
[source](https://images.app.goo.gl/DFkb8)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
প্রিয় সাথী বন্ধু,
সবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়া এবং মহান আল্লাহ তাআলার অশেষ মেহেরবানীতে ভালো আছি সুস্থ আছি। বাংলাদেশের হসপিটাল এর রোগীর ধারণ ক্ষমতা উপর নির্ভরতা অপ্রতুল, সে সম্পর্কে কিছু কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই এ পোস্ট আপনাকে সকলকে স্বাগত জানাই।

[source](https://images.app.goo.gl/XsA3D)
বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভ করেছে। স্বাধীনতার পর থেকে প্রায় ৫২ বছর যারা এদের শাসন করেছে তারা অধিকাংশ দেশপ্রেমিক ছিল না। এই শাস্তি গুলোর মধ্যে একমাত্র এরশাদ এবং জিয়াউর রহমান প্রকৃত দেশপ্রেমিক ছিল তাছাড়া সবাই দেশকে শোষণ করত।
বাংলাদেশের জাতীয় পঙ্গু হসপিটাল এক কি মাত্র তাও ঢাকা শেরেবাংলা নগর অবস্থিত। এটা একমাত্র হসপিটাল যা বাংলাদেশের আর কোথাও নেই । তাইতো বাংলাদেশের ৬৪ জেলা থেকে যত রোগী হয় তারা সোজা এ পঙ্গ হসপিটালে আসে। তাইতো এই হসপিটালে ধারণক্ষমতা তুলনায় রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি তাই সঠিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয় না। এখানে অধিকাংশ রোগী বিলম্বিত চিকিৎসার কারণে অনেকে চিরতরে বিভিন্ন প্রকার অঙ্গহানি হয়ে থাকে। কারণ যদিও পর্যাপ্ত রোগী আছে কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে চিকিৎসক এবং পর্যাপ্ত পরিমাণের অবকাঠামোর অভাব রয়েছে।

[source](https://images.app.goo.gl/HKjgH)
এছাড়াও বিভিন্ন দূর-দূরান্তে জেলা থেকে ঢাকা শহরের দূরত্ব অনেক বেশি হয় অনেক এমন রোগী রয়েছে যারা নির্দিষ্ট টাইমের ভিতরে তাদের চিকিৎসা দেওয়া প্রয়োজন তারা আসতে আসতে অনেক দেরি হয়ে যায় ফলে তারা আর সেই অঙ্গ কে আর কেউ পায় না সেই অঙ্গ হানি হয়ে যায়। এখানে অনেক অব্যবস্থাপনা রয়েছে সিন্ডিকেট রয়েছে দালাল রয়েছে তাই এখানে শুধু অনেক পয়সা খরচ হয়ে থাকে যদিও সরকারের হসপিটাল হোক না কেন। এখানে কিছু কিছু ডাক্তার আছে যারা তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে থাকে ভুল চিকিৎসা দিয়ে থাকে পাকিস্তানে তারা কখনো এটা স্বীকার করে না এমনকি তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা হয় না।

[source](https://images.app.goo.gl/56Qr4)
এই অবস্থার সমাধান-এই অবস্থার সঠিক সমাধান খুব সহজে দেওয়া যায়। বাংলাদেশের প্রায় আটটি বিভাগ রয়েছে প্রত্যেকটি বিভাগের যদি আন্তর্জাতিক মানের পঙ্গু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা যায় তবে চাপ একটুও থাকবেনা এবং প্রত্যেকটি রোগী সঠিক চিকিৎসা পাবে এবং তাদেরকে অকালে অনলাইনে হতে হবে না। বাংলাদেশের কোন চিকিৎসকদের বাইরে যেতে দেওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজন হলে বাহির থেকে চিকিৎসকরা এসে বিভিন্ন ক্রিটিকাল কাজগুলো করা যেতে পারে।

[source](https://images.app.goo.gl/yMnNn)
আধুনিক যন্ত্রপাতি আনতে হবে না আধুনিক যন্ত্রপাতিগুলো হলে চিকিৎসকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে হবে যে ব্যবস্থাপনা গুলো সঠিকভাবে করলে চিকিৎসা অনেক মানুষের সহজ হয়ে যাবে। দেশের অন্যতম সেক্টর হল স্বাস্থ ক্ষার এক হাতে সঠিক লোকদের দায়িত্বে আনতে হবে যারা এগুলো সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে পারে। আজকের মত এখানেই শেষ করছি
আল্লাহ হাফেজ।


