেই ত্যাগ করে কাতালোনিয়ায় থেকে গেলেন না মেসি?  
ক্লাব রাজনীতি আর ফেলে আসা অতীত বার্সেলোনা আর লিওনেল মেসিকে এমন স্থানে দাঁড় করিয়েছে যেখান থেকে বিচ্ছেদ ছাড়া খোলা ছিল না অন্য কোনো পথ। যার বধ্যভূমি রচনা করে গেছেন সাবেক সভাপতি বার্তেমিও। ক্লাবকে তিনি এতটা দেনায় রেখে গেছেন যে, সেখান থেকে উত্তরণের পথ ছিল না একেবারেই।
লা লিগার বেধে দেওয়া শর্তে কোনো ক্লাব খরচ করতে পারবে না তার আয়ের ৭০ শতাংশের বেশি অর্থ। অথচ গেল মৌসুমে বার্সেলোনা খরচ করেছে ১১০ শতাংশ। তার মানে ব্লাউগ্রানা এতদিন চলেছে ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়ে। এ মৌসুমেও তা ঝেড়ে ফেলার উপায় ছিল না। কারণ মেসি ছাড়াই আসছে মৌসুমে ফুটবলারদের পারিশ্রমিক বাবদ ক্লাবটির খরচ আয়ের প্রায় ৯৫ শতাংশ।
বার্সার নতুন সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা এতদিন বলে গেছেন বাকি ফুটবলাররা ‘পে কাট’ বা কম টাকা নিতে রাজি। কিন্তু ভেতরের খবর তারা শুধু রাজি আপদকালীন কম টাকা নিতে। কিন্তু পরবর্তীতে তা পরিশোধ করতে হবে কড়ায় গন্ডায়। মূলত এ কারণেই বার্সেলোনায় অসম্ভব হয়ে পরে মেসির ভবিষ্যৎ।
তবে কেন বার্সেলোনার বিনামূল্যে থেকে গেলেন না মেসি? আইনের মারপ্যাঁচে না আটকালে সেটাই হয়তো করতেন লিও। কিন্তু স্প্যানিশ ফুটবলের নিয়ম, ক্লাব পুনরায় কোনো ফুটবলারকে দলে ভেড়াতে চাইলে পরিশোধ করতে হবে পূর্ববর্তী চুক্তির ৫০ শতাংশ। যেহেতু ৩০ জুনের পর থেকে ফ্রি এজেন্ট ছিলেন মেসি তাই এই উপায়েও সেকেন্ড হোমে থাকা সম্ভব হয়নি বিশ্ব সেরার।
চলতি মৌসুমে বার্সেলোনা দলে ভিড়িয়েছে অ্যাগুয়েরো, ডিপেই, এরিক গার্সিয়া, এমারসনকে। কিন্তু তাদের নিবন্ধন এখনও সম্পন্ন করতে পারেনি ক্লাব কর্তৃপক্ষ। কারণ তাদের নতুন আয়ের উৎস তৈরি না হলে কিংবা গ্রিজম্যান, কৌতিনিও, উমতিতি, পিয়ানিচদের বিক্রি না করলে খরচ চলে যাবে ১১৫ শতাংশের ওপরে।

Comments

arna4
❤❤
bittu1327
good
dipa164

❤️

rahana45

😍😍

usha449

💕💕