বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
আমাদের সিরাজগঞ্জ শহরের হার্ড পয়েন্টেই একটা শিশু পার্ক গড়ে উঠেছে। পার্কটা যদিও ছোট তবে ভিতরে অনেক কিছুই আছে। অনেক ভালো লাগে। আমি এখন এই পার্কের যা যা আছে এবং গাছ ফুল এবং পশুপাখি এবং বিভিন্ন পশুপাখির মূর্তি এবং ছেলেমেয়েদের খেলনার জিনিসগুলো একে একে তুলে ধরব ইনশাল্লাহ।
প্রথমে গাছের কথা বলা যাক, এই ছোট্ট পার্কের ভিতর অনেক প্রকার গাছ রয়েছে তার মধ্যে প্রথমে উল্লেখ করতে চাই, কাঠবাদাম গাছ। এই গাছগুলো অনেক লাগানো হয়েছে এবং অনেক বড় হয়েছে এবং ফল ধরেছে যা মাটিতে অনেক পড়ে আছে। কাঠবাদাম অনেক পুষ্টিকর একটা খাবার যা আমাদের অনেক রকমের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে থাকে।
এরপর কিছু ফুলের গাছ রয়েছে যেমন, প্রথমেই বলি বকুল ফুলের গাছ । বেশ কিছু ফুলের গাছ রয়েছে যেমন জবা ফুল, গোলাপ ফুল, গেট ফুল, কলাবতী ফুল আরো নাম অজানা অনেক ফুল রয়েছে যা পার্কটা সুন্দর মনোরম দৃশ্য অবতারণা করতে সহায়তা করেছে।
এরপর পার্কের কিছু জীবন্ত পাখি রয়েছে যেমন, এক জায়গায় দেখলাম দশটি রাজহাঁস রয়েছে। এছাড়াও অনেক পাখি এসে এখানে ভিড় জমায় বিকেলের দিকে।
এরপর আমরা যাব শিশুদের খেলনা কি কি রয়েছে এখানে রয়েছে ঘোড়ার রাইট, দোলনা, ট্রেন, স্লিপিং করার ডেকোরেটর বসার স্থান আরো অনেক কিছু। যা শিশুরা অনেক মজা করতে পারবে এবং আনন্দ পাবে।
এরপর কিছু পাখির পশুর মূর্তি বানানো হয়েছে যেমন, গরিলার মুর্তি রয়েছে , আমাদের জাতীয় পাখি দোয়েলের মূর্তি রয়েছে, বক পাখির মূর্তি রয়েছে, পরীর মূর্তি রয়েছে , এছাড়া আরো অনেক পাখির মূর্তি এখানে বানিয়ে রাখা হয়েছে যার শিশু তা অনেক মজা করতে পারবে এবং আনন্দ পাবে।
এবার বলবো পার্কের রাস্তার কথা পার্কের প্রশস্ত কম কিন্তু দৈর্ঘ্য অনেক বেশি প্রায় হাফ কিলোর মতো। পার্কে দুই সাইড ওয়াল ঘেঁষে চিকন সুন্দর রাস্তা তৈরি করা হয়েছে এবং মাঝখান দিয়েও একটি রাস্তা তৈরি করা হয়েছে এবং রাস্তার দু পাশ দিয়ে ফুলের গাছ লাগানো হয়েছে যা দেখতে অসাধারণ লাগে অনেক ভালো লাগে।
পার্কে ঢুকতে প্রতিজনের বিশ টাকা করে লাগে। সাত আট বছরের বাচ্চাদের কোন টাকা লাগে না। এ ছাড়াও যদি কেউ কোন বাহন নিয়ে যায় তাহলে এখানে বাইরে গ্যারেজ রয়েছে যা প্রতি গাড়ির জন্য ২০ টাকা করে নেয় এবং অনেক নিরাপত্তা ভাবে গাড়িগুলো রাখা হয়। টিকিটের দাম ২০ টাকা প্রথমে টিকিট নিয়ে ঢুকতে হয় পরে ঢোকার সময় টিকিট গুলো আরেকজনের কাছে দিয়ে দিতে হয় তারপর পার্ক দেখার পর বহির গমন পথ দিয়ে বের হয়ে আসতে হয়।
আপনারা যদি কেউ পার্কটি দেখতে চান তবে আসতে পারেন অল্প এবং ছোট পার্ক হিসেবে অনেক ভালো লাগে খুবই সুন্দর এবং মনোরম পরিবেশ নদীর ধারে। এপার সম্পর্কে আরো অজানা তথ্য রয়েছে যা আমি যতটুকু পেরেছি আপনাদের জানানোর চেষ্টা করেছি, আল্লাহ হাফেজ।



